করোনায় দেশ: লকডাউন থেকে ‘ওপেন আপ’

Send
মো. তৌহিদ হোসেন
প্রকাশিত : ১৫:৪২, জুন ১৮, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৫:৪৭, জুন ১৮, ২০২০

মো. তৌহিদ হোসেনকরোনা মহামারি চট করে শেষ হয়ে যাচ্ছে না, এটা সবাই বুঝতে পারছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও একইরকম পূর্বাভাস দিয়েছে। তবে মানুষের জীবিকার্জনের সুযোগতো দীর্ঘদিন বন্ধ রাখা সম্ভব নয়। পৃথিবীর অনেক দেশই তাই লকডাউন শিথিল করেছে। এর ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশেও কিছু নিয়মকানুনের অধীনে লকডাউন তুলে দেওয়া হয়েছে।
লকডাউনটা আমরা ঠিকমতো হ্যান্ডল করতে পারিনি, এটা মেনে নেওয়াই ভালো। লকডাউন করা হয়েছিল সামাজিক সংক্রমণ ঠেকানোর জন্য। কিন্তু সমন্বয়ের অনুপস্থিতি, টেস্ট সুবিধার অপ্রতুলতা, সচেতনতার অভাব, সামাজিক দূরত্বের করুণ হাল, সিদ্ধান্ত গ্রহণে দীর্ঘসূত্রতা, সর্বোপরি স্বাস্থ্য নেতৃত্বের অযোগ্যতা ও অর্থহীন বাগাড়ম্বর, সব মিলিয়ে লকডাউনের উদ্দেশ্য অনেকটাই ব্যর্থ হয়েছে। 
লকডাউন শিথিল করছে যেসব দেশ, দৈনিক  সংক্রমণের সংখ্যায় তারা প্রায় সবাই উচ্চতম শিখর পেরিয়ে নিম্নমুখী ঢালে রয়েছে, এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও। বাংলাদেশ যখন এ পদক্ষেপ নিয়েছে তখন তার দৈনিক সংক্রমণ সংখ্যা ঊর্ধ্বমুখী, বস্তুত প্রায় প্রতিদিনই এ সংখ্যা নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করছে। গত কয়েকদিন বিশ্বে সর্বোচ্চ সংখ্যক সংক্রমণ হচ্ছে যে দশটি দেশে, তার মাঝে রয়েছে বাংলাদেশ। একই অবস্থা ভারত, পাকিস্তানের। লকডাউন তুলে নেওয়া তাই ইউরোপ বা পূর্ব এশিয়ার তুলনায় আমাদের জন্য অনেক বেশি ঝুঁকি নিয়ে আসছে।

করোনা মহামারি জাতীয় জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আঘাত হেনে প্রচলিত ব্যবস্থাকে তছনছ করে দিয়েছে। বিভিন্ন বিষয়ের বিশেষজ্ঞরা নিজ নিজ ক্ষেত্রের সমস্যা ও সমাধান নিয়ে জ্ঞানগর্ভ আলোকপাত করবেন, আর আশা করি সবকিছুর সমন্বিত সমাধান দেবে সরকার। তবে যে জিনিসগুলো একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে চোখে পড়ে, এ লেখাটা তাই নিয়ে। মোটা দাগে বিষয়গুলো এরকম—

১। কোভিড সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ ও চিকিৎসা:

সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সফল যারা, তাদের দেখানো পথে হাঁটাই একমাত্র বিকল্প। আর সে পথ হচ্ছে, সামাজিক দূরত্ব, বিপুল সংখায় টেস্ট, বিচ্ছিন্নকরণ, কন্টাক্ট ট্রেসিং, মাস্কের সার্বজনীন ব্যবহার। এর একটি বাদ দিয়ে আরেকটি করলে কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া যাবে না। গত কয়েকদিন প্রায় ১৫ হাজার করে টেস্ট সম্পন্ন হচ্ছে। দৈনিক এ সংখ্যায় পৌঁছা উচিত ছিল অন্তত দুই মাস আগে, এবং এটিও যথেষ্ট নয়। এখনও টেস্ট করাতে গিয়ে বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন মানুষ। কন্টাক্ট ট্রেসিং প্রায় কিছুই হচ্ছে না, সামাজিক দূরত্বের অবস্থাও করুণ। কাঁচা বাজারে গাদাগাদি ভিড়। অনেকেই মাস্ক ছাড়া বের হচ্ছেন। অনেককেই দেখা যাচ্ছে মাস্ক থুতনিতে আটকে রেখেছেন, নাক মুখ খোলা!   

কোভিড পজিটিভ হলেও বেশিরভাগই বাড়িতে ঠেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। যাদের হাসপাতালে ভর্তি হওয়া প্রয়োজন, তাদের জন্যও কাজটা পুলসেরাতের মতোই কঠিন। ভর্তি হওয়া রোগীদের চিকিৎসার অবস্থাও করুণ। ভেন্টিলেটরের সংখ্যা নিতান্ত অপ্রতুল। এমনকি অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়েও অভিযোগ আছে। শ’তিনেক ভেন্টিলেটর নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলাম আমরা। সংখ্যাটা এখন কত তার কোনও তথ্য পাওয়া যায় না। এর প্রতিটা ক্ষেত্রেই ব্যাপক এবং দৃশ্যমান উন্নতির প্রয়োজন।  

এ মুহূর্তে অসুস্থ করোনা রোগীর সংখ্যায় (অ্যাক্টিভ কেস) বাংলাদেশ বিশ্বে শীর্ষ আটে অবস্থান করছে। ছোট পরিসরে আক্রান্ত এলাকায় লকডাউনের সিদ্ধান্তটা ভালো। এর সঠিক প্রয়োগে সংক্রমণ বৃদ্ধির রাশ টানা যেতে পারে। তবে একইসঙ্গে অন্যান্য পদক্ষেপ না নিলে এর কোনও সুফল পাওয়া যাবে না।

২। সাধারণ চিকিৎসা ব্যবস্থা:

করোনা সংকট প্রমাণ করেছে যে আমাদের মতো দেশের জন্য জনস্বাস্থ্য প্রাইভেট হাসপাতাল নির্ভর হতে পারে না। প্রতি এক লাখ লোকের জন্য হাসপাতাল শয্যা, ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্য টেকনিশিয়ান সংখ্যা, আইসিইউ সংখ্যা সব বিচারেই বাংলাদেশ সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া দেশগুলোর একটা, এমনকি দক্ষিণ এশিয়াতেও। আগামী বিশ বছরে উন্নত বিশ্বের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার স্বপ্ন দেখে যে দেশ, তার জন্য এ তথ্য লজ্জার এবং উদ্বেগের। সংকট শুরুর পর থেকে নন-কোভিড সাধারণ রোগীদের চিকিৎসা পাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। কয়েক হাসপাতাল ঘুরে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর খবর অহরহ পড়তে হচ্ছে আমাদের। এটা কিছুতেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

সরকার গত দু’মাসে বেশ কিছু ডাক্তার এবং নার্স নিয়োগ দিয়েছে। একটা সম্মানজনক পর্যায়ে পৌঁছা পর্যন্ত এ ধারা বজায় রাখতে হবে। টেকনিশিয়ান নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে দেখলাম। এ সিদ্ধান্তটা দু’মাস আগে নেওয়া যেতো। আমলাতান্ত্রিকতা এড়িয়ে তাড়াতাড়ি এ নিয়োগ সম্পন্ন করে এরই মধ্যে তাদের প্রাথমিক প্রশিক্ষণ সেরে মাঠে নামিয়ে দেওয়া যেতো। এখন যুদ্ধকাল, আর যুদ্ধকালে স্বাভাবিক সময়ের ধারায় কাজ করলে চলবে না।   

মধ্যম মেয়াদে, আজ থেকেই শুরু করে আগামী পাঁচ বছরে হাসপাতালের শয্যা এবং স্বাস্থ্যকর্মীর সংখ্যা অন্তত দ্বিগুণ করতে হবে। আর শুনতে যদিও উচ্চাভিলাষী ঠেকে, ঢাকায় সরকারি হাসপাতালে যে মানের চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায়, তেমন মানসম্পন্ন সেবা নিয়ে যেতে হবে অন্তত জেলা পর্যায় পর্যন্ত।

স্বাস্থ্যখাতের নেতৃত্বের ব্যর্থতা নিয়ে তেমন দ্বিমত নেই কারও। সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট সচিবকে পদোন্নতি দিয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে (এরকমটি অবশ্য বিরল ঘটনা নয় আমাদের দেশে)। তবে এটুকুই যথেষ্ট নয়। আরও অর্থবহ পরিবর্তন লাগবে স্বাস্থ্য নেতৃত্বে। আর সবচেয়ে বেশি যা গুরুত্বপূর্ণ তা হলো দুর্নীতি কমিয়ে আনা। স্বাস্থ্যখাতে ‘বালিশ কাণ্ড’ ঘটে চলেছে দীর্ঘদিন, এর লাগাম টেনে ধরা দরকার। বাংলাদেশ মেডিক্যাল আসোসিয়েশনের নেতৃত্বে সরকারি ঘরানার ডাক্তাররাই থাকেন। সেই বিএমএ’র মহাসচিবও স্বাস্থ্যখাতের অদক্ষতা, অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতি নিয়ে ক্ষোভ এবং হতাশা খোলাখুলি ব্যক্ত করেছেন।  

৩। প্রান্তিক মানুষের বেঁচে থাকা:

লকডাউন তুলে নেওয়া মানেই সবার জীবিকার সুযোগ সৃষ্টি হওয়া নয়। অর্থনীতির অনেকটাই স্থবির, কাজেই প্রান্তিক মানুষের সহায়তার প্রয়োজন শেষ হয়ে যায়নি। সরকারি প্রচারযন্ত্র যদিও শুরু থেকেই দাবি করছে যে পাঁচ কোটি মানুষকে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে, বাস্তবতা হচ্ছে অনেক হতদরিদ্র মানুষই এখনও কোনও সরকারি সহায়তা পাননি। নতুন করে চরম দরিদ্রে পরিণত হওয়া অনেক মানুষ এখনও হাত পাততে শেখেননি। মানবিক বিবেচনায় তাদের কাছেও ত্রাণ পৌঁছানো জরুরি। বস্তির ঘরভাড়া দিতে অসমর্থ অনেকে গ্রামে চলে গেছেন। গ্রামেও কিন্তু তাদের জন্য কোনও জীবিকা অপেক্ষা করছে না। 

৪। কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা:

দিনের শেষে মানুষের বেঁচে থাকার জন্য প্রথম প্রয়োজন হলো খাদ্য, আর তা উৎপাদন করে কৃষক। বেলাব উপজেলায় আমার গ্রামের মানুষের মূল নির্ভরস্থল হচ্ছে সবজি। একটি শুধু উদাহরণ দেই। এপ্রিলের শুরুতে যখন বেগুনের ভরা মৌসুম, তখন কাওরানবাজার থেকে মাত্র দুই ঘণ্টার দূরত্বে সেখানে বেগুন বিক্রি হয়েছে দুই টাকা কিলো। ক্ষেত ঠেকে বেগুন তুলে ভ্যানে করে ঢাকা সিলেট রোডে পৌঁছানোর খরচও তাই। দশ মণ বেগুন বিক্রি করে একটি টাকাও ঘরে তুলতে পারেননি কৃষক, যে বেগুন ঢাকায় আমরা কিনে খেয়েছি ৪০ টাকা কিলো। একই অবস্থা ফুলচাষি আর দুধের খামারিদের। কানাডাতে বেগমপাড়া সৃষ্টিকারী গার্মেন্টস মালিক আর যুগ জনমের ঋণখেলাপিদের জন্য প্রণোদনা আছে। কৃষিতেও বরাদ্দ আছে প্রণোদনার অর্থ, কিন্তু তা কীভাবে দেওয়া হবে জানি না। চরম লোকসানে পড়া এই প্রান্তিক চাষিদের ক্ষতি পূরণের ব্যবস্থা হবে কীভাবে?   

৫। শিক্ষা সংকটে করণীয়:

শিক্ষা অনেক বড় বিষয় যা নিয়ে স্বল্পপরিসরে কিছু বলা কঠিন। দুটো বিষয় শুধু উল্লেখ করবো এখানে। এক, করোনা মহামারিতে তিন মাস সময় এরইমধ্যে হারিয়েছে স্কুলের শিক্ষার্থীরা। স্কুল যদি সেপ্টেম্বরে খোলে তবে তা প্রায় ছয় মাসে দাঁড়াবে। গুটিকতক ‘ভালো’ স্কুল বাদ দিলে, গ্রামের স্কুলগুলোর শিক্ষার মান এমনিতেই সুবিধার নয়। এ অবস্থায়, তড়িঘড়ি করে যেভাবেই হোক পাস করিয়ে ওপরের শ্রেণিতে তুলে দিলে, এই শিশুদের দুর্বলতাই শুধু বাড়বে। ২০২১-এর স্কুল সেশন তাই অন্তত চার মাস পিছিয়ে মে থেকে শুরু করা হোক জানুয়ারির পরিবর্তে। সেশন জানুয়ারিতে শুরু করতেই হবে এমনতো কথা নেই কোনও। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে স্কুল সেশন বিভিন্ন সময়ে শুরু হয়। এমনকি আমাদের দেশেও ক্যাডেট কলেজগুলোতে কিন্তু সেশন শুরু হয় জুলাই মাস থেকে।

দ্বিতীয়ত, ছয় মাসের এই গ্যাপের কারণে স্কুল থেকে ঝরে যাবে অনেক শিশু, এটা ঠেকাতে হবে। গ্রামের সব স্কুলে এবং শহরের যেসব স্কুলে স্বল্পবিত্ত পরিবারের ছেলেমেয়েরা পড়ে, সেখানে ‘মিডডে মিল’ চালু করা হোক। এই শিশুদের মাঝে পুষ্টিহীনতা প্রবল। তাই এটা যে শুধু ঝরে পড়া ঠেকাবে তাই নয়, উঠতি প্রজন্মের স্বাস্থ্যের ওপরও এর সুদূরপ্রসারী সুফল পাওয়া যাবে। বেশ ব্যয়বহুল হবে এটা, তবে অপচয় এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে দৃশ্যমান চুরি কমাতে পারলে এ বাবদ অর্থসংস্থান কঠিন হবে না।  

৬। ২০২০-২১ সালের বাজেট:

এর সবকিছু করতেই টাকা লাগবে, আর তার ব্যবস্থা রাখতে হবে বাজেটে। ২০২০-২১ সালের বাজেটে কোভিড মোকাবিলায় ১০ হাজার কোটি টাকা থোক বরাদ্দ একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। তবে সার্বিক স্বাস্থ্যখাতে যে ব্যাপক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি দেশ, তা বাজেটে প্রস্তাবিত যৎসামান্য বৃদ্ধি দিয়ে কীভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব তা আমার বোধগম্য হচ্ছে না। স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ অবশ্যই ব্যাপকভাবে বাড়াতে হবে প্রতিবছর, আর তার থেকে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে এ খাতের সীমাহীন দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে হবে। দীর্ঘদিন থেকেই অজস্র ‘বালিশ কাণ্ড’ ঘটে চলেছে এখানে। বাজেটে এছাড়া ব্যাপক বৃদ্ধি প্রয়োজন সামাজিক নিরাপত্তা, খাদ্য এবং কৃষিখাতে। অপচয় এবং সরকারি ক্রয়ে দুর্নীতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করলেই এই জরুরি খাতগুলোতে বাড়তি ব্যয় সংকুলান সম্ভব।

১৪ লাখ কোটি টাকার বাজেট !

অর্থমন্ত্রী পাঁচ লাখ আটষট্টি হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশ করেছেন। এদিকে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি বিকল্প বাজেট প্রস্তাব করেছে প্রায় ১৪ লাখ কোটি টাকার! সমিতির সভাপতি আবুল বারকাত দাবি করেছেন তাদের বিকল্প বাজেট বাস্তবায়ন হলে সমাজে আয়, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সামাজিক বৈষম্য হ্রাস পাবে। তবে এর জন্য যে বিশাল পরিমাণ রাজস্ব আদায় লাগবে তা সম্ভব কিনা, এ প্রশ্নের জবাবে তিনি স্বীকার করেছেন যে বর্তমান ব্যবস্থাপনায় তা সম্ভব নয়।

জনতা ব্যাংকের বারোটা বাজানোর পর ভদ্রলোক বেশ কিছুদিন মৌনতা অবলম্বন করে ছিলেন। ইদানীং আবার তার বাস্তবতাবহির্ভূত কথার ঝাঁপি নিয়ে সরব হয়েছেন। অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে তারা যে মডেল দিয়েছেন তার সবচেয়ে চমকপ্রদ প্রস্তাব হচ্ছে ধনীদের সম্পদ দরিদ্রদের মধ্যে বণ্টন করতে হবে। খুব ভালো কথা, কিন্তু করবেটা কে? দেশটা কি দরিদ্ররা চালায় নাকি ধনীরা? যে স্বপ্ন নিয়ে প্রতিষ্ঠা হয়েছিল সোভিয়েত রাশিয়ার, সত্তর বছর ব্যর্থ পরীক্ষা-নীরিক্ষা শেষে সে দেশ কট্টর পুঁজিবাদে ফিরে গেছে। অর্থনীতি সমিতির কর্তারা কিশোরসুলভ কল্পনাবিলাস বাদ দিয়ে সাবালক হয়ে উঠুন, তাদের মেধা এবং প্রজ্ঞা ব্যবহার করে বাস্তবায়নযোগ্য পরামর্শ দিন, এই কামনা করে লেখা শেষ করছি।

লেখক: সাবেক পররাষ্ট্র সচিব

 

 

/এসএএস/এমএমজে/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

লাইভ

টপ