রাজধানীর বঙ্গবাজারে আগুনের তীব্রতা দেখে অনেকে দিশাহারা হয়ে গেছেন। আহাজারি করতে করতে চারদিকে ছোটটাছুটি করছে ব্যবসায়ীরা। ঘটনাস্থল ধোঁয়ায় অন্ধকার হয়ে আছে, আগুনের তাপ বাতাসে ছড়িয়ে পড়েছে অনেক দূর।
এমন আগুন জীবনেও দেখেননি জানিয়ে কাঁদতে কাঁদতে বঙ্গবাজার টিনশেড মার্কেটের আর এস ফ্যাশনের মালিক আব্দুল মান্নান বলেন, আমার দোকানের সব পুড়ে শেষ। আমি এমন আগুন জীবনেও দেখিনি। কীভাবে কী হয়ে গেলো! তিনি ফোনে স্বজনদের সঙ্গে কথা বলছেন আর কান্নায় ভেঙে পড়ছেন।
তিনি বলেন, আমার দোকান-গুদামঘর সব শেষ হয়ে গেছে। ১৫ লাখ টাকার মাল আছে। চার লাখ টাকা ক্যাশ ছিল দোকানে।
বঙ্গবাজারে ইসলামিয়া সুপার মার্কেটে ছয়টি দোকান রয়েছে ব্যবসায়ী সিদ্দিক হাসান তুহিনের। শুধু একটি দোকানেই ৮০ লাখ টাকার মালামাল রয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, আমার দোকানগুলো থেকে একটি সুতাও বের করতে পারিনি। ভোর রাতে খেয়ে ঘুমেছিলাম। খবর পেয়ে দ্রুত এসে এমন ভয়াবহ অবস্থা দেখি। ৩২ জন কর্মচারীর আমার দোকানে কাজ করে। ঈদের আগে এতো বড় বিপদ আমাদের জন্য আসলো।
ঘটনাস্থলে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করা বিজিবি সদস্য সুলতান বলেন, এতো বড় আগুন কীভাবে লেগে গেলো! এমন আগুন ঢাকায় আমিও দেখিনি।
ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মকর্তা বলেন, ২০ বছর আগে বঙ্গবাজারে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছিল। এর পর এতো বড় আগুন আর দেখা যায়নি।
ঘটনাস্থলে দোকান মালিক-কর্মচারীরা যে যেদিকে পারছেন দৌড়াদৌড়ি করছেন। অনেকের স্বজনদের এসে সান্ত্বনা দিতে দেখা গেছে।









