X
মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১, ৬ বৈশাখ ১৪২৮

সেকশনস

রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে কিছু ‘খুচরা চিন্তা’!

আপডেট : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ১৮:৫৬

রাহমান নাসির উদ্দিন রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে মিডিয়ায় বিস্তর আলোচনা হচ্ছে। প্রচুর লেখালেখি হচ্ছে। সংবাদ, প্রতিবেদন ও সম্পাদকীয় ছাপা হচ্ছে। এবং সেটা সময়ের চাহিদা অনুযায়ী অস্বাভাবিক কিছু নয়। বিশেষজ্ঞ, অবিশেষজ্ঞ এবং বিশেষ অজ্ঞ সবাই এ আলোচনা-যজ্ঞে শামিল হচ্ছেন। সেটাও স্বাস্থ্যপ্রদ কেননা বিশেষজ্ঞরাও যখন মাঝে মাঝে উল্টাপাল্টা যজ্ঞ বাধিয়ে দেন, সেখানে নানান অজ্ঞরা এসে আমাদের উদ্ধার করেন। কথায় বলে, ‘অতি জানা জ্ঞান কানা। কম জানা, ষোল আনা’। রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে এসব অতি জানাদের আলোচনা থেকে উদ্ভুত কিছু বোঝাবুঝিগত ভুলত্রুটি নিয়ে আমার কিছু ‘খুচরা চিন্তা’ এখানে শরিক করছি। লেখা বাহুল্য, এ ঘরানার কয়েক কিস্তি লেখার বাসনা আছে। 
এক.
রোহিঙ্গাদের নিয়ে চতুর্দিকে মাতম উঠেছে, কিন্তু রোহিঙ্গা নিধনে মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় ডিসকোর্স নিয়ে তেমন আলোচনা নাই। রোহিঙ্গাদেরকে মিয়ানমার থেকে তাড়ানোর জন্য মিয়ানমার সরকার প্রায় একই ফর্মুলা ব্যবহার করে। গতবছর (২০১৬) অক্টোবরে যে ফর্মুলা দিয়ে প্রায় ৮৭ হাজার রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে পুশ করেছিল, এ বছরও একই ফর্মুলা প্রয়োগ করে রোহিঙ্গাদেরকে বাংলাদেশে পুশ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে পুশ করেছে প্রায় এক লক্ষ ৮০ হাজার (০৫/০৯/২০১৭ পর্যন্ত)। মিয়ানমারের ফর্মূলা হচ্ছে: ‘রোহিঙ্গা ‘সন্ত্রাসী’ কর্তৃক সীমান্ত চকিতে হামলা/পুলিশের ওপর হামলা হবে এবং হতাহতের ঘটনা ঘটবে। তারপর সেনাবাহিনী ‘সন্ত্রাসীদের খোঁজার’ নামে সিভিলিয়ান রোহিঙ্গাদের ওপর গণগ্রেফতারের নামে তাণ্ডব চালাবে। ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে হত্যাযজ্ঞ চালাবে। প্রচুর হতাহতের ঘটনা ঘটবে। আর সাধারণ রোহিঙ্গারা জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসবে’। এ কমন কুইনাইন দিয়ে মিয়ানমার সরকার দীর্ঘদিন দলে ক্রমান্বয়ে রোহিঙ্গাদেরকে নিধন করছে অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, এভাবেই একই ফর্মুলা ব্যবহার করে মিয়ানমার সরকার ক্রমান্বয়ে রাখাইন রাজ্যকে একদিন রোহিঙ্গাশূন্য করে ফেলবে। সুতরাং মামলা ডিসমিস! ১৯৭৮, ১৯৯১/১৯৯২, ২০১২, ২০১৬... প্রভৃতি এপিসোডে আমরা প্রায় একই চিত্রনাট্য দেখেছি। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, রাষ্ট্রের এ নেরেটিভ আর কতোদিন আমরা আনক্রিটিক্যালি গিলবো? আর বিশ্বসম্প্রদায় আর কতোদিন নির্বিচারে এবং নিঃশব্দে মিয়ানমারের এ মিথ্যাচার এবং রাষ্ট্রীয় প্রোপাগান্ডকে সাবস্ক্রাইভ করবে? অনেকে আলোচনা করছেন কিন্তু এ প্রশ্নটি খুব একটা কেউ তুলছেন না। যেমন রবীন্দ্রনাথের ভাষায়, ‘অনেক কথা যাও যে বলে, আসল কথা না বলে’।

দুই.

মিয়ানমার থেকে কেন দলে দলে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে কোনও রকমে জীবন নিয়ে পালিয়ে আসছে—তা নিয়ে বাংলাদেশে নানান বয়ান জারি আছে। কেউ কেউ মিয়ানমার সরকার কর্তৃক রোহিঙ্গা নির্যাতন ও নিধনের ঘটনাকে জাতিগত সংঘাত (বার্মিজ বনাম রোহিঙ্গা) বলেও একটা ব্যাখ্যা খাঁড়া করানোর চেষ্টা করেন। এ ব্যাখ্যার মধ্যে খানিকটা সত্যতা থাকলেও বিষয়টি আদতে ‘বার্মিজ বনাম রোহিঙ্গা’ নয়। কেননা, একটা রাষ্ট্রীয় পলিসির অংশ হিসাবে মিয়ানমারকে রোহিঙ্গাশূন্য করতেই দীর্ঘদিন থেকে এ নির্যাতন চলছে। সুতরাং মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নির্যাতনের ঘটনাকে কেবলই জাতিগত সংঘাত হিসাবে ব্যাখ্যা করলে রাষ্ট্র হিসাবে মিয়ানমারের যে একটি আগ্রাসী এবং সন্ত্রাসী চরিত্র আছে সেটাকে প্রকারান্তরে আড়াল করা হয়। আবার মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদেরকে যেভাবে হত্যা, নির্যাতন ও নিপীড়ন করা হচ্ছে সেটাকে বুদ্ধিষ্ট বনাম মুসলমানদের মধ্যকার একটা ধর্মীয় সংঘাত হিসাবে উপস্থাপনের একটা পপুলার রীতি জারি আছে বাংলাদেশে। এটা ব্যাখ্যা হিসাবে আরো ভয়ংকর। এধরনের বয়ান পুরো ঘটনাকে একটা ভিন্ন আঙ্গিক দেয় কেননা এধরনের উপস্থাপনার মধ্যে একটা সাম্প্রদায়িক রাজনীতির সুঁড়সুঁড়ি আছে। বিশেষ করে ‘মুসলিম ব্রাদাহুডের’ ধারণা এরমধ্যে লুকায়িত আছে, যেটা ভিন্ন একটা সাম্প্রদায়িক খুঁতখুঁতানি তৈরি করে। এ খুঁতখুঁতানির কারণেই বাংলাদেশে বসবাসরত বুদ্ধিষ্ট সম্প্রদায়ের লোকদেরকে আলাদা করে মানববন্ধন করে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নির্যাতনের প্রদিবাদ করতে হয় এটা প্রমাণ করার জন্য যে, মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নির্যাতন মুসলিম বনাম বুদ্ধিষ্ট সংঘাত নয়। তাই, বাংলাদেশের সমাজের সংবেদনশীল অংশের একটা বড় নৈতিক দায়িত্ব হচ্ছে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নির্যাতনের ঘটনাকে যেন কোনোভাবেই ধর্মীয় সংঘাত হিসাবে উপস্থাপন করা না-হয়, সেটার জন্য জোর প্রচারণা চালানো। সবধরনের লেখালেখি এবং আলোচনায় বিষয়টি নিয়মিতভাবে সাফ করা জরুরি। আমাদের সকলের মনে রাখা প্রয়োজন যে, রোহিঙ্গা নির্যাতন একটি অত্যন্ত সুপরিকল্পিত রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস। আর এবারের ঘটনা হচ্ছে একটা নির্ভেজাল গণহত্যা (জেনুসাইড)। আমরা বরঞ্চ আসুন সবাই সমস্বরে এ নিষ্ঠুর গণহত্যার তীব্র নিন্দা জানাই।

তিন.

মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নির্যাতনের ঘটনা বন্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা নিয়েও নানান আলোচনা বাজারে জারি আছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্ব সম্পর্কিত আলোচনায় প্রধানত চারটি সম্প্রদায়কে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়: দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় প্রতিবেশী দেশগুলোর সংগঠন আসিয়ান, অর্গানাইজেশান অব ইসলামিক কনফারেন্স (ওআইসি), ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং জাতিসংঘ। ভারত, চীন, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকাকেও মাঝে মাঝে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়, কিন্তু সে অভিযোগে ভাষা এবং যক্তি বেশ কমজোর। আসিয়ান রহস্যজনকভাবে চুপ। কেন চুপ সেটা উপলব্ধির জন্য বিশেষজ্ঞ হওয়ার প্রয়োজন হয় কেন না আসিয়ান তার সদস্যরাষ্ট্র হিসাবে সবসময়ই মিয়ানমারের পক্ষেই অবস্থান নেবে, সেটাই স্বাভাবিক। আর রোহিঙ্গা ইস্যুতে ওআইসি’র কেন কোনও ভূমিকা নাই, সেটা একটি রহস্যজনক ব্যাপার হলেও আন্তর্জাতিক রাজনীতির যারা ন্যূনতম খোঁজখবর রাখেন তারা জানেন যে, ওআইসি একটা নখদন্তহীন নেকড়ে ছাড়া আর কিছুই না। তবে, সত্যিকার কাঠগড়ায় দাঁড় করানো উচিত ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং জাতিসংঘকে যারা সারা বছর সারা দুনিয়ার মানবাধিকারের ফেরিওয়ালা হিসেবে নিজেদের নিত্য জাহির করেন। এবং নিজেদেরকে বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার রক্ষার ‘ডিলার’ হিসাবে উপস্থাপন করেন। খবরে প্রকাশ... সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয়ার্ধ্বে অনুষ্ঠিতব্য জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে আলোচনা করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। চলেন আমরা সবাই খুশিতে উচ্চাঙ্গ নৃত্য করি!! অথচ, এরই মধ্যে হাজার হাজার রোহিঙ্গাকে হত্যা করা হয়েছে। প্রায় দুই লক্ষ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। হাজার হাজার রোহিঙ্গা কোনোরকমে জান নিয়ে পালিয়ে এসে সীমান্তে অপেক্ষা করছে। না-ঢুকতে পারছে বাংলাদেশে, না-যেতে পারছে অন্য কোথাও। হাজার হাজার রোহিঙ্গা অর্ধাহারে-অনাহারে অমানবিক দিন গোজার করছে নো-ম্যান্স ল্যান্ডে। অথচ জাতিসংঘ কেবল আলোচনার উদ্যোগ নিচ্ছে তাও সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয়ার্ধ্বে যাতে আরো কয়েক হাজার রোহিঙ্গাকে এরই মধ্যে মারা সম্ভব হয়! ইউরোপীয় ইউনিয়নও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। জাতিসংঘ আলোচনা করে এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন উদ্বেগ প্রকাশ করেই দায়িত্ব খালাস!! মানুষ ও মানবতা রক্ষায় যদি সময়মত কোনও ভূমিকা রাখতে না-পারে, তাহলে এসব ফালতু আনুষ্ঠানিকতা এবং প্রাতিষ্ঠানিকতার দারকার কী? এসব প্রশ্ন কেউ তুলছেন না। সবাই, কেবল আলোচনা করছেন।

চার.

মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় প্রচারযন্ত্র এবং সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী রোহিঙ্গাদেরকে ‘বাঙালী সন্ত্রাসী’ হিসাবে পরিচিত দেওয়ার একটা রাষ্ট্রীয় প্রোপাগান্ডা শুরু করেছে দীর্ঘদিন থেকে। দীর্ঘদিন অনবরত এবং অব্যাহত মিথ্যাচার কোনও কোনও প্রোপাগান্ডাকে সত্য বানিয়ে দিতে পারে। তারই লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। বিশ্বের অনেক মিডিয়া মিয়ানমার সরকারের এ প্রোপাগান্ডা গিলতে শুরু করেছে। বাংলাদেশের দু’একটি আলোচনা সভায় অনেক বিশেষজ্ঞ বলেছেন রোহিঙ্গারা বাঙালি কারণ তাদের ভাষা বাংলা। কিন্তু এ যুক্তি একেবারেই খোঁড়া যুক্তি। কেননা ভাষা এক হলেই এক জাতি হয় না। বাংলাদেশেই তার অসংখ্য উদাহারণ আছে। যেমন, চাকমা আর তনচংজ্ঞাদের ভাষার মধ্যে প্রচুর মিল আছে, তার অর্থ এ নয় যে, তনচংজ্ঞারা চাকমা জাতি। আবার চামকা ভাষার সাথে চাঁটগাইয়া ভাষার প্রচুর মিল আছে। তার অর্থ এ নয় যে, চাকমারা চাটগাইয়া বাঙালি। রোহিঙ্গারা একটি স্বতন্ত্র জাতি। মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভেতরে রোহিঙ্গারা মূত ত্রৈত সংখ্যালঘু (ত্রিপল মাইনোরিটি): সাংস্কৃতিক সংখ্যালঘু (এথনিক মাইনোরিটি), ধর্মী সংখ্যালগঘু (রিলিজিয়ার্স মাইনোরিটি) এবং ভাষাতাত্ত্বিক সংখ্যালঘু (লিঙ্গুইস্টিক মাইনোরিটি)। সুতরাং রোহিঙ্গাদেরকে গণহারে বাঙালি না-বলে মিয়ানমারের রাষ্ট্রের কাঠামোর ভেতরে তাদের নিজস্ব জাতিগত পরিচয় দিয়ে চিহ্নিত করতে হবে। একথা অজানা নয় যে, আজকের রাখাইন রাজ্য ছিল মূলত আরাকান রাজ্য যার অংশ ছিল বৃহত্তর চট্টগ্রামের একাংশ, নোয়াখালি এবং কুমিল্লার একাংশ। এবং বৃহত্তর অঞ্চলই একসময় আরাকান রাজ্য হিসাবে পরিচিত ছিল। তারও আগে, এতদঞ্চল ‘রোহান’ নামে পরিচিত ছিল। আরব ভূগোলবিদ মো. রাশিদুজ্জামান ১৩১০ খ্রিস্টাব্দে এতঞ্চলকে ‘রোহান’ নামে অভিহিত করেন। ১৫৮৫ সালে ব্রিটিশ ট্রাভেলার রেলফ ফিচও এটাকে ‘রোহান’ নামে অভিহিত করেন। এবং সাবেক এ রোহান রাজ্যের অধিবাসীরাই মূলত রোহিঙ্গা জাতি। সুতরাং রোহিঙ্গাদের সঙ্গে এ অঞ্চলের বাঙালিদের নানার ধরনের সংযোগ ছিল। তাই, খুবই সঙ্গত কারণেই দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বাঙালিদের সঙ্গে রোহিঙ্গাদের মধ্যে অন্তরঙ্গ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ে ঘটেছিল। ফলে, স্বাভাবিক কারণেই রোহিঙ্গাদের সঙ্গে এতদঞ্চলের বাঙালিদের মধ্যে কিছুটা সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক সাজুস্য ও সাদৃশ্য রয়েছে। কিন্তু তার অর্থ এ নয় যে, রোহিঙ্গারা বাঙালি। তাই দয়া করে রোহিঙ্গাদেরকে বাঙালি বলা বন্ধ করেন কেননা ‘রোহিঙ্গারা বাঙালি’ এটা কোনও সিরিয়াস নৃবৈজ্ঞানিক একাডেমিক প্রামাণ্য গবেষণা দ্বারা এখনও পর্যন্ত স্বীকৃত নয়। সুতরাং পাইকারি হারে রোহিঙ্গাদেরকে বাঙালি বলা একেবারেই কাম্য নয়। আর যদি বিশেষজ্ঞ আলোচনার নামে এসব রোহিঙ্গাদেরকে পাইকারি হারে বাঙালি বলার যজ্ঞ বন্ধ না-করেন, তাহলে প্রকারান্তরে মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় ডিসকোর্সকেই আপনি নিজের অজান্তে গ্রহণ করছেন এবং আনক্রিটিক্যালি সাবস্ক্রাইভ করছেন।

পরিশেষে বলবো, রোহিঙ্গা ইস্যুতে মানবতাবাদের আবেগে আপ্লুত হয়ে রোহিঙ্গাদের সমর্থনে আমরা আমাদের অবস্থান পরিষ্কার করি সেটা মানুষ হিসাবে খুবই স্বাভাবিক। কিন্তু নানান ট্যাকনিক্যাল বিষয় নিয়ে যথাযথ উপলব্ধি ছাড়া ‘হোলসেইল’ আইডিয়া আনক্রিটিক্যালি সাবস্ক্রাইব করা কোনোভাবেই কাম্য নয়। কেননা মহাবয়ান একবার নির্মিত হলে, তা বিনির্মাণ করে নতুন বয়ান নির্মাণ অতো সহজ নয়।

 

লেখক: নৃবিজ্ঞানী ও অধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। 

 

এসএএস

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

সম্পর্কিত

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী

মিয়ানমারের সামরিক অভ্যুত্থান ও গণতন্ত্রের জন্য ‘বেহুদা’ বিলাপ!

মিয়ানমারের সামরিক অভ্যুত্থান ও গণতন্ত্রের জন্য ‘বেহুদা’ বিলাপ!

জাতিসংঘে গৃহীত রেজ্যুলেশন ও রোহিঙ্গা সমস্যা!

জাতিসংঘে গৃহীত রেজ্যুলেশন ও রোহিঙ্গা সমস্যা!

বাইডেন ট্রাম্পকে হারিয়েছেন, কিন্তু ‘ট্রাম্পইজম’ কি হেরেছে?

বাইডেন ট্রাম্পকে হারিয়েছেন, কিন্তু ‘ট্রাম্পইজম’ কি হেরেছে?

কেন রোহিঙ্গারাই রোহিঙ্গাদেরকে হত্যা করছে?

কেন রোহিঙ্গারাই রোহিঙ্গাদেরকে হত্যা করছে?

রোহিঙ্গা ঢলের তিন বছর!

রোহিঙ্গা ঢলের তিন বছর!

বঙ্গবন্ধু ও তাঁর রাজনীতির মূলমন্ত্র

বঙ্গবন্ধু ও তাঁর রাজনীতির মূলমন্ত্র

দন্তহীন বাঘ জাতিসংঘকে ‘দাঁত’ গজাতে হবে!

দন্তহীন বাঘ জাতিসংঘকে ‘দাঁত’ গজাতে হবে!

করোনাকালে রোহিঙ্গারা কেমন আছে?

করোনাকালে রোহিঙ্গারা কেমন আছে?

সর্বশেষ

হাওরে ধান কাটা শ্রমিকের কোনও সংকট নেই: সিলেট বিভাগীয় কমিশনার

হাওরে ধান কাটা শ্রমিকের কোনও সংকট নেই: সিলেট বিভাগীয় কমিশনার

মোস্তাফিজের উদযাপন চলছে, তবে পথ হারিয়েছে রাজস্থান

মোস্তাফিজের উদযাপন চলছে, তবে পথ হারিয়েছে রাজস্থান

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে সহকর্মীর মৃত্যু, গার্মেন্টস শ্রমিকদের বিক্ষোভ

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে সহকর্মীর মৃত্যু, গার্মেন্টস শ্রমিকদের বিক্ষোভ

পদ্মায় গোসলে নেমে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

পদ্মায় গোসলে নেমে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলরের মৃত্যু

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলরের মৃত্যু

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে হেফাজত নেতারা বললেন ‘কিছু বলার নাই’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে হেফাজত নেতারা বললেন ‘কিছু বলার নাই’

মামুনুল হকের রিসোর্টকাণ্ড: সোনারগাঁও থানার ওসিকে বাধ্যতামূলক অবসর

মামুনুল হকের রিসোর্টকাণ্ড: সোনারগাঁও থানার ওসিকে বাধ্যতামূলক অবসর

ওয়ালটনের অল ইন ওয়ান পিসি

ওয়ালটনের অল ইন ওয়ান পিসি

সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি: যুক্তরাজ্যের রেড লিস্ট-এ ভারত

সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি: যুক্তরাজ্যের রেড লিস্ট-এ ভারত

ভাইয়ের হাতে পুলিশ কর্মকর্তা খুনের অভিযোগ

ভাইয়ের হাতে পুলিশ কর্মকর্তা খুনের অভিযোগ

ঘরে বসে আকর্ষণীয় ডিসকাউন্টে ওয়ালটনের পণ্য

ঘরে বসে আকর্ষণীয় ডিসকাউন্টে ওয়ালটনের পণ্য

সাড়ে ৫ ঘণ্টায় আয় ৩০ টাকা, চালের কেজি ৪৫!

সাড়ে ৫ ঘণ্টায় আয় ৩০ টাকা, চালের কেজি ৪৫!

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

Bangla Tribune is one of the most revered online newspapers in Bangladesh, due to its reputation of neutral coverage and incisive analysis.
© 2021 Bangla Tribune