২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস: প্রজন্মের পাঠশালা

Send
আফরিন নুসরাত
প্রকাশিত : ১৮:৪০, মার্চ ২৫, ২০১৭ | সর্বশেষ আপডেট : ১৯:১৪, মার্চ ২৫, ২০১৭

আফরিন নুসরাত১. প্রিয়ম-এর জন্মদিন আসছে রবিবার; এবারে তার নতুন খেলনা চাই। চাই মানে চাই-ই। যথারীতি এক সপ্তাহ আগেই বাবাকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছে সে। হক সাহেব ব্যস্ত মানুষ;  শত ব্যস্ততার মাঝেও তিনি ছেলের আবদারের কোনও কমতি হতে দেন না। সেদিন অফিসের সব কাজ একটু আগেভাগেই সেরে নিউমার্কেটের উদ্দেশে যাত্রা করেছিলেন; পরিকল্পনা ছিল খেলনা কিনে ফুলার রোড সংলগ্ন শ্বশুর বাড়ি যাবেন। প্রিয়মের মা মিসেস জবা অসুস্থ বাবাকে দেখতে ফুলার রোডের বাসায় এসেছেন দু’দিন হয়েছে। ছেলের পছন্দের খেলনা একটি জিপ গাড়ি কিনে নিয়ে কনফেকশনারি থেকে একটি কেক, অল্পকিছু বিস্কুট আর ফল কিনতে কিনতে ঘড়ির কাঁটায় প্রায় রাত ৮টা। শ্বশুরালয়ে গিয়ে দেখলেন অসুস্থ নানা তার নাতিকে নিয়ে সুস্থ প্রায়। সবাই মিলে হইচই করে কেক কাটা হয়ে গেল। রাতের স্পেশাল খাবার ছিল পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী মোরগ পোলাও। সঙ্গে প্রিয়মের পছন্দের পায়েসও ছিল। খাওয়া-দাওয়া পর্ব শেষে সবাই যখন ঘুমাতে যাবেন, তখন হঠাৎ করেই প্রচণ্ড শব্দে যেন চারপাশ আঁতকে উঠলো। কেউ কিছু বোঝার আগেই সারি সারি লাশ। পড়ে ছিলেন হক সাহেব, মিসেস জবা, তার অসুস্থ বাবা, মা, একমাত্র ছোট বোন। একটু দূরেই প্রিয়মকেও দেখা যায় জিপ গাড়িটি আঁকড়ে ধরে পড়ে থাকতে! প্রিয়মের আদুরে মুখটা হা করা ছিল হয়তো বাবাকে বলতে চেয়েছিল, ‘বাবা তুমি আমার লক্ষ্মী বাবা; নতুন খেলনা কিন্তু আমার প্রতি জন্মদিনেই চাই, হু।’ 
২. জ্যোৎস্না আর অনিন্দ্যের মন দেওয়া-নেওয়া প্রায় একযুগ। ছোট বেলায় পুতুল খেলতে গিয়ে কতবার যে পুতুলের বিয়ে বিয়ে খেলেছে, তার কোনও হিসাব নেই; বেহিসাবী সেই খেলার ছলেই নিজেদের বিয়ের স্বপনটাও গেঁথে গিয়েছিল কাঁচা মনে। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে দুই পরিবারের সম্মতিতে সরকার পরিবারের উঠোনে আজ বিয়ের আসর সেজেছে। একমাত্র মেয়ে জ্যোৎস্নার বিয়েতে সরকার মশাই কোনও কমতি হতে দেননি; আশপাশের দুই গ্রামের সব মানুষকেই নিমন্ত্রণ করেছেন বেশ যত্ন করেই। রাতভর সানাইয়ের সুর আর ধুমধাম গিয়ে শেষ হয় ভোর রাতে রক্তের খেলা দিয়ে। উঠোনভর্তি রক্ত যেন নববধূর আলতার রঙের সঙ্গে জড়িয়ে গেছে। পুরুষদের লাশ যেন হাহাকার করে উঠছে তাদের কন্যা, জননী, জায়াকে পিশাচের হাত থেকে বাঁচাতে। পরদিন সারাগ্রামে ধূপ আর বারুদের গন্ধ মিশে অস্বস্তি দিচ্ছিল যেন পাখিকূলকে। এদিকে গ্রামের নতুন স্কুল ঘরটিতে অনিন্দ্যের নববধূর আলতা পায়ে রক্ত গড়িয়ে পড়ছে বিরামহীনভাবে! 

৩. এমন লাখ-লাখ প্রিয়ম, জোস্ন্যা, অনিন্দ্যের বিষাদমাখা গল্প আছে আমাদের; গণহত্যার গল্প! ’৭১-এর ২৫ মার্চের সেই কালো রাত থেকে শুরু করে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের প্রতিটি বাঁকেই স্বজনহারানো লাখো পরিবার খুঁজে পাব আমরা। স্বজন হারানোর কষ্ট তারাই বোঝেন, যারা হারিয়েছেন। আমরা হয়ত কিছুটা উপলব্ধি থেকে তাদের ব্যথায় ব্যথিত হতে পারব। কিন্তু বাংলা মায়ের যে ভয়ঙ্কর ক্ষতি যুদ্ধের নয় মাসে হয়েছে, তা অপূরণীয়!

‘গণহত্যা’ হচ্ছে এমন সব অমানবিক কর্মকাণ্ড, যার মাধ্যমে কোনও জাতি, সম্প্রদায় অথবা নৃগোষ্ঠীকে আংশিক অথবা সম্পূর্ণভাবে বিলীন করার প্রয়াস চালানো হয়। ১৯৪৮ সালের ৯ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত রেজুলেশ ২৬০(৩)এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, ‘গণহত্যা এমন একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে, যার প্রতিরোধে বিশ্বের সব রাষ্ট্র অঙ্গীকারাবদ্ধ থাকবে’। ২৬০(২) রেজুলেশনে বলা হয়েছে, ‘গণহত্যা শুধু হত্যাকাণ্ডের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। পরিকল্পিতভাবে একটি জাতি বা গোষ্ঠীকে নির্মূল করার লক্ষ্যে তাদের সদস্যদের হত্যা অথবা নিশ্চিহ্ন করা, তাদের শারীরিক বা মানসিকভাবে ক্ষতিসাধন করা, এমন জীবননাশী অবস্থা সৃষ্টি করা যেন তারা শারীরিক অথবা মানসিকভাবে আংশিক অথবা পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়। এমন কিছু ব্যবস্থা সৃষ্টি করা যেন তাদের জীবনধারণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির পাশাপাশি জন্ম প্রতিরোধ করে জীবনের চাকাকে মন্থর করে দেওয়া হয় এবং তাদের শিশুদের অন্যত্র সরিয়ে দিয়ে জন্ম ও জাতিগত পরিচয় মুছে ফেলার প্রচেষ্টাও গণহত্যা বলে বিবেচিত হবে।’                          

অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, স্বাধীনতার ৪৬ বছর পরে এসে কেন ‘২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রয়োজন হলো? খুব বেশিদিন আগের কথা নয়, একটু পেছন ফিরে তাকালেই বোঝা যাবে। বৈবাহিকসুত্রে বাংলাদেশে বসবাসকারী ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যান একাত্তরের শহীদদের সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তার সঙ্গে তাল মেলাতে মিথ্যাচারে যোগ দিয়েছিলেন বিএনপির সভানেত্রী খালেদা জিয়া, যা বাংলাদেশের ত্রিশ লাখ শহীদ আর তাদের পরিবারের প্রতি প্রচণ্ড অবমাননাস্বরূপ। এরসঙ্গে আরও যোগ দিয়েছিলেন  আমাদের দেশের সুশীল সমাজের কিছু প্রতিনিধিও। পরবর্তী সময়ে একাত্তর প্রজন্ম তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে তাদের দাঁতভাঙ্গা জবাব দিয়েছিল। পাকিস্তান অদ্যাবধি স্বীকার করে না যে, বাংলাদেশে কোনও গণহত্যা হয়েছিল, যা তারা  মানবতাবিরোধী অপরাধী সাঈদীর বিচারের রায় দেওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে এক বিবৃতির মাধ্যমে জানিয়েছিল। বাংলার স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি সব সময়ই আমাদের নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস থেকে দূরে সরিয়ে রাখার প্রচেষ্টা করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নকালে বেশ কিছু সহপাঠীর কাছে শুনেছিলাম যে, মুক্তিযুদ্ধটা আসলে ছিল একটা গৃহযুদ্ধ। এই যদি হয় প্রাচ্যের অক্সফোর্ডপড়ুয়া ছাত্রদের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ভাবনা, তাহলে বৃহদার্থে সারা বাংলাদেশের চিত্রটি কেমন হতে পারে, তা অনুমেয়! আমাদের দেশের তরুণ সমাজের একটি অংশ আজ জঙ্গিবাদের মতো ভয়াবহতার দিকে কেন ধাবিত হচ্ছে, সে প্রশ্ন করা যেতেই পারে। তারা কি আমাদের শহীদের আত্মত্যাগের আখ্যানটি জানে! ত্রিশ লাখ লাশ সারি সারি করে শুয়িয়ে দিলে পুরো ঢাকাকে ঢেকে দেওয়া যাবে, সেটা কি তারা বোঝে! বাংলার লাল-সবুজের পতাকার ঐতিহাসিক মাহাত্ম্য আমাদের নতুন প্রজন্মের কয়জনই বা জানে। স্বাধীনতাবিরোধীরা যুগের পর যুগ ইতিহাস বিকৃত করে আমাদের প্রকৃত ইতিহাস থেকে দূরে সরিয়ে রেখেছিল। কেন তারা এটা করেছিল, কেউ কি কোনও দিন প্রশ্ন করেছে! আমরা মুখে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলি। যদি প্রশ্ন করা হয় যে, কী আছে সেই চেতনায়? গড়পড়তায় অসাম্প্রদায়িক চেতনা, গণতান্ত্রিক অধিকার আর অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির কথা বলবেন। আসলেই কি শুধু তাই?

স্বাধীনতার ৪৬ বছরে জানতে ইচ্ছে করে, যারা বাবা, মা, ভাই-বোন, পরিবারের কোনও সদস্যকে হারিয়েছেন,  তাদের হাহাকারের কতটুকু খবর আমরা রাখি? তাদের জীবদ্দশায়ই আজ যখন স্বাধীনতাবিরোধিরা তাদের পরিবারের আত্মত্যাগের কথা অস্বীকার করার ধৃষ্টতা দেখায়, আগামী ৪০-৫০ বছর পরে যখন তারা থাকবে না, তখন কী হতে পারে, ভেবে দেখেছেন কেউ! সেই দিনের কথা চিন্তা করেই বর্তমান সরকার ‘২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে, যা অবশ্যই সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য! তবে এই ঘোষণার পরে যদি দ্রুততার সঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছ থেকে আমরা  স্বীকৃতি আনতে পারতাম, তাহলে ৩০ লাখ শহীদের প্রতি যথার্থ সম্মান প্রদর্শন করা হতো। একইসঙ্গে স্বাধীনতাবিরোধীরা কখনোই আর ষড়যন্ত্র করার সুযোগ পেত না।

মুক্তিযুদ্ধের দীর্ঘ নয় মাস যে গণহত্যা চলেছে, বাংলার বুকে যে নির্যাতনের রেখা অংকিত হয়েছে, তা আমাদের তরুণ প্রজন্মকে অনুধাবন করানোর জন্য রাষ্ট্রীয়ভাবে পদক্ষেপ নিতে হবে। শিক্ষাক্ষেত্রে মূল গোড়াপত্তনের আগেই প্রজন্মের মাথায় মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস, শহীদের আত্মত্যাগ এবং বাঙালি জাতীয়তাবাদের যে তীব্র আকাঙ্ক্ষা থেকে আমাদের স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম, তা গেঁথে দিতে হবে। যুগ যুগ ধরে শোষণের বেড়াজাল থেকে মুক্তি পাওয়ার আকুলতা নিয়ে নিমগ্ন থাকা এই জাতিকে যিনি স্বাধীনতার পথ দেখিয়েছিলেন, সেই মহান নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে হবে। জাতির পিতাকে প্রজন্মের বুকে ধারণ করতে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। তার জীবনের বাঁকগুলোই প্রজন্মকে সঠিক পথ দেখাবে, দেবে শিকড়ের সন্ধান!

বঙ্গবন্ধুর নিজের লেখা ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ আমাদের মাধ্যমিক শিক্ষাপাঠ হিসেবে চালু করার জোর দাবি জানাচ্ছি। সম্প্রতি গবেষণাধর্মী প্রতিষ্ঠান CRI-এর উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গ্রাফিক্স নোবেল ‘মুজিব’ শিরোনামে বেশ কয়েকটি সংখ্যা বেরিয়েছে। এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। আমাদের শিশুশ্রেণীর জন্য এই গ্রাফিক্স নোবেল অবশ্য পাঠ্য করা উচিত এবং সরকারি উদ্যোগে এটি শিশুদের হাতে তুলে দেওয়া উচিত। এই একই প্রক্রিয়ায় আমাদের মুক্তিযুদ্ধ, যুদ্ধের মহানায়ক, শহীদ বুদ্ধিজীবী, বিরাঙ্গনা, গণহত্যায় নিহত ব্যক্তিদের আত্মত্যাগ আমাদের শিশুদের সামনে তুলে ধরা উচিত। তাদের কচি মনে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। তাহলে তারা কখনোই বিপথগামী হবে না বলে আমি বিশ্বাস করি। আমাদের শহীদদের ত্যাগ, মুক্তিকামী জনগণের আকাঙ্ক্ষা তুলে ধরার জন্য চলচ্চিত্র হতে পারে একটি বড় মাধ্যম। সরকারিভাবে প্রয়োজনীয় অনুদান দেওয়া হোক যুদ্ধের গণহত্যাভিত্তিক চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য। আমরা যারা নব্বই দশকে শিশুকাল অতিক্রম করেছি, চলচ্চিত্র আমাদের ওপর বড় একটি প্রভাব ফেলেছে বলে আমি মনে করি। বর্তমান সময়ে প্রযুক্তি আরও উন্নত হয়েছে।  প্রযুক্তির ব্যবহারে নতুন করে চলচিত্র নির্মাণের জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। পাব্লিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে বিভাগ খোলা আজ সময়ের দাবি। সেইসঙ্গে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণের লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের বৃত্তির ব্যবস্থা করে দিতে হবে, যেন তাদের ভেতরে আগ্রহের সৃষ্টি হয়। তারা উৎসাহী হয়ে ওঠে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়কে ঢেলে সাজাতে হবে। শুধু সার্টিফিকেট আর ভাতা দান করাই যেন তাদের মূল লক্ষ্য না হয়, সেই বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে।

যদি আমরা এই বিষয়গুলো সঠিকভাবে চর্চা করতে পারি, তাহলে আমরা কখনোই পথহারা হব না। শত চেষ্টা করেও স্বাধীনতাবিরোধীরা আমাদের শেকড়হীন করতে পারবে না। বিশ্বইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে যে, বিভিন্ন জাতি, সভ্যতা ধ্বংস হয়ে গিয়েছে শুধু পরিচয়হীনতার কারণে। যে স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে আমাদের পূর্ব পুরুষদের রক্তের বিনিময়ে, সেই স্বাধীনতাকে ধরে রাখা আমাদের আদর্শিক দায়িত্ব। আজ ২৫ মার্চ সারাদেশে গণহত্যায় নিহত শহীদদের স্মরণে প্রার্থনায় থাকুক সেই সংকল্প, যেন আমার দেশের শহীদদের ত্যাগ নিয়ে কেউ আর চক্রান্ত করতে না পারে। স্বাধীনতাবিরোধীরা সুচতুরভাবে গবেষণার নাম করে একাত্তরের শহীদের সংখ্যা নিয়ে যেন আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করতে না পারে সেজন্য আমাদের আইন প্রণেতাদের উচিত এর বিরুদ্ধে দ্রুত আইনপ্রণয়ন করা। একটি সুস্থ ও সুন্দর প্রজন্মের নিশ্চয়তা দিতেই একটি আধুনিক রাষ্ট্রের গোড়াপত্তন। আজ থেকে শুরু হোক সে কাঙ্ক্ষিত প্রজন্মের নির্মাণ কাজ। উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় উন্নয়ন হোক প্রজন্মেরও!  

লেখক: গবেষণা সহকারী, এক্সেস টু ইনফরমেশন প্রোগ্রাম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

লাইভ

টপ