যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি নিরাপত্তার জন্য হুমকি, দাবি ইসরায়েলের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৪ জুন ২০২৬, ০৯:২৮আপডেট : ১৪ জুন ২০২৬, ০৯:২৮

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য সমঝোতা চুক্তি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ইসরায়েলের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা। দেশটির চ্যানেল ১২-এর এক প্রতিবেদনে তারা দাবি করেছেন, উদীয়মান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি থেকে বোঝা যাচ্ছে ওয়াশিংটন তেহরানের মূল শর্তগুলো মেনে নিয়েছে। ইসরায়েলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল এ খবর জানিয়েছে। 

ইসরায়েলি কর্মকর্তারা বলেন, ইরানিরা বিনা কারণে এতে সম্মত হচ্ছে না।

প্রতিবেদনে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে ইরান ইস্যু নিয়ে কাজ করা ইসরায়েলি কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রবিবার সই হওয়ার কথা থাকা সমঝোতা স্মারকের শর্তগুলো ‘ইসরায়েলের নিরাপত্তা স্বার্থকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে’।

তাদের মতে, চুক্তি কার্যকর হওয়ার পরপরই হরমুজ প্রণালি খুলে যাবে, ইরানের সরকার নতুন করে শক্তি সঞ্চয় করবে এবং এটি ইরানের জনগণের জন্যও একটি চপেটাঘাত হবে।

কর্মকর্তারা এই চুক্তির রূপরেখাকে ইরানের জন্য ‘বাকিতে পরিশোধ’ বা সুবিধা নেওয়ার সুযোগ হিসেবে দেখছেন। কারণ, তেহরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করতে কেবল তখনই রাজি হয়েছে, যখন যুদ্ধ আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হবে এবং ইরানের অবরুদ্ধ করা তহবিল ছেড়ে দেওয়াসহ বেশ কিছু শর্ত পূরণ করা হবে।

আরও পড়ুন: ট্রাম্পের দাবি আজই চুক্তি সই, ইরানের ভিন্ন সুর

একজন কর্মকর্তা চ্যানেল ১২-কে বলেন, এটি গাজা যুদ্ধের অবসান ঘটানোর চুক্তির একই ধরনের কাঠামো। হামাসকে নিরস্ত্র করার প্রতিশ্রুতির কী হয়েছে, সেটি নিজেই ভাবুন। ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির পর যদি ইরান তার কাছ থেকে প্রত্যাশিত পদক্ষেপ শুরু না করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে কার্যকর চাপ প্রয়োগের কী উপায় থাকবে? বিশ্বাসযোগ্য সামরিক হুমকি প্রায় পুরোপুরি ক্ষয়ে গেছে।

কর্মকর্তারা আরও অভিযোগ করেন, ইউরেনিয়াম বিষয়টি এখন ইউরেনিয়াম লঘুকরণ বা হালকা করার বিষয়ে পরিণত হয়েছে এবং ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার বিষয়টি এই চুক্তির অংশই নয়। যুদ্ধ চলাকালীন ইসরায়েল যেসব মূল সমস্যার সমাধান করতে চেয়েছিল, তার কোনোটিই এই চুক্তিতে সমাধান করা হয়নি বলে তারা উল্লেখ করেন।

/এএস/
টাইমলাইন: ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনা
সম্পর্কিত
ইসরায়েল অথবা যুক্তরাষ্ট্র, যেকোনও একটিকে বেছে নিতে হবে বললেন মার্কিন জেনারেল
উগান্ডায় নেতানিয়াহুর ভাইয়ের ভাস্কর্য উন্মোচন
কী, কেন, কীভাবেসেউতা যে কারণে ইউরোপের অভিবাসন সংকটের কেন্দ্রবিন্দু
সর্বশেষ খবর
বিচার বিভাগের গুণমান অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক সূচক: সাবেক প্রধান বিচারপতি
বিচার বিভাগের গুণমান অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক সূচক: সাবেক প্রধান বিচারপতি
র‍্যাবের ‘আয়নাঘর’: ২৯ কক্ষ, ৭ ‘ডেথ সেলসহ’ আরও নতুন যেসব তথ্য উঠে এলো
র‍্যাবের ‘আয়নাঘর’: ২৯ কক্ষ, ৭ ‘ডেথ সেলসহ’ আরও নতুন যেসব তথ্য উঠে এলো
অবশেষে যোগ দিচ্ছেন প্রাথমিকের ১৪ হাজার শিক্ষক
অবশেষে যোগ দিচ্ছেন প্রাথমিকের ১৪ হাজার শিক্ষক
ইসরায়েল অথবা যুক্তরাষ্ট্র, যেকোনও একটিকে বেছে নিতে হবে বললেন মার্কিন জেনারেল
ইসরায়েল অথবা যুক্তরাষ্ট্র, যেকোনও একটিকে বেছে নিতে হবে বললেন মার্কিন জেনারেল
সর্বাধিক পঠিত
‘এনসিপির সালাউদ্দিনকে গ্রেফতার না করলে আইন হাতে তুলে নেওয়া হতে পারে’
‘এনসিপির সালাউদ্দিনকে গ্রেফতার না করলে আইন হাতে তুলে নেওয়া হতে পারে’
এবার নাসীরুদ্দীনের সঙ্গে কথোপকথনের প্রমাণ দিলেন রাশেদ খাঁন
এবার নাসীরুদ্দীনের সঙ্গে কথোপকথনের প্রমাণ দিলেন রাশেদ খাঁন
রাজধানীতে ঘরে ঢুকে নারী চিকিৎসককে হত্যা
রাজধানীতে ঘরে ঢুকে নারী চিকিৎসককে হত্যা
পেট্রোবাংলা ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি দিলেন নাহিদ ইসলাম  
পেট্রোবাংলা ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি দিলেন নাহিদ ইসলাম  
প্রেমের টানে বাংলাদেশে এসে মারা যাওয়া বিদেশির লাশ ৫ বছর ধরে মর্গে
প্রেমের টানে বাংলাদেশে এসে মারা যাওয়া বিদেশির লাশ ৫ বছর ধরে মর্গে