X
বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন ২০২১, ১০ আষাঢ় ১৪২৮

সেকশনস

ভুল মানুষের ডাকে ভুল পথে...

আপডেট : ২১ জানুয়ারি ২০২১, ১৫:৩৫

রেজানুর রহমান এই ঘর, ওই ঘর। মাঝখানে একটি মাত্র দেয়াল। মা ও মেয়ের মধ্যে ফোনে কথা হচ্ছে। মায়ের প্রশ্ন, কী করিস? মেয়ের উত্তর, অনলাইনে আছি। মা বললেন, রাত অনেক হলো। খাবি না। মেয়ে ব্যস্ত হয়ে বললো, ঝামেলা করো না তো মা। তুমি খাও। আমার দেরি হবে। এবার মা কিছুই বললেন না। ফোন কেটে দিলেন।

মা-মেয়ের কথা শুনে আমি তো অবাক। আমার মুখ দিয়ে কথা বের হচ্ছে না। এইমাত্র যা দেখলাম তা কি বাস্তব? এই ঘর ওই ঘরের মধ্যে ফোনে কথা বলার যুক্তি কী? একে তো অহেতুক অর্থ খরচ, তার ওপর এ কেমন পারিবারিক চর্চা? মাকে দেখলাম একটি বিদেশি বাংলা টেলিভিশন চ্যানেলের অনুষ্ঠান গোগ্রাসে গিলছেন। অনেকে হয়তো প্রশ্ন করতে পারেন টেলিভিশন অনুষ্ঠান কি খাবার জিনিস যে গোগ্রাসে গিলবে? তাদের উদ্দেশে বলি, মায়ের মুখ দেখে মনে হচ্ছিলো টেলিভিশন অনুষ্ঠান তিনি দেখছেন না, খাচ্ছেন। চোখে-‍মুখে খাবারেরই তৃপ্তি। তাকে প্রশ্ন করলাম, এই ঘর আর ওই ঘরের মধ্যে ফোনে কথা বললেন যে? উঠে গিয়ে অথবা একটু জোর গলায় কথায় বললেও তো পারতেন?

ভদ্রমহিলা আমার দূরসম্পর্কের আত্মীয়। আমাদের ভাই-বোনের সম্পর্ক। প্রশ্ন শুনে ব্যস্ততা দেখিয়ে বললেন, তোমার কি মাথা খারাপ হয়েছে? টেলিভিশনে এখন একটা দুর্দান্ত সিরিয়াল চলছে। আজকের পর্ব কোনোভাবেই মিস করা যাবে না। এইটার পর আরও একটা আছে... কাজেই উঠে যাওয়ার তো সুযোগ নাই। তাই ফোনে মেয়ের সাথে কথা বলছি...।

মায়ের কথা শুনে আমি যারপরনাই অবাক। এসব কী বললেন তিনি? টেলিভিশন অনুষ্ঠান দেখবেন বলে পাশের ঘরে মেয়ের সাথে কথা বলতে হবে ফোনে? তাও আবার বিদেশের বাংলা টিভি চ্যানেল! কী দেখছেন তিনি? কৌতূহল দমন করতে না পেরে আমিও তার সঙ্গে টেলিভিশনের পর্দায় চোখ রাখলাম। নাটকে একজন মহিলাকে দেখা যাচ্ছে। তিনি সারাক্ষণ ঘোমটা দিয়ে থাকেন। একটি গানের অনুষ্ঠানে তার মেয়ে গান গাইবেন। কিন্তু তার মেয়েকে কোমল পানীয়ের সঙ্গে নেশা জাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে দিয়েছে তারই সমবয়সী একটি মেয়ে। যাতে সে গান গাইতে না পারে। ঘটনা আমার কাছে বোধগম্য হচ্ছে না। ভদ্রমহিলা (আমার বোন) আমার ওপর একটু যেন বিরক্ত। কারণ, ঘটনা সম্পর্কে আমাকে ব্রিফ করতে গেলেই তো সিরিয়াল দেখার প্রতি তার মনোযোগ নষ্ট হয়ে যাবে। তবু দ্রুততার সঙ্গে যা বললেন তা হলো– যে মহিলা ঘোমটা টেনে এই বাড়িতে থাকে সে হলো ওই বাড়ির বড় ছেলের বউ। পারিবারিক ষড়যন্ত্রে তাকে মেরে ফেলা হয়েছে। বড় ছেলে তার বউকে খুব ভালোবাসতো। বউ মারা গেছে শুনে সে দ্বিতীয় বিবাহ করে। সময় বহিয়া যায়। তাদের সংসারে একটি মেয়ে কন্যার জন্ম হয়। মেয়েটি তখন কিশোরী। হঠাৎ এই বাড়িতে মরে যাওয়া বড় বউয়ের আবির্ভাব ঘটে। তার সঙ্গে এসেছে কিশোরী মেয়ে। একটি গানের কমপিটিশনে যোগ দিতে এসে ঘটনাক্রমে স্বামীর কাছেই আশ্রয় পায়। অবাক ব্যাপার হলো, সে ঘোমটা টেনে থাকে বলে বাড়ির অন্য সদস্যরা তো বটেই; স্বয়ং স্বামীও তাকে চিনতে পারেন না। অন্যদিকে স্বামীর দ্বিতীয় পক্ষের সন্তান কিশোরী মেয়েটিও গানের শিল্পী। তারও গানের কম্পিটিশনে যোগ দেওয়ার কথা। সে যখন বুঝে ফেলে আশ্রিতা কিশোরীর গানের গলা তার চেয়েও ভালো, তখন সে গভীর ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠে।

আমি এসব দেখে নাটকে মন বসাতে পারছি না। নানান প্রশ্ন মনের ভেতর। ঘোমটা টেনে থাকে বলেই স্বামী তার স্ত্রীকে চিনতে পারবে না? আর দুই কিশোরী মেয়ের মধ্যে যে ধরনের ঈর্ষাকাতর ষড়যন্ত্র দেখানো হচ্ছে, সেটাতো পারিবারিক মূল্যবোধকে নষ্ট করে ফেলবে! নাটকজুড়ে শুধুই ষড়যন্ত্র আর ‘কুটনামি’। ভালো মানুষকে বিপদে ফেলার ষড়যন্ত্র। বোনকে বললাম, নাটকে এই যে এত ষড়যন্ত্র ও ঈর্ষা দেখানো হচ্ছে আপনার কি ভালো লাগছে? বোন টিভি পর্দায় চোখ রেখেই বললেন, আরে, এইটাই তো মজা! দেখো, দেখো... ছোট্ট এই মেয়েটি কী চমৎকারভাবে ভিলেন চরিত্রে অভিনয় করছে। আমি শুধু ওর অভিনয় দেখার জন্য এই সিরিয়ালটি দেখি।

তার মানে নাটকের ভিলেন চরিত্র আপনার পছন্দ? হ্যাঁ। গর্বের সঙ্গে উত্তর দিলেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে প্রশ্ন করলাম, এই নাটকে ছোট্ট এই মেয়েটিকে যেভাবে ভিলেন বানানো হয়েছে সেটা কি আপনার পছন্দ?

হ্যাঁ, পছন্দ। অনেক পছন্দ...।

আপনার মেয়েকেও কি এভাবে দেখতে চান? এবার যেন একটু অবাক হলেন ভদ্রমহিলা। একটু ভেবে নিয়ে বললেন, না না, আমার মেয়েকে এভাবে দেখতে চাইবো কেন? এটা তো নাটক! নাটক আর বাস্তবতা কি এক হলো?

প্রিয় পাঠক, এবার আসুন বোনের কিশোরী মেয়েটির সঙ্গে একটু কথা বলি। ওর একটা ছদ্মনাম দিলাম, মিতা। দরজায় নক করলাম। ভেতর থেকে মিতা বললো, কাম ইন। দরজা ঠেলে ভেতরে ঢুকলাম। আমাকে দেখে খুশি হয়ে বললো, ও মামা তুমি...।

কী করছো মিতা? বলতে বলতে ঘরে ঢুকেই অবাক হয়ে গেলাম। এক ছেলে বন্ধুর সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছে সে। ওদের অন্তরঙ্গতা দেখে বিব্রতবোধ করলাম। ঘর থেকে বেরিয়ে যাবো কি? মিতাই পরিবেশ স্বাভাবিক করার চেষ্টা করে বললো, মামা আসো। পরিচয় করিয়ে দেই, ওর নাম জুয়েল (ছদ্মনাম)। আমার বন্ধু! জুয়েল বেশ স্মার্ট ভঙ্গিতে হাত বাড়িয়ে দিয়ে বললো, হাই...।

জুয়েলের সঙ্গে হাত মিলাতে গিয়ে অনেক প্রশ্ন মাথায় এলো। এই ছেলের তো অনেক বয়স। মিতার বয়সের থেকে আড়াইগুণ বেশি হতে পারে। অথচ সে মিতার বন্ধু! মিতার মা কি জানে মিতা তার ঘরে অসম বয়সের একজন পুরুষের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছে? হ্যাঁ, তার তো জানার কথা। তার মানে মিতার মায়ের সায় আছে। নিশ্চয়ই এই পুরুষ অনেক টাকার মালিক। এজন্যই কি মিতার মা সায় দিচ্ছে? কিন্তু মিতা কি শেষ পর্যন্ত টিকতে পারবে? প্রত্যাখ্যাত হবে না তো?

কয়েকদিন পর কলাবাগানের একটি বাসায় আনুশকা নামে এক কিশোরী ধর্ষিত হওয়ার ঘটনা জেনে মিতার ভবিষ্যৎ চিন্তায় অস্থির হয়ে উঠেছি। মিতার মা কি তার মেয়ের জন্য অস্থির? শুধু একজন মিতার মায়ের কাছে এ প্রশ্ন নয়। সকল বাবা-মায়ের কাছে আমার এ প্রশ্ন? ইতোপূর্বে আমার একাধিক লেখায় যে প্রশ্নটি করেছি সেটাই আবার করতে চাই। আপনি কি জানেন, আপনার প্রিয় সন্তান প্রতিদিন কোথায় যায়? কার সঙ্গে মিশে? তার বন্ধু কারা? বয়ঃসন্ধিকাল বলে একটি কথা আছে। প্রতিটি ছেলে-মেয়ের বেলায় এই সময়টা খুবই স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ। এই বয়সে বাবা-মায়ের বাইরে বিপরীত সেক্সের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয় ছেলেমেয়েরা। ফলে ভুল মানুষের সঙ্গে ভুল পথে পা বাড়ায় অনেকে। অনেক বাবা-মা বিষয়টিকে গুরুত্বই দেন না। ফলে তারাই পড়েন চরম বিপাকে।

গাজীপুরের মাওনায় আমার এক আত্মীয়ের স্কুল পড়ুয়া ছেলে হঠাৎ বলে বসলো সে একটি মেয়েকে ভালোবাসে। তাকে ছাড়া সে নাকি বাঁচবে না। স্কুল পড়ুয়া ছেলে। মায়ের দুধ খাওয়ার বয়সও শেষ হয়নি। অথচ সে নাকি ভালোবাসে একটি মেয়েকে। তাও আবার তার থেকে মেয়েটির বয়সই বেশি। মেয়ে উচ্চ মাধ্যমিকের ছাত্রী। ছেলে নবম শ্রেণির। কোচিং ক্লাসে দু’জনের পরিচয়। প্রেমের ক্ষেত্রে মেয়ের চেয়ে ছেলেই বেশি পাগল। বাবা-মা অস্থির হয়ে উঠলেন। ছেলের ভবিষ্যৎ চিন্তায় মায়ের কান্না যেন থামেই না। ছেলেকে অনেক বুঝানো হলো। বাবা-মা ছেলেকে অধিক সময় দেওয়ার উদ্যোগ নিলেন। পরিস্থিতি এখন অনেক ভালো। ছেলের মোহ কেটে গেছে। সে বুঝতে পেরেছে ভুল পথে ভুল মানুষের দিকে ধাবিত হচ্ছিলো...।

এই ছেলের মা বললেন, ঘটনা জানার পর আমরা পারিবারিকভাবে দিশেহারা হয়ে গিয়েছিলাম। কী করবো? কীভাবে ছেলেকে বুঝাবো তার কোনও কূলকিনারা পাচ্ছিলাম না। যাই বুঝাই ছেলে বুঝতে চায় না। তার একটাই কথা, ওই মেয়েকে ছাড়া সে নাকি বাঁচবে না। মাঝে মাঝে অনেক রাগ হতো। কিন্তু ‘রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন’ এই কথাটি মাথায় রেখে ছেলের সঙ্গে আরও বেশি বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ শুরু করি আমরা স্বামী-স্ত্রী। আল্লাহর রহমতে ছেলের মোহ কেটে গেছে! আমার অভিজ্ঞতা থেকে বাবা-মায়েদের বলবো, যত ব্যস্তই থাকেন না কেন নিজেরা সন্তানের খোঁজ খবর রাখবেন। যাতে তারা ভুল পথে ভুল মানুষের দিকে হাত না বাড়ায়।

প্রচারমাধ্যমে ‘কিশোর গ্যাং’ এই শব্দটি বেশ আলোচিত। ঢাকা শহরসহ দেশের প্রতিটি এলাকায় ‘কিশোর গ্যাং’ কালচার গড়ে উঠেছে। রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় এক গ্রুপ অন্য গ্রুপের থেকে অধিক শক্তিশালী হওয়ার প্রতিযোগিতায় লিপ্ত। ‘ভাই’ শব্দটি এক্ষেত্রে বেশ জনপ্রিয়। ‘ভাই’ মানে গ্রুপ লিডার। ফলে ‘ভাই’ হওয়ার প্রতিযোগিতায় প্রাণহানির ঘটনাও ঘটছে মাঝে-মধ্যে। চরম সত্য হলো, চাঁদাবাজি, দখল বাণিজ্য, হুমকি-ধমকি দেওয়ার কাজে, বিশেষ করে মিছিলে কিশোর গ্যাংয়ের গুরুত্ব অনেক। ফলে কোমলমতি কিশোররা ভুল মানুষের ডাকে ভুল পথে পা বাড়াচ্ছে। প্রচারমাধ্যমে এ নিয়ে বিস্তার লেখালেখি ও সংবাদ প্রচার হওয়ার পরও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। প্রায় প্রতিটি রাজনৈতিক দলের মিছিল মিটিংয়ে কিশোর তরুণদের অংশগ্রহণই বেশি থাকে। কিন্তু তাদের অনেকেই জানে না যে দলের জন্য মিছিল করছে সেই দলের আদর্শ ও উদ্দেশ্য কী? শুধু জানে নেতা বলেছে মিছিলে যেতে। মিছিলে গেলে টাকা মিলবে। অন্যকে হুমকি দিলে নেতার বিশ্বাসভাজন হওয়া যাবে। নেতারা বিশ্বাসভাজন হওয়া মানেই ভবিষ্যতে নেতা হওয়ার পথ খুঁজে পাওয়া। হোক না ভুল পথ, ভুল মানুষের ডাক। তবু আমি নেতা হবোই। যেকোনও মূল্যে একবার নেতা হলেই ভবিষ্যৎ ঝরঝরা। সে কারণে নেতা হওয়ার দৌড়েই সবাই ব্যস্ত। পারিবারিক মূল্যবোধ, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধে, সম্মান ও সহমর্মিতার বিষয়টি এখন বলা যায় উপেক্ষিত।

অথচ প্রিয় মাতৃভূমি উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় ঠিকই এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা দেশের মানুষেরা যদি সৎ না হই, পরিবারগুলো যদি আপন বিশ্বাসে সৎ ও নিষ্ঠাবান না হয়, দুর্নীতি, অনাচার যদি দূর না হয়, তাহলে কোনও উন্নয়নই অর্থবহ হবে না। সেজন্য প্রথম দরকার পরিবারের প্রতি নজর রাখা। এক অর্থে পরিবারই তো দেশের আয়না। আমরা যেন ভুল মানুষের ডাকে ভুল পথে পা না বাড়াই। সবার জন্য রইলো অনেক শুভ কামনা।

লেখক: কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, সম্পাদক- আনন্দ আলো।

/এসএএস/এমওএফ/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

সম্পর্কিত

পরীমণির একটি প্রশ্ন!

পরীমণির একটি প্রশ্ন!

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সময় মতো খুলবে তো?

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সময় মতো খুলবে তো?

রোজিনা কি কারও আক্রোশের শিকার?

রোজিনা কি কারও আক্রোশের শিকার?

করোনার লজ্জা পাওয়া উচিত

করোনার লজ্জা পাওয়া উচিত

হুজুরের শিক্ষা বলো না মিথ্যা...

হুজুরের শিক্ষা বলো না মিথ্যা...

ব্রাহ্মণবাড়িয়া কি বিচ্ছিন্ন কোনও দ্বীপ?

ব্রাহ্মণবাড়িয়া কি বিচ্ছিন্ন কোনও দ্বীপ?

তরুণদের বিভ্রান্ত করবেন না, প্লিজ...

তরুণদের বিভ্রান্ত করবেন না, প্লিজ...

মেলায় যাচ্ছি, বিয়েতে যাচ্ছি, শুধু যাচ্ছি না স্কুলে...

মেলায় যাচ্ছি, বিয়েতে যাচ্ছি, শুধু যাচ্ছি না স্কুলে...

যতটুকু জানি ততটুকুই কি মানি?

যতটুকু জানি ততটুকুই কি মানি?

করোনার যুগেও জনসমুদ্র!

করোনার যুগেও জনসমুদ্র!

আজ ভালোবাসার জন্মদিন

আজ ভালোবাসার জন্মদিন

মেয়েদের ছেলে বন্ধু!

মেয়েদের ছেলে বন্ধু!

সর্বশেষ

‘পুলিশ ম্যানেজ করা আছে, রংপুর-বগুড়া যেখানেই যান ১৫০০ টাকা’

‘পুলিশ ম্যানেজ করা আছে, রংপুর-বগুড়া যেখানেই যান ১৫০০ টাকা’

ঋণের টাকা দিতে না পেরে ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা

ঋণের টাকা দিতে না পেরে ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা

পোপের সঙ্গে সাক্ষাৎ স্পাইডারম্যানের

পোপের সঙ্গে সাক্ষাৎ স্পাইডারম্যানের

বিলিয়াতে বঙ্গবন্ধু কর্নার স্থাপন

বিলিয়াতে বঙ্গবন্ধু কর্নার স্থাপন

দূরপাল্লার বাস ছাড়া সবই চলে ঢাকা-সাইনবোর্ড সড়কে

দূরপাল্লার বাস ছাড়া সবই চলে ঢাকা-সাইনবোর্ড সড়কে

বাবার চেয়ে ছেলে ২১ বছরের বড়!

বাবার চেয়ে ছেলে ২১ বছরের বড়!

ব্রাজিলের কাছে হেরে আর্জেন্টাইন রেফারিকে দুষলেন কলম্বিয়া কোচ

ব্রাজিলের কাছে হেরে আর্জেন্টাইন রেফারিকে দুষলেন কলম্বিয়া কোচ

খুলনার ৩ হাসপাতালে আরও ৬ মৃত্যু

খুলনার ৩ হাসপাতালে আরও ৬ মৃত্যু

তৃতীয় দিনের মতো বন্ধ দূরপাল্লার গণপরিবহন

তৃতীয় দিনের মতো বন্ধ দূরপাল্লার গণপরিবহন

সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে না রাখা গেলে ভারতের মতো অবস্থা হবে

সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে না রাখা গেলে ভারতের মতো অবস্থা হবে

রাজশাহী মেডিক্যালে একদিনে সর্বোচ্চ ১৮ মৃত্যু

রাজশাহী মেডিক্যালে একদিনে সর্বোচ্চ ১৮ মৃত্যু

চট্টগ্রামে উপজেলাগুলোতে রোগী বাড়ছে

চট্টগ্রামে উপজেলাগুলোতে রোগী বাড়ছে

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

© 2021 Bangla Tribune