যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে শান্তি প্রতিষ্ঠা করেছে: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৫ জুন ২০২৬, ০৯:৫৯আপডেট : ১৫ জুন ২০২৬, ০৯:৫৯

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে শান্তি’ প্রতিষ্ঠা করেছে এবং এই চুক্তির মাধ্যমে পুরো অঞ্চলে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরে আসবে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই ঘোষণা দেন। ইসরায়েলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল এ খবর জানিয়েছে। 

ট্রাম্প জানান, আগামী শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ সমাপ্তির এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হবে এবং সেদিন থেকেই হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া শুরু হবে।

ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, এই দুর্দান্ত চুক্তিটি পুরো অঞ্চলে শান্তি ও নিরাপত্তা বয়ে আনবে। অনেক প্রেসিডেন্টই ইরানের সঙ্গে শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছেন এবং আমার আগে সবাই ব্যর্থ হয়েছেন। এই অঞ্চলের নেতারা প্রথমবারের মতো এমন একজন প্রেসিডেন্টকে পেয়েছেন, যিনি তাদের প্রকৃত শান্তি অর্জনে সহায়তা করতে পারেন।

আরও পড়ুন: হরমুজ খুলছে, উঠছে ইরানের ওপর মার্কিন নৌ অবরোধ: ট্রাম্প

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার চুক্তি স্বাক্ষরের পর মাইন অপসারণের উদ্দেশ্যে প্রণালিটি খুলে দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে এই অঞ্চল এবং পুরো বিশ্বের জন্য আবারও উভয় প্রান্ত দিয়ে তেল প্রবাহিত হবে!

উল্লেখ্য ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই বৈশ্বিক তেল সরবরাহের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হরমুজ প্রণালি অবরোধ করে রেখেছে ইরান। তবে ট্রাম্প মাইন অপসারণের কথা বললেও, ওই প্রণালিতে আসলেই কোনও মাইন স্থাপন করা হয়েছে কি না সে বিষয়ে কোনও নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন: যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ঐতিহাসিক চুক্তি চূড়ান্ত

এদিকে এই চুক্তির আলোচনা বা মধ্যস্থতায় ইসরায়েলকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি, যার শর্তাবলী নিয়ে ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের মধ্যে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। জানা গেছে, চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নির্ধারিত যুদ্ধকালীন লক্ষ্যগুলোর কোনোটিই পূরণ করতে পারেনি।

/এএস/
টাইমলাইন: ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনা
সম্পর্কিত
ইসরায়েল অথবা যুক্তরাষ্ট্র, যেকোনও একটিকে বেছে নিতে হবে বললেন মার্কিন জেনারেল
উগান্ডায় নেতানিয়াহুর ভাইয়ের ভাস্কর্য উন্মোচন
কী, কেন, কীভাবেসেউতা যে কারণে ইউরোপের অভিবাসন সংকটের কেন্দ্রবিন্দু
সর্বশেষ খবর
বিচার বিভাগের গুণমান অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক সূচক: সাবেক প্রধান বিচারপতি
বিচার বিভাগের গুণমান অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক সূচক: সাবেক প্রধান বিচারপতি
র‍্যাবের ‘আয়নাঘর’: ২৯ কক্ষ, ৭ ‘ডেথ সেলসহ’ আরও নতুন যেসব তথ্য উঠে এলো
র‍্যাবের ‘আয়নাঘর’: ২৯ কক্ষ, ৭ ‘ডেথ সেলসহ’ আরও নতুন যেসব তথ্য উঠে এলো
অবশেষে যোগ দিচ্ছেন প্রাথমিকের ১৪ হাজার শিক্ষক
অবশেষে যোগ দিচ্ছেন প্রাথমিকের ১৪ হাজার শিক্ষক
ইসরায়েল অথবা যুক্তরাষ্ট্র, যেকোনও একটিকে বেছে নিতে হবে বললেন মার্কিন জেনারেল
ইসরায়েল অথবা যুক্তরাষ্ট্র, যেকোনও একটিকে বেছে নিতে হবে বললেন মার্কিন জেনারেল
সর্বাধিক পঠিত
‘এনসিপির সালাউদ্দিনকে গ্রেফতার না করলে আইন হাতে তুলে নেওয়া হতে পারে’
‘এনসিপির সালাউদ্দিনকে গ্রেফতার না করলে আইন হাতে তুলে নেওয়া হতে পারে’
এবার নাসীরুদ্দীনের সঙ্গে কথোপকথনের প্রমাণ দিলেন রাশেদ খাঁন
এবার নাসীরুদ্দীনের সঙ্গে কথোপকথনের প্রমাণ দিলেন রাশেদ খাঁন
রাজধানীতে ঘরে ঢুকে নারী চিকিৎসককে হত্যা
রাজধানীতে ঘরে ঢুকে নারী চিকিৎসককে হত্যা
পেট্রোবাংলা ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি দিলেন নাহিদ ইসলাম  
পেট্রোবাংলা ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি দিলেন নাহিদ ইসলাম  
প্রেমের টানে বাংলাদেশে এসে মারা যাওয়া বিদেশির লাশ ৫ বছর ধরে মর্গে
প্রেমের টানে বাংলাদেশে এসে মারা যাওয়া বিদেশির লাশ ৫ বছর ধরে মর্গে