X

সেকশনস

করোনা: ভয়ের ব্যবসা?

আপডেট : ০৯ জুন ২০২০, ১২:২০

আমীন আল রশীদ চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের প্রেজেন্টার ফারাবি হাফিজ করোনা পজিটিভ ছিলেন। নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে একটি ভিডিওতে তিনি দাবি করেছেন, করোনা আসলে কোনও রোগই নয়। কেননা শরীরে অন্য কোনও জটিল সমস্যা না থাকলে করোনা অন্যান্য সাধারণ জ্বরের চেয়ে বেশি কিছু নয়। কিন্তু মানুষ দুর্বল হয়ে যায় মূলত মানসিক চাপে। আর এই চাপ আসে তার চারপাশ থেকে। যখনই তার পরীক্ষার ফল পজিটিভ আসে, তার বন্ধু-স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীরা ফোন করে, এসএমএস দিয়ে বা ইনবক্সে যে সমবেদনা জানান, এমনকি যে সাহস জোগানোর চেষ্টা করেন, সেটিও রোগীকে মানসিকভাবে দুর্বল করে দেয়। ফারাবির মতে, ফল পাওয়ার পরে প্রথম ২৪ ঘণ্টা খুব গুরুত্বপূর্ণ। যদি এই সময়টা মানসিকভাবে শক্ত থাকা যায় এবং যদি মনে করা যায় যে এটা আসলে কোনও রোগই নয়, তাহলে করোনা তাকে কাবু করতে পারে না। প্রসঙ্গত, এখন এরকমটিও বলা হচ্ছে, করোনা আসলে একটি ‘ভয়ের ব্যবসা’।
আমার এক বন্ধু, যিনি রাজধানীর একটি বড় হাসপাতালের সিনিয়র পজিশনে চাকরি করেন, তিনিও করোনাকে ‘ভয়ের ব্যবসা’ বলে মন্তব্য করেছেন। আসলেই কি তাই? একটু খতিয়ে দেখার চেষ্টা করা যাক এবং যদি আসলেই এটা ব্যবসার হাতিয়ার হয় তাহলে ভবিষ্যতে রাষ্ট্রগুলো সেই ভয়কে পুঁজি করে নাগরিকদের ওপরে কী কী আরোপ করতে পারে এবং নাগরিকদের নজরদারির জন্য কী কী করতে পারে, সে বিষয়ে কথা বলা যাক।

চীনের মেডিক্যাল ব্যবসা

করোনা সংক্রমণ থেকে বাঁচতে সারাবিশ্বেই মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবসা এখন তুঙ্গে। যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের দেশগুলোতে মাস্ক রফতানি করে একচেটিয়া ব্যবসা করছে চীন। বিশেষ কার্গো বিমানে চীন থেকে ফেস মাস্ক নিয়েছে ফ্রান্স।  ইউরোপের দেশ ইতালি, স্পেন ও পর্তুগালও চীন থেকে জরুরি মেডিক্যাল সামাগ্রী আমদানি করেছে। অর্থাৎ করোনাকে ব্যবসার নতুন সুযোগ হিসেবে লুফে নিয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম উৎপাদক ও সরবরাহকারী দেশ চীন। শুধু মাস্ক বা স্যানিটাইজারই নয়, বরং তারা চিকিৎসক ও নার্সদের জন্য ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী বা পারসোনাল প্রোটেকটিভ ইকুইপমেন্ট (পিপিই), করোনা টেস্টিং কিট ও কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাস দেওয়ার মেশিন ভেন্টিলেটরও সারা বিশ্বে সরবরাহ করছে, মানে ব্যবসা করছে। অনেকেই মনে করেন, করোনার মহামারিকে কাজে লাগিয়ে বাণিজ্যিকভাবে আমেরিকাকে পেছনে ফেলাই চীনের উদ্দেশ্য। ফলে এটি ব্যবসার নতুন ফাঁদ কিনা, সে প্রশ্ন উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও এ দাবি করা হয়েছে যে, চীন থেকে ছড়িয়েছে করোনাভাইরাস। আর এ ভাইরাসকে পুঁজি করে চীন ব্যবসা শুরু করেছে (যুগান্তর, ২৮ মার্চ ২০২০)।

বাংলাদেশে মেডিক্যাল ব্যবসা

ফেসবুকে অনেক কিছুই ভাইরাল হয়। এর মধ্যে একটি এরকম: ‘চাকরি করলে সরকারি, ব্যবসা করলে তরকারি, আর দোকানদারি করলে ফার্মেসি।’ এটি এখন প্রবাদ বাক্যের মতো হয়ে গেছে। এর যথেষ্ট যৌক্তিকতাও রয়েছে। করোনার প্রকোপ শুরুর পরে ফার্মেসিগুলো অন্তত মাস্ক আর স্যানিটাইজার বিক্রি করে যা ব্যবসা করেছে, গত এক বছরে সব ওষুধ বিক্রি করেও হয়তো সেই পরিমাণ লাভ করতে পারেনি। আপনি আপনার পরিচিতজনের মধ্যে খোঁজ নিয়ে দেখুন, অনেকেই এখন ফার্মেসি ব্যবসার কথা ভাবছেন।

করোনার ‘ভয় দেখিয়ে’ বা সঙ্গত কারণেই ভবিষ্যতে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বেই প্রাইভেট হাসপাতালগুলোয় মানুষ সাধারণ জ্বর সর্দি কাশি নিয়ে গেলেও ডাক্তাররা তাকে যেসব পরীক্ষা নিরীক্ষা দেবেন, দেখা যাবে সেখানে কমন পরীক্ষা হিসেবে করোনা টেস্ট করতে বলবেন। প্রাইভেট হাসপাতালে যেহেতু সাড়ে তিন থেকে চার হাজার বা কোনও কোনও হাসপাতাল আরও বেশি নেবে, অতএব মানুষের চিকিৎসা খরচ বেড়ে যাবে। পক্ষান্তরে প্রাইভেট হাসপাতালের ব্যবসা এবং সেখানের চিকিৎসকদের পার্সেন্টেজ বেড়ে যাবে। করোনা মোকাবিলার নামে হাসপাতালগুলোতে বাড়তি পরিচ্ছন্নতার অজুহাতে সেবা গ্রহীতাদের কাছ থেকে বাড়তি পয়সা নেওয়া হবে। প্রত্যেকের কাছ থেকে এ বাবদ একশ’ টাকা করে নেওয়া হলেও বছরে একটি হাসপাতাল কত কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যবসা করবে, সেটি যোগ বিয়োগ করে বের করা কঠিন নয়। অর্থাৎ করোনার ভয় দেখিয়ে মূলত সাধারণ মানুষের পকেট কাটা হবে এবং কিছু মানুষ ও প্রতিষ্ঠানের পোয়াবারো হবে। করোনাকালীন দুই তিন মাস হাসপাতালের ব্যবসা বন্ধ থাকায় যে ক্ষতি হয়েছে, সেটি আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই তারা তুলে নেওয়ার চেষ্টা করবে।

জাকারবার্গের ভয়

ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক জাকারবার্গ উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, করোনাকালে যেভাবে সারা বিশ্বেই, বিশেষ করে কর্তৃত্ববাদী শাসন ব্যবস্থা চালু থাকা দেশগুলোয় ইন্টারনেটের ওপর নজরদারি বেড়েছে, ভবিষ্যতে চীনের কঠোর নীতি অনুসরণ করে বিভিন্ন দেশ নিজ নিজ নাগরিকদের ওপর নজরদারি বাড়াতে পারে। এটা মানবাধিকার অবমাননা করার শামিল বলে মনে করেন তিনি। প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট দ‌্য ভার্জের এক প্রতিবেদনে এ তথ‌্য জানানো হয় (প্রথম আলো, ২১ মে ২০০২)।

জাকারবার্গের কাছে ভয়ের ব্যাপার হচ্ছে, প্রত্যেকের কাছে ডেটা স্থানীয়করণে বাধ্য করার বিষয়টি আকর্ষণীয় হতে পারে। এতে সমাজটি পরিচালনার ক্ষেত্রে মানবাধিকারের যথেষ্ট সম্মান করতে হবে না। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, এটি সত্যিই বিপজ্জনক এবং আমি মডেলটি অন্য দেশে ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে চিন্তিত।’ জাকারবার্গ বলেন, মুক্ত মতামত, সুরক্ষা, গোপনীয়তা, প্রতিযোগিতার মতো বিষয়ে ভারসাম্য রক্ষার একটি বড় প্রশ্ন রয়েছে। তবে প্রশ্ন নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে নয়, বিশ্বজুড়ে কার কাঠামো জিততে চলেছে, সেটাই এখন সবচেয়ে ভীতিকর প্রশ্ন।

করোনার প্রকোপ শুরুর পর জেরুজালেমের হিব্রু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, ইসরায়েলি ইতিহাসবিদ ইউভাল নোয়াহ হারারি’র  একটি প্রবন্ধ সম্প্রতি বেশ সাড়া ফেলেছে—যেটি ‘করোনাভাইরাসের পরের পৃথিবী’ নামে বাংলা ট্রিবিউনেও অনূদিত হয়েছে। যেখানে হারারিও বলেছেন, একাধিক সরকার এরইমধ্যে করোনাভাইরাস মহামারির বিরুদ্ধে তাদের সমরে নতুন নজরদারির যন্ত্রপাতি বহাল করেছে। এক্ষেত্রে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হচ্ছে চীন। জনসাধারণের স্মার্টফোনগুলোকে নিবিড় তত্ত্বাবধানের আওতায় এনে, লাখ লাখ চেহারা-শনাক্তকরণ ক্যামেরা ব্যবহার করে এবং জনসাধারণকে তাদের দৈহিক তাপমাত্রা ও স্বাস্থ্য পরিস্থিতি চেক করতে এবং এই বিষয়ক প্রতিবেদন দাখিল করতে বাধ্য করে। চীনা কর্তৃপক্ষ শুধু যে দ্রুততার সঙ্গে সন্দেহভাজন করোনাভাইরাস বাহকদের শনাক্ত করতে পেরেছে তাই নয়, তাদের গতিবিধিও ট্র্যাক করতে পেরেছে এবং তাদের সংস্পর্শে আসা যে কাউকে চিহ্নিত করতে পেরেছে। নাগরিকদের সংক্রমিত রোগীদের সঙ্গে তাদের ঘনিষ্ঠতার ব্যাপারে একগুচ্ছ মোবাইল অ্যাপস সতর্ক করে দেয়।

হারিরি জানান, এই ধরনের প্রযুক্তি স্রেফ পূর্ব-এশিয়ায় সীমিত নয়। করোনাভাইরাস রোগীদের চিহ্নিত করতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সম্প্রতি ইসরায়েলের নিরাপত্তা সংস্থাকে সেসব নজরদারি প্রযুক্তি বহাল করার অনুমতি দিয়েছেন, স্বাভাবিক সময়ে যেগুলো সন্ত্রাসবাদীদের বিরুদ্ধে লড়ার কাজে ব্যবহৃত হয়। যদিও ইন্টারনেটের মাধ্যমে জনসাধারণকে ট্র্যাক বা তত্ত্বাবধান নতুন কোনও বিষয় নয়। কিন্তু করোনার অজুহাতে এটি যেমন বেড়েছে, ভবিষ্যতে এটি অব্যাহত থাকবে এবং আরও বেশি মাত্রায় ক্রিয়াশীল হবে ধারণা করা যায়।

জিলবারম্যানের তত্ত্ব

সম্প্রতি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আল মামুন ‘টম্পেট মিখবিয়েন’ (অনুজীবের তাণ্ডব) নামে একটি বই নিয়ে আলোচনায় দেখিয়েছেন, এতকাল রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশের একেবারে তলানিতে পড়ে থাকা স্বাস্থ্যনিরাপত্তার বিষয়টি কীভাবে ক্রমান্বয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক কৌশলের আবশ্যিক অঙ্গ হয়ে উঠেছে। এর উদ্দেশ্য, শাসনের উপায় হিসেবে এক ধরনের ‘স্বাস্থ্য সন্ত্রাস’ কায়েম করা।

এই বইয়ের লেখক জিলবারম্যান দেখিয়েছেন, সংকটকালীন জরুরি ব্যবস্থার প্রস্তাব সাজানো হয়েছিল তিন ধাপে: ১) সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে এক কল্প-বাস্তবের নির্মাণ করা হয়েছিল, যেখানে এমনভাবে উপাত্ত হাজির করা হয় যেন সংকটকালীন পরিস্থিতিতে কঠোরতম শাসন পরিচালনার উপযুক্ত আচরণে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করা যায়; ২) প্রকট সংকটকেই রাজনৈতিক রেজিমের যৌক্তিকতা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা যায়; ৩) নাগরিক দেহের সর্বাত্মক বিন্যাস এমনভাবে পরিগঠন করা যাতে সরকারের প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি নিরঙ্কুশ আনুগত্য নিশ্চিত করা যায়; এবং এক প্রকার অতি সুশীল নাগরিক উৎপাদন করা যায়, আরোপিত বাধ্যবাধকতাগুলো তাদের সামনে এমনভাবে হাজির করা হবে যে সেগুলোকে তারা দেখবে স্বতই হিতকরী হিসেবে। স্বাস্থ্য (নিরাপত্তা) তখন আর নাগরিকের অধিকার নয় বরং আইনি বাধ্যবাধকতার (জৈবনিরাপত্তার) বিষয় হয়ে উঠবে।

ধারণা করা অমূলক নয় যে, করোনার কারণে যে শারীরিক ও সামাজিক দূরত্বের কথা বলা হচ্ছে, আগামী দিনগুলোয় সেটি রাজনৈতিকতারও মডেল হয়ে উঠতে পারে। অর্থাৎ জনসমাগম এড়ানোর কথা বলে সব ধরনের রাজনৈতিক-অরাজনৈতিক সমাবেশ মিছিল মিটিং নিষিদ্ধ বা যথেষ্ট পরিমাণে সীমিত করা হতে পারে। এতে করে শাসনব্যবস্থায় কর্তৃত্ববাদ আরও বেশি পোক্ত হবে। রাষ্ট্রীয় অন্যায় অনাচারের বিরুদ্ধে মানুষের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার প্রবণতা কমে যাবে। ফলে করোনা যে বিশ্বব্যাপী একটি ভয় ছড়ালো, সেটি কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থা টিকিয়ে রাখার পক্ষে একটি বড় অস্ত্র হিসেবে পরিগণিত হতে পারে। 

আমরা কি নির্ভয়ে ঘুরবো?

করোনাকে ‘ভয়ের ব্যবসা’ বলে আমরা কি নির্ভয়ে রাস্তায় ঘোরাঘুরি করবো বা স্বাস্থ্যবিধি মানবো না? সেটিও আত্মঘাতী হতে পারে। আমরা ধরে নিচ্ছি করোনাভাইরাসটি ভয়ানক এবং যেহেতু এরইমধ্যে লাখ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে, অতএব আমাদের সাবধান থাকা জরুরি। সেই সাবধানতার অংশ হিসেবে আমরা রাস্তায় বের হলে বা জনসমাগম আছে এরকম জায়গায় গেলে মাস্ক পরে থাকার চেষ্টা করবো। লোকজনের মধ্যে গিয়ে হাঁচি কাশি দেওয়া থেকে বিরত থাকবো। করোনার ভয়ে এখন যেমন সারাক্ষণ হাত পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করি, সেই চেষ্টাটা অব্যাহত রাখবো। এতে করোনা হোক বা না হোক, অন্তত এই উসিলায় বা এই ভয়ে আমরা আগের চেয়ে অনেক বেশি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে পারব। যেটা এমনিতেও জরুরি। শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার যে কথা বলা হচ্ছে, সেটি রাস্তায়-গণপরিবহনে বা কর্মস্থলে মেনে চলা কতটুকু সম্ভব হবে, তা নিয়ে সন্দেহ আছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো অতি ঘনবসতিপূর্ণ দেশে। সুতরাং শারীরিক দূরত্ব একশ’ ভাগ মেনে চলা সম্ভব না হলেও যেহেতু করোনা আমাদের মনের ভেতরে একটা ভয় ঢুকিয়ে দিয়েছে, অতএব আমরা হ্যান্ডশেক বা কোলাকুলির মতো পুরনো সামাজিকতাগুলো বাদ দিতে পারি। এতে কোনও ক্ষতি নেই। করোনার ভয়ে এখন যেমন আমরা বাইরে থেকে বাসায় এসেই সরাসরি বাথরুমে ঢুকে যাই এবং সম্ভব হলে গোসল করে ফেলি; বাজার থেকে কোনও জিনিস আনলে সেগুলো যেমন বাথরুমে নিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করে বারান্দায় রোদে শুকাতে দিই—এই সচেতনতাগুলো স্থায়ীভাবে চর্চার ভেতরে রাখতে পারলে সেটি সামগ্রিকভাবে আমাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা তথা অন্যান্য রোগ থেকেও দূরে থাকার উপায় হিসেবে কাজ করবে।

শেষ কথা

করোনাভাইরাসের ভয়াবহতা নিয়ে হয়তো কোনও দ্বিমত নেই। বরং ব্যক্তিগত সুরক্ষার জন্য এই ভয়টা মানুষের মধ্যে থাকাই উচিত। কিন্তু এই ভয়কে উসিলা করে যাতে কেউ ব্যবসা করতে না পারে এবং সাধারণ মানুষকে যেন ব্যবসার গিনিপিগ হতে না হয়; এই ভয়কে উসিলা করে যাতে নাগরিকদের ওপরে নজরদারির খড়্গ বৃদ্ধি না পায়; শারীরিক দূরত্বের অজুহাতে অন্যায়ের বিরুদ্ধে মানুষের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সুযোগ যাতে সংকুচিত হয়ে না যায়, সে বিষয়েও সচেতন থাকা দরকার।  

লেখক: সাংবাদিক

/এসএএস/এমএমজে/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

সম্পর্কিত

আওয়ামী লীগ ৪৬, বিএনপি ৪ এবং ‘ভালো ভোট’

আওয়ামী লীগ ৪৬, বিএনপি ৪ এবং ‘ভালো ভোট’

কে সঠিক,  র‌্যাব না পুলিশ?

কে সঠিক,  র‌্যাব না পুলিশ?

‘বিশিষ্ট’ নাগরিকদের চিঠি ও বিবৃতির রাজনৈতিক তাৎপর্য

‘বিশিষ্ট’ নাগরিকদের চিঠি ও বিবৃতির রাজনৈতিক তাৎপর্য

জ্ঞানের সূচক, বিকৃত পতাকা এবং মাটির ময়নার সেই আনু

জ্ঞানের সূচক, বিকৃত পতাকা এবং মাটির ময়নার সেই আনু

পদ্মা সেতু: উন্নয়নের বিপরীত পাঠ ও রাজনৈতিক উদারতা

পদ্মা সেতু: উন্নয়নের বিপরীত পাঠ ও রাজনৈতিক উদারতা

নুর-সাকি: নয়া মেরুকরণ?

নুর-সাকি: নয়া মেরুকরণ?

রোহিঙ্গা ইস্যুতে কে কাকে ভোট দেয়, কেন দেয়?

রোহিঙ্গা ইস্যুতে কে কাকে ভোট দেয়, কেন দেয়?

১৩ বছর আগের একদিন

১৩ বছর আগের একদিন

আমেরিকার নির্বাচন নিয়ে বাঙালির এত আগ্রহ কেন?

আমেরিকার নির্বাচন নিয়ে বাঙালির এত আগ্রহ কেন?

ধর্মীয় অনুভূতি এত ঠুনকো কেন?

ধর্মীয় অনুভূতি এত ঠুনকো কেন?

পি কে হালদার কেন ফিরবেন?

পি কে হালদার কেন ফিরবেন?

বিএনপির ‘আন্দোলন’ ও ‘কৌশল’ এবং সাম্প্রতিক নির্বাচন

বিএনপির ‘আন্দোলন’ ও ‘কৌশল’ এবং সাম্প্রতিক নির্বাচন

সর্বশেষ

বিচারককে ঘুষ দিতে গিয়ে এসআই ক্লোজ

বিচারককে ঘুষ দিতে গিয়ে এসআই ক্লোজ

প্রত্যেককে বিনামূল্যে করোনা ভ্যাকসিন দেওয়া হবে: নৌপ্রতিমন্ত্রী

প্রত্যেককে বিনামূল্যে করোনা ভ্যাকসিন দেওয়া হবে: নৌপ্রতিমন্ত্রী

ঢাবিতে ‘শহীদ আসাদ পাঠাগার’ উদ্বোধন

ঢাবিতে ‘শহীদ আসাদ পাঠাগার’ উদ্বোধন

শুরুর দিনগুলোতে কোন ইস্যুকে অগ্রাধিকার দেবেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন?

শুরুর দিনগুলোতে কোন ইস্যুকে অগ্রাধিকার দেবেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন?

ক্রিকেট দলকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

ক্রিকেট দলকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

বিমানবন্দর সড়কে দম্পতি নিহতের ঘটনায় বাসচালক রিমান্ডে

বিমানবন্দর সড়কে দম্পতি নিহতের ঘটনায় বাসচালক রিমান্ডে

পাকিস্তানেও ভারত-বন্দনা, মুগ্ধ আকরাম-আফ্রিদি

পাকিস্তানেও ভারত-বন্দনা, মুগ্ধ আকরাম-আফ্রিদি

বিয়ের রাত পোহাতেই মিললো নববধূর ঝুলন্ত লাশ

বিয়ের রাত পোহাতেই মিললো নববধূর ঝুলন্ত লাশ

বাঘের চামড়াসহ আটক চোরা শিকারি কারাগারে

বাঘের চামড়াসহ আটক চোরা শিকারি কারাগারে

যে কারণে প্রশংসায় ভাসছে ‘জানোয়ার’!

যে কারণে প্রশংসায় ভাসছে ‘জানোয়ার’!

আরও ৬০টি দেশে মিলেছে যুক্তরাজ্যের নতুর বৈশিষ্ট্যের করোনা: ডব্লিউএইচও

আরও ৬০টি দেশে মিলেছে যুক্তরাজ্যের নতুর বৈশিষ্ট্যের করোনা: ডব্লিউএইচও

সগিরা মোর্শেদ হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পেছালো

সগিরা মোর্শেদ হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পেছালো

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ


[email protected]
© 2021 Bangla Tribune
Bangla Tribune is one of the most revered online newspapers in Bangladesh, due to its reputation of neutral coverage and incisive analysis.