বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে বৃহস্পতিবার থেকে দুই দিনের বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন ন্যাটো জোটের প্রতিরক্ষামন্ত্রীরা। এই বৈঠকের প্রাক্কালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ন্যাটো মহাসচিব জেন্স স্টোলটেনবার্গ জানিয়েছেন, ইউক্রেন ইস্যুতে সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির জন্য তার জোট প্রস্তুত রয়েছে। বুধবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
তিনি বলেন, রাশিয়া যদি কূটনীতির সুযোগ দেয় তাহলে আলোচনার জন্য ন্যাটো প্রস্তুত রয়েছে।
ন্যাটো মহাসচিব বলেন, আমরা সর্বোত্তম ও শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক সমাধানের জন্য কঠোর পরিশ্রম করছি। তবে রাশিয়া ইউক্রেনে ফের আগ্রাসী আচরণ করলে সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির জন্যও আমরা প্রস্তুত রয়েছি।
ইউক্রেন সীমান্তে রাশিয়ার সামরিক উপস্থিতি অব্যাহত রয়েছে এবং এটি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন স্টোলটেনবার্গ।
তিনি বলেন, আমরা তাদের উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানাই। উত্তেজনা হ্রাস এবং ইউরোপে যেকোনও সংঘাত এড়াতে ইউক্রেন সীমান্ত থেকে সামরিক উপস্থিতি প্রত্যাহারই হবে সবচেয়ে ভালো পদক্ষেপ।
এদিকে দখলকৃত ক্রিমিয়ায় সামরিক মহড়া অবসানের ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়া। বুধবার রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই ঘোষণা দিয়েছে। তারা জানিয়েছে, সামরিক বাহিনীর সদস্যরা নিজেদের ব্যারাকে ফিরে যাচ্ছে। ইউক্রেন সীমান্ত থেকে কিছু সেনা সরিয়ে নেওয়ার কথা জানানোর একদিন পর এই ঘোষণা দিয়েছে মস্কো। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘দক্ষিণাঞ্চলীয় সামরিক জেলার ইউনিটগুলো তাদের কৌশলগত মহড়া সম্পন্ন করেছে। আর তারা তাদের স্থায়ী অবস্থানে ফিরে যাচ্ছে।’
মস্কোর এমন ঘোষণার পরও পশ্চিমা নেতাদের উদ্বেগ রয়ে গেছে। তারা মনে করছেন, ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসন এখনও সম্ভব। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, ওয়াশিংটন এবং তাদের মিত্ররা ইউক্রেন সীমান্ত থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নেওয়ার রুশ দাবি যাচাই করে দেখবে।









