ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সতর্ক করে বলেছেন, তার দেশের উত্তরাঞ্চল ছেড়ে যাওয়ার সময় রুশ বাহিনীর ঘটিয়ে যাওয়া সবচেয়ে ভয়াবহ সহিংসতা এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি। অন্য শহরগুলোর তুলনায় বোরোদ্যাঙ্কা শহরে সবচেয়ে বেশি সহিংসতা হয়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
ইউক্রেনের বুচা শহরের রাস্তায় পড়ে থাকা মরদেহের ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। রুশ বাহিনীর মাধ্যমে এসব ধ্বংসযজ্ঞ সংগঠিত হয়েছে বলে অভিযোগ ইউক্রেনের। এসব ছবি ছড়িয়ে পড়ার বিশ্বজুড়ে তীব্র নিন্দা শুরু হয়েছে। বেসামরিক হত্যার কথা অস্বীকার করেছে রাশিয়া। কোনও প্রমাণ সরবরাহ ছাড়াই তাদের দাবে ইউক্রেনই এসব ভয়াবহতার ‘নাটক’ সাজাচ্ছে।
কিয়েভের আশেপাশের এলাকা থেকে ৪১০ মরদেহ উদ্ধারের দাবি করেছে ইউক্রেন। এরপরই যুদ্ধাপরাধের তদন্ত শুরু করেছে ইউক্রেন সরকার। গণকবরে পাওয়া যাওয়া এসব মরদেহের অনেকেরই পাত পেছনে বাধা ছিল। দৃশ্যত মনে করা হচ্ছে তাদের খুব কাছ থেকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।
ইউক্রেনীয় জনগণের উদ্দেশে দেওয়া প্রতিদিনকার রাত্রিকালীন ভিডিও বার্তায় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, কিয়েভের উত্তরাঞ্চল জুড়ে যেসব ভয়াবহতা দেখা যাচ্ছে সেসব ভয়াবহতা নাৎসি দখলদারিত্বের পর আর দেখা যায়নি। তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যেই তথ্য পাওয়া যাচ্ছে বোরোদ্যাঙ্কা এবং স্বাধীন হওয়া অন্য কয়েকটি শহরে হতাহতের সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতে পারে।’
মঙ্গলবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে কথা বলবেন ভলোদিমির জেলেনস্কি। ধারণা করা হচ্ছে সেখানে তিনি সহিংসতার আরও বেশি প্রমাণ হাজির করবেন।
এসব সহিংসতা খুঁজে পাওয়ার পর বেশ কয়েকটি পশ্চিমা দেশ রুশ কূটনীতিক বহিষ্কার করেছেন। রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ নিয়েও আলোচনা চলছে।
সূত্র: বিবিসি









