মার্কিন কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করার জন্য মঙ্গলবারের নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। এই নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদ এবং সিনেট উভয়ই ক্ষমতার পালাবদলের মুখে দাঁড়িয়েছে। যদিও এটি ট্রাম্পের রিপাবলিকান ও হ্যারিসের ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে ক্যাপিটল হিলকে বিভক্ত রাখতে পারে। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের বিজয়ীর শাসন সহজ হবে কিনা তা অনেকাংশে নির্ভর করবে কংগ্রেসের এই নির্বাচনের ফলাফলের ওপর। যা পরবর্তী কংগ্রেস নির্বাচন পর্যন্ত প্রভাব বিস্তার করতে পারে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রিপাবলিকানদের সিনেট পুনর্দখলের ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে ডেমোক্র্যাটদের ৫১-৪৯ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। অন্যদিকে, প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ হারানোর আশঙ্কাও রয়েছে। ডেমোক্র্যাটরা মাত্র চারটি আসন জিতলেই ৪৩৫ আসনের কক্ষটির নিয়ন্ত্রণ তারা পুনরুদ্ধার করতে পারবে।
প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মতোই, কংগ্রেসের ফলাফলও নির্ধারিত হতে পারে অল্প কয়েকটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসনের ভোটে। সিনেটের জন্য সাতটি আসন এবং প্রতিনিধি পরিষদের কমপক্ষে ৪০টি আসনেই লড়াই হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
কুক পলিটিক্যাল রিপোর্টের বিশ্লেষক এরিন কোভির মতে, এটি অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ।
ভোটাররা স্পষ্টভাবে কোনও একটি দলের পক্ষপাত দেখাচ্ছেন না। অক্টোবরের রয়টার্স/ইপসোস জরিপ অনুযায়ী, ৪৩ শতাংশ নিবন্ধিত ভোটার রিপাবলিকান প্রার্থীর পক্ষে এবং ৪৩ শতাংশ ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন।
ডেমোক্র্যাটরা ছয় বছরের মেয়াদে সিনেটে তাদের অবস্থান ধরে রাখতে সচেষ্ট হলেও রিপাবলিকানদের এই চেম্বারের নিয়ন্ত্রণ নিতে দুটি আসনই যথেষ্ট। প্রতিনিধি পরিষদে পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত। রিপাবলিকানদের ২২০-২১২ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ডেমোক্র্যাটরা সহজেই প্রয়োজনীয় আসনগুলো পেতে পারে। তবে ২০১৮ বা ২০১০ সালের মতো বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম।
উভয় পক্ষের জন্য কমপক্ষে ২০০টি আসন নিরাপদ হওয়ায়, বিজয়ী দলকে খুব কম ব্যবধানে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ওপর নির্ভর করা লাগতে পারে। যা ভবিষ্যৎ শাসনব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে।









