X
সকল বিভাগ
সেকশনস
সকল বিভাগ

ইভ্যালি বিক্রির পরিকল্পনা ছিল রাসেলের

আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৪:৫২

অস্বাভাবিক সব অফার দিয়ে দেশে ‘ভেলকি’ সৃষ্টি করেছিল ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি। আর এর ফলে দায় বেড়ে খাদের কিনারায় এসেছে প্রতিষ্ঠানটি। অর্ডার করে ঠিক সময় পণ্য না পেয়ে মামলাও করেছেন ভুক্তভোগী গ্রাহক। গ্রেফতার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী (সিও) মোহাম্মদ রাসেল বলছেন, প্রথমত তিনি একটি ব্র্যান্ড তৈরির পরিকল্পনা করেছিলেন। পরবর্তি সময়ে কোনও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান বা দেশের বড় কোনও প্রতিষ্ঠানের কাছে দায়সহ বিক্রি করার পরিকল্পনা ছিল তার।

আজ শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর উত্তরায় র‌্যাব সদর দফতরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বাহিনীর আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন। জিজ্ঞাসাবাদে রাসেল তার ব্যবসায়িক পরিকল্পনা সম্পর্কে এমন তথ্য র‌্যাবকে জানিয়েছেন বলে জানান এই র‌্যাব কর্মকর্তা।

তিনি জানান, মোহাম্মদ রাসেল ‘জেনে-শুনেই’ এই নেতিবাচক স্ট্র্যাটেজি নিয়েছিলেন।

এছাড়াও ইভ্যালিকে শেয়ার মার্কেটেও অন্তর্ভুক্তির প্রচেষ্টা ছিল মোহাম্মদ রাসেলের। খন্দকার আল মঈন জানান, প্রতিষ্ঠানটির বয়স তিন বছর অতিবাহিত হলে তিনি শেয়ারবাজারে অন্তর্ভুক্ত হতেন- এমনটাই প্রচেষ্টা ছিল তার। সম্প্রতি ইভ্যালি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হলে প্রায়শই ফেসবুক লাইভে এসে গ্রাহকের কাছে সময় চাইতেন মোহাম্মদ রাসেল। এটা তার সময়ক্ষেপণের একটা ‘অপকৌশল’ ছিল বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

‘ব্যবসায়িক অপকৌশল’ হিসেবে নতুন গ্রাহকদের উপর দায় চাপিয়ে পুরাতন গ্রাহকদের আংশিক অর্থ ফেরত অথবা পণ্য ফেরত দিতেন উল্লেখ করে এই র‌্যাব কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘তার এই দায় ট্রান্সফারের দুরভিসন্ধিমূলক অপকৌশল চালিয়ে তিনি প্রতারণা করে আসছিলেন। প্রতিষ্ঠানটি নেটওয়ার্কে যতো গ্রাহক তৈরি হয় লাইবেলিটিজ বাড়তে থাকে।’

গ্রেফতারদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে র‍্যাবের এই কর্মকর্তা জানান, রাসেল ২০০৭ সালে একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স এবং পরবর্তীতে ২০১৩ সালে এমবিএ সম্পন্ন করেছেন। তিনি ২০০৯ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত একটি কোচিং সেন্টারে শিক্ষকতা করেন। ২০১১ সালে ব্যাংকিং সেক্টরে চাকরি শুরু করেন। প্রায় ৬ বছর চাকরির পর ২০১৭ সালে ব্যাংকের চাকরি ছেড়ে ব্যবসা শুরু করেন। তিনি প্রায় এক বছর শিশুদের ব্যবহার্য একটি আইটেম নিয়ে ব্যবসা করেন এবং পরে তিনি ওই ব্যবসা বিক্রি করে দেন। ২০১৮ সালে আগের ব্যবসালব্ধ অর্থ দিয়ে ইভ্যালি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে ইভ্যালির কার্যক্রম শুরু হয়। কোম্পানিতে তিনি সিইও এবং তার স্ত্রী চেয়ারম্যান পদে অধিষ্ঠিত হন।

র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক আরও বলেন, ইভ্যালির অবকাঠামো সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ভাড়াকৃত স্পেসে ধানমন্ডিতে প্রধান কার্যালয় এবং কাস্টমার কেয়ার স্থাপিত হয়। একইভাবে ভাড়াকৃত স্থান আমিন বাজার ও সাভারে তাদের ওয়্যার হাউজ চালু করা হয়। কোম্পানিতে শুরুর দিকে প্রায় দুই হাজার স্টাফ ছিল। সেই সঙ্গে প্রায় ১৭০০ অস্থায়ী কর্মচারীও ছিল। যা বর্তমানে ১৩০০ জন স্টাফ এবং প্রায় ৫০০ জন অস্থায়ী কর্মচারীতে এসে দাঁড়িয়েছে। প্রথমদিকে কর্মচারীদের মাসিক বেতন বাবদ ইভ্যালির খরচ হতো প্রায় ৫ কোটি টাকার বেশি, যা বর্তমানে দেড় কোটিতে এসে দাঁড়িয়েছে। গত জুন থেকে অনেকের বেতন দিতে সক্ষম হয়নি প্রতিষ্ঠানটি।

/আরটি/ইউএস/
টাইমলাইন: ইভ্যালি
৩১ জানুয়ারি ২০২২, ১৬:১২
১৮ অক্টোবর ২০২১, ১৯:১২
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৬:৪৯
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৪:২০
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩:৪২
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩:০১
ইভ্যালি বিক্রির পরিকল্পনা ছিল রাসেলের
বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
ইসলামিক ফাউ‌ন্ডেশ‌নের উপপরিচালকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা
ইসলামিক ফাউ‌ন্ডেশ‌নের উপপরিচালকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা
বিশেষজ্ঞদের মতে ইভিএম চমৎকার, অপেক্ষার কথা বললেন সিইসি
বিশেষজ্ঞদের মতে ইভিএম চমৎকার, অপেক্ষার কথা বললেন সিইসি
এক সংকল্প আর আত্মমর্যাদার নাম পদ্মা সেতু
এক সংকল্প আর আত্মমর্যাদার নাম পদ্মা সেতু
নওগাঁয় ২ হাজার কোটি টাকার আম বিক্রির টার্গেট 
নওগাঁয় ২ হাজার কোটি টাকার আম বিক্রির টার্গেট 
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত