রুশ বাহিনীর গোলাবর্ষণ থেকে বাঁচতে সেভেরোডোনেস্ক শহরের একটি রাসায়নিক কারখানায় আশ্রয় নিয়েছেন বহু সংখ্যক ইউক্রেনীয় নাগরিক। তবে কর্তৃপক্ষের আশঙ্কা সেখানে এখনও হয়তো বিপজ্জনক উপকরণ থাকতে পারে। বুধবার আঞ্চলিক গভর্নর এসব তথ্য জানিয়েছেন।
ডনবাস অঞ্চলে মস্কোর নিয়ন্ত্রণ সংহত করার লক্ষ্য নিয়ে সেভেরোডোনেস্ক শহরে প্রবেশ করেছে রুশ বাহিনী। মঙ্গলবার ইউক্রেন দাবি করে রুশ বিমান হামলায় সেভেরোডোনেস্কের একটি নাইট্রিক এসিড ট্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর জেরে গোলাপী ধোঁয়া ওঠা শুরু হয় বলে দাবি তাদের।
লুহানস্কের আঞ্চলিক গভর্নর সেরহাই গাইদাই বলেন আজোত রাসায়নিক কারখানায় সোভিয়েত আমলে বোমা হামলা থেকে সুরক্ষায় শক্তিশালী আশ্রয় কেন্দ্র বানানো হয়। তিনি বলেন, ‘সেখানে বোমা শেল্টারে বেসামরিক লোক আছে, তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন আছে।’
সেরহাই গাইদাই বলেন, ‘এটা একটা বেসরকারি মালিকানাধীন কারখানা, কোনও রাসায়নিক ফেলে যাওয়া হয়েছে কিনা তা শতভাগ নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। আমাদের আাশ্বস্ত করা হয়েছে কোনও (রাসায়নিক) ফেলে যাওয়া হয়নি। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি সেখানে এখনও কিছু অবশেষ থেকে গেছে।’
গাইদাইয়ের এসব বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। আঞ্চলিক এই গভর্নর দাবি করেন রাসায়নিক কারখানাটি সম্ভবত দীর্ঘ সময় ধরে অবরুদ্ধ হতে যাচ্ছে। কয়েক দিন আগে মারিউপোল শহরের আজভস্টল কারখানায় দীর্ঘ সময় অবরুদ্ধ করে রাখে রুশ বাহিনী।
সূত্র: রয়টার্স









