X
রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ৮ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

‘‌ইভ্যালি, ইট ওয়াজ অ্যা ওয়ান ম্যান শো’

আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৫:৪৮

ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী (সিও) মোহাম্মদ রাসেল নানা অপকৌশলে নিজেকে এবং ইভ্যালিকে একটি ব্র্যান্ডে পরিণত করছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন। তিনি বলেন, ‘‌‌ইভ্যালি কোম্পানি ইট সেলফ ইট ওয়াজ অ্যা ওয়ান ম্যান শো। ইট ওয়াজ মিস্টার রাসেল।’

শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর উত্তরা র‌্যাব সদর দফতরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

খন্দকার আল মঈন বলেন, ‌‘ফেব্রুয়ারির পর থেকে তেমন কোনও বড় পণ্য কোনও গ্রাহককে ফেরত দিতে পারেনি ইভ্যালি। বিভিন্ন জায়গায় বিজ্ঞাপন কিংবা স্পন্সর করা রাসেলের একটি মার্কেটিং পলিসি। তিনি চেয়েছিলেন ইভ্যালিকে দক্ষিণ এশিয়ায় সবাই একনামে চিনুক। একটি মার্কেট ভ্যালু তৈরি করতে চেয়েছিলেন। বিভিন্ন জায়গায় প্রচার প্রচারণা এবং স্পন্সর করাতে মানুষ তাকে চিনেছে। গ্রাহকের কষ্টার্জিত টাকায় তিনি প্রচার প্রচারণা ও স্পন্সর করেছেন।’

তিনি বলেন, ‘‌তার প্রথম উদ্দেশ্য ছিল একটি ব্র্যান্ড ভ্যালু তৈরি করা। মানুষের নজর কাড়তে তিনি বিভিন্ন পন্থা নিয়েছিলেন। বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেছেন। বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে প্রলুব্ধ করার চেষ্টা করেছেন। দেশীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, কিন্তু যখন প্রতিষ্ঠানটির ভেতরের বিষয়গুলো জানতে পেরেছেন তখন তারা এটা থেকে সরে এসেছেন।’

বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার কোনও তথ্য তার কাছে থেকে পাওয়া যায়নি উল্লেখ করে র‌্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘তিনি কনফিডেন্ট ছিলেন আস্তে আস্তে  বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত করতে পারবেন। উনার নিজের বর্তমান যে দায় রয়েছে— গ্রাহকদের টাকা ফেরত দেওয়া, এ বিষয়ে তিনি সন্দিহান ছিলেন।’

 

/আরটি/আইএ/
টাইমলাইন: ইভ্যালি
১৮ অক্টোবর ২০২১, ১৯:১২
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৬:৪৯
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৫:১৩
‘‌ইভ্যালি, ইট ওয়াজ অ্যা ওয়ান ম্যান শো’
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৪:২০
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩:৪২

সম্পর্কিত

পরীমণির রিমান্ড: দুই বিচারককে ব্যাখ্যা দিতে একসপ্তাহ সময়

পরীমণির রিমান্ড: দুই বিচারককে ব্যাখ্যা দিতে একসপ্তাহ সময়

সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন বিষয়ে ‘ত্বরিত ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে, জানালেন আইনমন্ত্রী

সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন বিষয়ে ‘ত্বরিত ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে, জানালেন আইনমন্ত্রী

সম্রাটসহ সাতজনের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিল

সম্রাটসহ সাতজনের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিল

সাম্প্রদায়িক হামলা নিয়ে প্রধান বিচারপতির উদ্বেগ

সাম্প্রদায়িক হামলা নিয়ে প্রধান বিচারপতির উদ্বেগ

চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে এলজিইডির কর্মচারীদের ধর্মঘট

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২১, ১৪:২৮

চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে সংস্থাটির কর্মচারীরা।

রবিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল থেকে ‘এলজিইডি কর্মচারী ঐক্য পরিষদের’ ব্যানারে এই কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। কর্মসূচি থেকে ৩ হাজার ৭৯৮ জন কর্মচারীর চাকরি স্থায়ীকরণের দাবি জানানো হয়।

এলজিইডি ঐক্য পরিষদের সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের চাকরি স্থায়ী করা না হলে আমরা এখান থেকে যাবো না এবং পরবর্তী সময়ে অনশন ধর্মঘট ডাক দেওয়া হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরও ৩ হাজার ৭৯৬ জন দক্ষ, নিষ্ঠাবান কর্মকর্তা-কর্মচারী মানবেতর জীবনযাপন করছেন। আমরা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে চাকরি রাজস্ব খাতে অন্তর্ভুক্তির দাবি জানিয়ে আসছি। অথচ একই রায়ে ৩ হাজার ৭২৮ জনের চাকরি রাজস্ব খাতে স্থানান্তর হলেও বাকী অর্ধেকেরও বেশি (৩ হাজার ৭৯৬) জনকে নেওয়া হয়নি। এতে করে আমরা পরিবার নিয়ে অনাহারে দিন কাটাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ, আমাদের চাকরি রাজস্ব খাতে অন্তর্ভুক্ত করে পরিবার নিয়ে বেঁচে থাকার সুযোগ দিন। চাকরি স্থায়ীকরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।’

কর্মসূচিতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফেনী, কুমিল্লা, গাজীপুর, নরসিংদী, সুনামগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী,বরিশাল, বরগুনা, খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মসূচিতে অংশ নেন।

/এসএস/ইউএস/

সম্পর্কিত

নেতা চলে যাওয়ার পর ফাঁকা

নেতা চলে যাওয়ার পর ফাঁকা

ঈদের দিন বাস টার্মিনালে অবস্থান ধর্মঘট

ঈদের দিন বাস টার্মিনালে অবস্থান ধর্মঘট

পরীমণির রিমান্ড: দুই বিচারককে ব্যাখ্যা দিতে একসপ্তাহ সময়

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২১, ১৪:২৫

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় চিত্রনায়িকা পরীমণির দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফা রিমান্ড মঞ্জুরের বিষয়ে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা জানাতে ঢাকার দুই মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে একসপ্তাহ সময় দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারকরা হলেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবব্রত বিশ্বাস ও আতিকুল ইসলাম। দুই বিচারকের পক্ষে সময় আবেদনের শুনানি নিয়ে রবিবার (২৪ অক্টোবর) বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি এ এস এম আব্দুল মোবিনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আদালতে দুই বিচারকের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী আবদুল আলীম মিয়া জুয়েল। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মিজানুর রহমান।

গত ১৫ সেপ্টেম্বর মাদক মামলায় চিত্রনায়িকা পরীমণিকে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় রিমান্ডে নেওয়ার বিষয়ে ক্ষমাপ্রার্থনা করা দুই বিচারক ব্যাখ্যা দাখিল করেছিলেন। তবে তাতে সন্তুষ্ট হতে না পেরে গত ২৯ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট দুই মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে আবারও ব্যাখ্যা দিতে বলেন। একইসঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তাকে (কাজী গোলাম মোস্তাফা) ধার্য তারিখের (২৪ অক্টোবর) মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছিল।

গত ৫ আগস্ট পরীমণি ও দীপুর চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশিদ। দ্বিতীয় দফায় ১০ আগস্ট পরীমণি ও আশরাফুল ইসলাম দীপুর দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবব্রত বিশ্বাস। এরপর তৃতীয় দফায় গত ১৯ আগস্ট পরীমণির একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুল ইসলাম।

গত ২৯ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের রায় না মেনে মাদক মামলায় গ্রেফতার চিত্রনায়িকা পরীমণিকে বারবার রিমান্ডে নেওয়ার বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টের স্বপ্রণোদিত আদেশ প্রার্থনা করে একটি আবেদন জমা পড়ে। মানবাধিকার সংগঠন আইন ও শালিস কেন্দ্রের (আসক) পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দা নাসরিন এই আবেদন করেন। এর শুনানি নিয়ে গত ২ সেপ্টেম্বর পরীমণিকে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফা রিমান্ড মঞ্জুরকারী বিচারকদের ব্যাখ্যা ও সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব করেছিলেন হাইকোর্ট।

নির্যাতন ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে চলতি বছরের ১৪ জুন দুপুরে সাভার থানায় ছয় জনের নামে মামলা করেন পরীমণি। মামলায় ব্যবসায়ী নাসির ইউ মাহমুদকে প্রধান আসামি করা হয়। এরপর বেশ কিছু সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ হলে ব্যাপক আলোচনায় আসেন পরীমণি। এরই ধারাবাহিকতায় ৪ আগস্ট রাতে বনানীর বাসায় অভিযান চালিয়ে সহযোগীসহ পরীমণিকে আটক করে র‍্যাব। তার বাসা থেকে বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয় বলে জানায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আটকের পর তাদের নেওয়া হয় র‍্যাব সদর দফতরে।

র‍্যাব-১ বাদী হয়ে মাদক আইনে পরীমণির বিরুদ্ধে মামলা করে। পরে তিন দফায় মোট সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয় দেশীয় চলচ্চিত্রের এই নায়িকাকে। বারবার রিমান্ডে নেওয়া নিয়ে ব্যাপক আলোচনার মধ্যে গত ৩১ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশের আদালত ৫০ হাজার টাকার মুচলেকায় পরীমণির জামিন মঞ্জুর করেন।

/বিআই/জেএইচ/

সম্পর্কিত

সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন বিষয়ে ‘তড়িৎ ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে, জানালেন আইনমন্ত্রী

সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন বিষয়ে ‘তড়িৎ ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে, জানালেন আইনমন্ত্রী

সম্রাটসহ সাতজনের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিল

সম্রাটসহ সাতজনের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিল

সাম্প্রদায়িক হামলা নিয়ে প্রধান বিচারপতির উদ্বেগ

সাম্প্রদায়িক হামলা নিয়ে প্রধান বিচারপতির উদ্বেগ

সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন বিষয়ে ‘ত্বরিত ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে, জানালেন আইনমন্ত্রী

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২১, ১৪:৫৫

সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন বিষয়ে ‘ত্বরিত ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। রবিবার (২৪ অক্টোবর) বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে (জাতি) এক প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

সম্প্রতি কুমিল্লার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সার্বিক নিরাপত্তার লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে ‘সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন’ পাসের বিষয়টি আবারও আলোচনায়। এ বিষয়ে আইনমন্ত্রীর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি ‘ত্বরিত ব্যবস্থা’ নেওয়ার কথা জানান।

এসময় সম্প্রতি রংপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে একটি হিন্দু জনপদে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় এক ছাত্রলীগ নেতার নাম আসার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে আনিসুল হক বলেন, ছাত্রলীগ বা অন্য লীগ বা অন্য দল... এসব না। যারা অপরাধ করবে তাদের বিচার হবে। সে যেই দলেরই হোক, যে গোষ্ঠীরই হোক, যে জাতিরই হোক। কিন্তু অপরাধী অপরাধীই, তার বিচার হবে।

আওয়ামী লীগ অবশ্যই অসম্প্রাদায়িক রাজনীতি বিশ্বাস করে উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের মানুষকেও সে দীক্ষায় দীক্ষিত করেছেন বলে জনগণ সাম্প্রদায়িক রাজনীতির দিকে ঝুঁকে না। সেক্ষেত্রে কেউ যদি ব্যক্তিস্বার্থে অন্যায় করে সেটাও অন্যায় এবং তাকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।

/বিআই/ইউএস/

সম্পর্কিত

পরীমণির রিমান্ড: দুই বিচারককে ব্যাখ্যা দিতে একসপ্তাহ সময়

পরীমণির রিমান্ড: দুই বিচারককে ব্যাখ্যা দিতে একসপ্তাহ সময়

সাম্প্রদায়িক সহিংসতার অপরাধী যে দলেরই হোক, বিচার হবে: আইনমন্ত্রী

সাম্প্রদায়িক সহিংসতার অপরাধী যে দলেরই হোক, বিচার হবে: আইনমন্ত্রী

সম্রাটসহ সাতজনের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিল

সম্রাটসহ সাতজনের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিল

সাম্প্রদায়িক হামলা নিয়ে প্রধান বিচারপতির উদ্বেগ

সাম্প্রদায়িক হামলা নিয়ে প্রধান বিচারপতির উদ্বেগ

সাম্প্রদায়িক সহিংসতার অপরাধী যে দলেরই হোক, বিচার হবে: আইনমন্ত্রী

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২১, ১৩:৩২

সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনায় অপরাধী ছাত্রলীগ হোক বা যে দলেরই হোক না কেন, তার বিচার হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

রবিবার (২৪ অক্টোবর) বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে (জাতি) এক প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনায় এক ছাত্রলীগ নেতার নাম আসার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে আনিসুল হক বলেন, ছাত্রলীগ বা অন্য লীগ বা অন্য দল... এসব না। যারা অপরাধ করবে তাদের বিচার হবে। সে যেই দলেরই হোক, যে গোষ্ঠীরই হোক, যে জাতিরই হোক। অপরাধী কিন্তু অপরাধীই, তার বিচার হবে।

‘আওয়ামী লীগ অবশ্যই অসম্প্রাদায়িক রাজনীতিতে বিশ্বাস করে’ উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের মানুষকেও সে দীক্ষায় দীক্ষিত করেছেন বলে জনগণ সাম্প্রদায়িক রাজনীতির দিকে ঝুঁকে না। সেক্ষেত্রে কেউ যদি ব্যক্তিস্বার্থে অন্যায় করে সেটাও অন্যায় এবং তাকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।

এদিকে আজ রবিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রতিক সময়ের সাম্প্রদায়িক হামলা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। এ সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানিতে নিজের নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চে তিনি প্রতিক্রিয়াটি দেখিয়েছেন। 

/বিআই/ইউএস/

সম্পর্কিত

সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন বিষয়ে ‘ত্বরিত ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে, জানালেন আইনমন্ত্রী

সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন বিষয়ে ‘ত্বরিত ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে, জানালেন আইনমন্ত্রী

‘ইসি গঠনে আইনের প্রয়োজন আছে, তবে এই নির্বাচনের আগে সুযোগ নেই’

‘ইসি গঠনে আইনের প্রয়োজন আছে, তবে এই নির্বাচনের আগে সুযোগ নেই’

সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা: রাজারবাগীদের হুঁশিয়ার করলেন আইনমন্ত্রী

সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা: রাজারবাগীদের হুঁশিয়ার করলেন আইনমন্ত্রী

খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে মতামত দিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়

খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে মতামত দিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পরও নদী রক্ষা হচ্ছে না, ‘জলবায়ু ধর্মঘটে’ প্রশ্ন

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২১, ১৩:৪০

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন সময়েই নদী দখল মুক্ত করার নির্দেশনা দিয়েছেন। অথচ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানই নদী দখল ও দূষণে যুক্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন পরিবেশবাদীরা। আন্তর্জাতিক জলবায়ু কর্মদিবস দিবস-২০২১- এ  এই ‘দ্বান্দ্বিকতা’ থেকে মুক্তি চেয়ে ‘জলবায়ু ধর্মঘট’ করেছে পরিবেশবাদী সংগঠন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) এবং ওয়াটার কিপার'স বাংলাদেশ।

রবিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় 'নদী ও জলাশয় বাঁচানোর দাবিতে মানবপ্রাচীর' ব্যানারে রাজধানীর শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে এই ‘ধর্মঘট কর্মসূচি’ পালন করে সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। 

কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন  বাপার যুগ্ম সম্পাদক ও নদী রক্ষা জোটের আহ্বায়ক শারমিন মোর্শেদ। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘আমাদের এই ঢাকাকে আমরা সেই আগের ঢাকায় দেখতে চাই। যে ঢাকায় স্বচ্ছ নদী প্রবাহিত হতো, ছিল সবুজের সমারোহ; যা পরিবেশ দূষণের ফলে নিঃশেষ প্রায়।  

প্রধানমন্ত্রী বারবার বলার পরও কেন নদী মুক্ত হচ্ছে না- এমন প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বারবার নদী অবমুক্ত করার জন্য কমিশন গঠন করছেন, টাস্ক ফোর্স গঠন করছেন; অথচ সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো, এমনকি খোদ ওয়াটার ডেভেলপমেন্ট বোর্ডই নদী দখলের কাজের সাথে যুক্ত হয়ে যাচ্ছে, নদী দূষণ করার কাজে যুক্ত হচ্ছে। এই দ্বান্দ্বিকতার মুক্তি আমরা চাই। প্রধানমন্ত্রীর নদী রক্ষা কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে আমাদের সকলকে আসতে হবে এবং ওনার সরকারকে আরও বলিষ্ঠ যায়গায় আসতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ কেন মানা হচ্ছে না- সেটিও আমার প্রশ্ন।’

ধর্মঘটে যুব বাপার সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট রাওমান স্মিতা মূল বক্তব্য পাঠ করেন।  বক্তব্য পাঠকালে তিনি বলেন, ‘প্রতিনিয়ত মানুষের পরিবেশ বিরুদ্ধ নানা কর্মকারের কারণে প্রাকৃতিক উৎপাদিকা শক্তির ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে এবং সামগ্রিকভাবে পরিবেশ বিপর্যয় ঘটছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে দেশের নদী, জলাশয়, জীববৈচিত্র্য এবং পরিবেশের বিপর্যয় আরও তরান্বিত হচ্ছে। আমরা এতদিন জলবায়ু পরিবর্তন ও দূষণের জন্য শুধুই উন্নত দেশগুলোকে দায়ী করেছি; কিন্তু বর্তমানে শুধু উন্নত দেশের মধ্যে এই দূষণ সীমাবদ্ধ নেই। বরং উন্নত, অনুন্নত ও স্বল্পোন্নত, সবাই দূষণের প্রতিযোগিতায় সমানতালে মেতে উঠেছে। এ দূষণ এখনই বন্ধ না করলে আগামী দিনে বাংলাদেশ এবং গোটা পৃথিবী অস্তিত্ব সংকটে পড়বে। 

অসাধু রাজনীতিবিদ ও আমলাদের অতি উৎসাহের কারণে দুষণ হচ্ছে বলে উল্লেখ্য করে তিনি বলেন, দেশের এক শ্রেণির অসাধু রাজনীতিবিদ ও আমলার অতি উৎসাহের কারণে এধরনের ঘৃণিত কাজগুলো সংগঠিত হচ্ছে। নদী সংক্রান্ত আদালতের নির্দেশনা যথাযথভাবে না মেনে ভুলভাবে নদীর সীমানা চিহ্নিত করে নদীর জায়গায় ওয়াকওয়ে নির্মাণ করে বিস্তীর্ণ অঞ্চল, নদীর পাড় ও ঢাল দখল করে গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনা সমূহকে বৈধতা দেওয়ার অগ্রহণযোগ্য পদক্ষেপের মাধ্যমে নদীগুলোকে খালে পরিণত করা হচ্ছে। সর্বোপরি অপরিকল্পিত এবং অনিয়ন্ত্রিত বালি উত্তোলনের পাশাপাশি অবৈজ্ঞানিকভাবে খনন বাংলাদেশের নদীগুলোর মৃত্যু নিশ্চিত করছে।

এসময় তিনি বাপা ও ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নদী ও জলাশয় রক্ষায় আট দফা দাবি পেশ করা হয়। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য দাবিগুলো হলো- নদী সংক্রান্ত  হাইকোর্টের ২০০৯ ও সুপ্রিমকোর্টের ২০২০ সালের রায়ের সকল নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। জরুরি ভিত্তিতে বুড়িগঙ্গাসহ দেশের সকল নদীতে সঠিকভাবে সীমানা নির্ধারণ, বেদখলকৃত নদীর জমি উদ্ধার ও দখল, সম্পূর্ণভাবে উচ্ছেদ ও নদীর জায়গা নদীকে ফিরিয়ে দিতে হবে। 

নদীতে সকল প্রকার দূষণ বন্ধ করার দাবি করে আরও বলা হয়, নদী থেকে অপরিকল্পিতভাবে সম্পদ আহরণ বন্ধ করতে হবে। নদীর জন্য ধ্বংসাত্মক অবৈজ্ঞানিক খননকাজ বন্ধ করতে হবে। জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনকে কার্যকর ও সক্রিয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে গঠন করতে হবে।

/ইউএস/

সম্পর্কিত

রাতে নদীতে ইলিশ ধরে কারা?

রাতে নদীতে ইলিশ ধরে কারা?

বুড়িগঙ্গা নিয়ে এখনও স্বপ্ন দেখেন তারা

বুড়িগঙ্গা নিয়ে এখনও স্বপ্ন দেখেন তারা

নদী রক্ষায় পৃথক মন্ত্রণালয় গঠনের দাবি

নদী রক্ষায় পৃথক মন্ত্রণালয় গঠনের দাবি

সর্বশেষসর্বাধিক
quiz

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

পরীমণির রিমান্ড: দুই বিচারককে ব্যাখ্যা দিতে একসপ্তাহ সময়

পরীমণির রিমান্ড: দুই বিচারককে ব্যাখ্যা দিতে একসপ্তাহ সময়

সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন বিষয়ে ‘ত্বরিত ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে, জানালেন আইনমন্ত্রী

সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন বিষয়ে ‘ত্বরিত ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে, জানালেন আইনমন্ত্রী

সম্রাটসহ সাতজনের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিল

সম্রাটসহ সাতজনের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিল

সাম্প্রদায়িক হামলা নিয়ে প্রধান বিচারপতির উদ্বেগ

সাম্প্রদায়িক হামলা নিয়ে প্রধান বিচারপতির উদ্বেগ

শ্যামলীতে মোটরসাইকেল শোরুমে ডাকাতির ঘটনায় গ্রেফতার ৬

শ্যামলীতে মোটরসাইকেল শোরুমে ডাকাতির ঘটনায় গ্রেফতার ৬

রাজধানীতে প্রতিদিন ৬ শতাধিক যানবাহনে মামলা, বেশিরভাগই মোটরসাইকেলে

রাজধানীতে প্রতিদিন ৬ শতাধিক যানবাহনে মামলা, বেশিরভাগই মোটরসাইকেলে

ফেসবুকের ‘ভুয়া খবরেই’ দেশের সব সাম্প্রদায়িক হামলা

ফেসবুকের ‘ভুয়া খবরেই’ দেশের সব সাম্প্রদায়িক হামলা

সৌদিতে বাংলাদেশির কারাদণ্ড: আইনজীবী নিয়োগে টাকা দিচ্ছে কল্যাণ বোর্ড

সৌদিতে বাংলাদেশির কারাদণ্ড: আইনজীবী নিয়োগে টাকা দিচ্ছে কল্যাণ বোর্ড

বাসের কনডাক্টর থেকে ৫০ কোটি টাকার মালিক

বাসের কনডাক্টর থেকে ৫০ কোটি টাকার মালিক

রাজধানীর সবুজবাগে স্কুলছাত্রের লাশ উদ্ধার

রাজধানীর সবুজবাগে স্কুলছাত্রের লাশ উদ্ধার

সর্বশেষ

শ্রীলঙ্কাকে হারাতে যা করতে হবে বাংলাদেশকে

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপশ্রীলঙ্কাকে হারাতে যা করতে হবে বাংলাদেশকে

টুইটারের স্পেসেস এখন সবার জন্য উন্মুক্ত

টুইটারের স্পেসেস এখন সবার জন্য উন্মুক্ত

দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির পেছনে রয়েছে আওয়ামী সিন্ডিকেট: খন্দকার মোশাররফ

দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির পেছনে রয়েছে আওয়ামী সিন্ডিকেট: খন্দকার মোশাররফ

মাদকসহ সমাজসেবা কর্মকর্তা গ্রেফতার

মাদকসহ সমাজসেবা কর্মকর্তা গ্রেফতার

নুসরাত ফারিয়ার এবারের গানচমক ‘হাবিবি’

নুসরাত ফারিয়ার এবারের গানচমক ‘হাবিবি’

© 2021 Bangla Tribune