শফিউল আলম প্রধানদের রাজনীতি

Send
ফজলুল বারী
প্রকাশিত : ১৩:৪৪, মে ২৩, ২০১৭ | সর্বশেষ আপডেট : ১৪:০৫, মে ২৩, ২০১৭

Fazlul Bariএরশাদ আমলে শফিউল আলম প্রধানের ইন্টারভিউ করতে প্রথম তার জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি জাগপার কাপ্তান বাজারের অফিসে যাই। সময়টা ছিল সন্ধ্যার পর। অফিসটায় ঢুকতেই চমকে ওঠি। আশেপাশের দোকানপাট বিদ্যুতের আলোয় ঝলমল থাকলে ওই অফিসটা ছিল বিদঘুটে অন্ধকার! অনেকগুলো কেরোসিনের কুপি জ্বলছিল অফিসটার এখানে সেখানে। শফিউল আলম প্রধান আমাকে বলেন বিদ্যুৎ বিহীন গরিব মানুষজনের কষ্ট বুঝতে তাদের প্রতি সংহতি জানাতে তারা অফিসে বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন না! পরে অবশ্য বিদ্যুৎ বিভাগের এক কর্মকর্তা আমাকে বলেছিলেন বিশাল অংকের বকেয়া বিদ্যুৎ বিলের কারণে তারা অফিসটির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছেন। এমন এক মিথ্যা দিয়ে শফিউল আলম প্রধানের সঙ্গে আমার প্রথম মোলাকাত হয়।
শফিউল আলম প্রধান তখন সাতদলীয় জোটের নেতা। আওয়ামী লীগের পনের দলীয় জোটের বিপরীতে বিএনপির নেতৃত্বে তখন এই সাত দলীয় জোট গঠন করা হয়। সেখানে বিএনপি ছাড়া আর কোনও দলেরই ঘটিবাটি ঠিক ছিল না। ওই সময় অবশ্য ছাত্রদল ছাড়া বিএনপির সে রকম সংগঠনও ছিল না। আজকের বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ সহ বেশিরভাগ নেতাকর্মী খালেদা জিয়াকে ফেলে এরশাদের কাছে চলে গিয়েছিলেন। আজকের বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বাবা ঠাকুরগাঁওর রাজাকার মির্জা রুহুল আমিন চোখা মিয়াও চলে গিয়েছিলেন এরশাদের কাছে। কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের বিপরীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের নেতৃত্বে একটি জোট ছিল সংগ্রামী ছাত্রজোট। শফিউল আলম প্রধানের একখণ্ড ছাত্রলীগ ছিল তখনও। সংগ্রামী ছাত্রজোটের সদস্য সংগঠন ছিল তার এই শাখা ছাত্রলীগ। কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদে আওয়ামী লীগের ছাত্রলীগের পাশাপাশি জাসদ ছাত্রলীগ, বাসদ ছাত্রলীগ, আব্দুর রাজ্জাকের বাকশালের জাতীয় ছাত্রলীগ সহ আরও বেশ কয়েকটি ছাত্র সংগঠন ছিল। কিন্তু শফিউল আলম প্রধান যিনি একসময় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি এবং তার ছাত্রলীগ সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুর খালেদার জোটে থাকার কারণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাত ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর হত্যাকাণ্ড।

এই ঘটনাটি চলুন আবার একটু জানি। ৪ এপ্রিল ১৯৭৪।  দিবাগত রাত ১টা ২৫। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সূর্যসেন হলে প্রথম ২/৩ রাউন্ড গুলির শব্দ শোনা যায়। শফিউল আলম প্রধানের নেতৃত্বে একদল অস্ত্রধারী সূর্যসেন হলের পঞ্চম তলায় ওঠে প্রথমে ৬৩৪ নম্বর রুমের দরজায় ধাক্কাধাক্কি করে কোহিনুর নাম ধরে ডাকতে থাকে। রুমের ভেতর থেকে এক ছাত্র পাশের রুমে যোগাযোগ করতে বলার পর অস্ত্রধারীরা পাশের ৬৩৫ নম্বর কক্ষের সামনে গিয়ে দরজা ধাক্কাধাক্কি করতে থাকলে দরজা খুলে দেন নাজমুল হক কোহিনুর। অস্ত্রধারীদের নির্দেশমতো মাথার ওপর হাত তুলে বের হন কোহিনুরসহ ওই রুমে থাকা আরো ছাত্র। অস্ত্রধারীদের অপর একটি যায় গ্রুপ ৬৪৮ নম্বর রুমে।

ওই রুম থেকে আরও ৩ জন ছাত্রকে একই কায়দায় বের করে নামিয়ে আনতে থাকে হলের নিচে। দোতলা পর্যন্ত নামার পর অস্ত্রধারীরা ২১৫ নম্বর রুমের সামনে গিয়ে আরও ১ এক ছাত্রের খোঁজ করতে থাকলে বিপদ আঁচ করতে পেরে ওই ছাত্র জানালা ভেঙে দোতলা থেকে নিচে লাফিয়ে পড়েন। অস্ত্রধারীরা দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে পলায়নরত ওই ছাত্রকে জানালা দিয়ে গুলি করতে থাকে।  ছাত্রটি পালিয়ে যাওয়ার পর দু'রুম থেকে অস্ত্র তাক করে নিয়ে আসা ৭ সাত জন হতভাগ্য ছাত্রকে সূর্যসেন হল থেকে নিয়ে যাওয়া হয় মুহসিন হলে। রাত ২টা চার মিনিট। মুহসিন হলের টিভি রুমের সামনের করিডরে ওই ৭  ছাত্রকে দাঁড় করিয়ে ব্রাশফায়ারে হত্যা করা হয়। রক্তে ভেসে যায় পুরো করিডর। রাত ২টা ১১ মিনিটে গুলিবিদ্ধ ওই ছাত্ররা ছটফট করতে করতে সেখানেই প্রাণ হারান। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর অস্ত্রধারীরা ফাঁকা গুলি ছুঁড়তে ছুঁড়তে রাত ২টা ২৫ মিনিটে  ঘটনাস্থল ছেড়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে সামান্য দূরে পুলিশ ফাঁড়ি। আর অন্যদিকে পুলিশ কন্ট্রোল রুম। অস্ত্রধারীরা হত্যাযজ্ঞ শেষ করে রাত ২টা ২৫ মিনিটে ঘটনাস্থল ছেড়ে যাওয়ার আড়াই ঘণ্টা পর ভোর ৪টা ৫৫ মিনিটে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ৭ (সাত) ছাত্রের লাশ ময়নাতদন্তের জন্যে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠায়।

মুহসিন হলে নিহত ছাত্রলীগের সেই নেতাকর্মীরা হলেন,  (১) নাজমুল হক কোহিনুর, সোশিওলোজি এমএ ২য় পর্ব, গ্রাম বৈলা, রূপগঞ্জ। (২) মো. ইদ্রিস, এমকম ১ম পর্ব, ১১৫/১১৬ চক মোগলটুলী, ঢাকা। (৩) রেজওয়ানুর রব, প্রথম বর্ষ (সম্মান), সোশিওলোজি, ৩৯/২, পাঁচ ভাই ঘাট লেন, ঢাকা। (৪) সৈয়দ মাসুদ মাহমুদ, প্রথম বর্ষ (সম্মান) সোশিওলোজি, ৩৪ ঠাকুর দাস লেন, বানিয়ানগর, ঢাকা। (৫) বশিরউদ্দিন আহমদ (জিন্নাহ), এমকম ১ম পর্ব, ২৯ ডিস্ট্রিলারি রোড, ঢাকা। (৬) আবুল হোসেন প্রথম বর্ষ (সম্মান) সোশিওলোজি, পাইকপাড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া। এবং (৭)) এবাদ খান, প্রথম বর্ষ (সম্মান) সোশিওলোজি, পাইকপাড়া, ধামরাই।

নারকীয় হত্যাযজ্ঞের পর পুলিশি তদন্তে বেরিয়ে আসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই নারকীয় ঘটনা ঘটে এবং এই হত্যাযজ্ঞে শফিউল আলম প্রধান সরাসরি জড়িত। ঘটনার ৩ দিন পর পুলিশ শফিউল আলম প্রধান, কামরুজ্জামান ওরফে কামরুল এবং মাহমুদুর রহমান ওরফে বাচ্চু নামে তিনজনকে গ্রেফতার করার পর বিচার কাজ শুরু হয়।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আমলেই তাদের বিচার শুরু হয়। শফিউল আলম প্রধানকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয় বিচারে। কিন্তু পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট স্বপরিবারে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হতে পারেনি। জিয়া'র সামরিক সরকার আমলে তাকে বিএনপিতে যোগদানের শর্তে ক্ষমা ঘোষণা করে মুক্তি দেওয়া হয়। সেই থেকে এক সময়কার ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক জিয়ার প্রতি তার জীবন রক্ষার কৃতজ্ঞতায় সব সময় আওয়ামী বিরোধী রাজনীতি করেছেন। কট্টর ভারত বিরোধিতাও ছিল তার বক্তৃতার অন্যতম উপজীব্য বিষয়। পঁচাত্তর পরবর্তী রাজনৈতিক জীবনে বঙ্গবন্ধুর খুনি এবং যুদ্ধাপরাধী জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে বরাবর তার দহরম মহরম সম্পর্ক ছিল। এক সময় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন আর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে বক্তৃতায় কী রকম জঘন্যসব শব্দ তিনি ব্যবহার করতেন তার বক্তৃতা যে সব সাংবাদিক অ্যাসাইনমেন্ট কভার করতে গিয়ে শুনেছেন তারা জানেন। বিদেশে থাকায় পঁচাত্তরের খুনিদের হাত থেকে বেঁচে যাওয়া শেখ হাসিনাকে নিয়মিত বলতো ‘ঘসেটি বেগম’! কী ক্রোধ! কেন শেখ হাসিনা-শেখ রেহানা বেঁচে গিয়ে বঙ্গবন্ধুর বংশরক্ষা হলো? জাতির পিতার গড়া ছাত্রলীগের সাবেক এক নেতার এমন ক্রোধ নিয়ে আগামীতে নিশ্চয় গবেষণাও হবে।

বাংলাদেশের এত যে রাজনৈতিক দল এগুলোর খরচ কিভাবে, এর নেতাকর্মীদের আয়-রোজগারের খাত শুনলে চমকে যেতে হয়। আওয়ামী লীগ-বিএনপিকে টাকা দেওয়ার লোকজনের অভাব দেশে-বিদেশে নেই। কিন্তু জাগপার মতো দলগুলোকে টাকা দিতো কে? একবার এক পিলে চমকানো তথ্য পেলাম। ভারত বিরোধী রাজনীতির প্রবক্তা শফিউল আলম প্রধানকে টাকা দিতো ভারতীয় একটি পক্ষ! কারণ কী এর? বলা হয় ভারতীয়রা জানে বাংলাদেশে ভারত বিরোধী রাজনীতি আছে, থাকবে। এই ভারত বিরোধীদের নিজস্ব ঘেরাটোপে রাখতে এরা এদেরকে টাকা দিতো। বাংলাদেশের আরও কিছু ছোটদলকে অফিস খরচা সহ কর্মসূচি ভিত্তিক নিয়মিত টাকা দেয় ভারতীয়রা। ঠাণ্ডামাথায় বাংলাদেশে ব্যবসা করতে ভারত বিরোধী দল হিসাবে চিহ্নিত বিএনপিকে ক্ষমতায় চাইতো ভারতীয় ব্যবসায়ীরা! ১৯৯১ সালের নির্বাচনের আগে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের টাকা বিএনপির নির্বাচনি তহবিলে দেওয়ার কথা ইন্টারভিউয়ে দিয়ে বলেছেন ত্রিপুরার তৎকালীন মূখ্যমন্ত্রী নৃপেন চক্রবর্তি। ভারতীয় টাকার বিষয়টি নিয়েও শফিউল আলম প্রধানের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। খুব স্বাভাবিক তিনি এর সত্যতা অস্বীকার করেছেন। তার বিরুদ্ধে পেট্রোল পাম্প ডাকাতির মামলাও হয়েছে।

বিদেশে রাজনীতি একটি পেশা। রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরাও নানা কাজ করেন। অথবা সর্বক্ষণিক নেতাকর্মীদের পার্টি থেকে ভাতা দেওয়া হয়। আমাদের কোনও রাজনৈতিক কর্মীকে যদি মাসে ঘোষিত ভাবে কুড়ি হাজার টাকা বেতন বা ভাতা দেওয়া হতো তার জীবনটা কত টাকার তা আমরা যাচাই করতে পারতাম। জনসেবার নামে বাংলাদেশের গোটা রাজনৈতিক সেক্টরটিই দুর্নীতিগ্রস্ত। অথচ এরা নিয়মিত দেশের এবং অন্যদের দুর্নীতি নিয়ে কথা বলেন। এরজন্যে বাংলাদেশের রাজনীতি দুর্নীতিমুক্ত হয় না! এখনকার পার্লামেন্টতো ভয়াল একটি সংগ্রহশালা। এমপির নামের সঙ্গে ইয়াবা পদবিও যুক্ত আছে!

অনেকে হয়তো জানেন এরশাদের বিরুদ্ধে সাতদলীয় জোটে রাজনীতি করা শফিউল আলম প্রধান, শওকত হোসেন নিলু এরা যার যার দল বিলুপ্ত করে মাঝে এরশাদের জাতীয় পার্টিতেও যোগ দিয়ে জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্যও হয়েছিলেন। তখন রওশন-বিদিশা এরশাদের দুই বিবিও জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য! এই দু’জন সেখানে অবশ্য বেশিদিন টিকতে পারেননি। এরশাদ-বিদিশা-তারেক গং তখন ভারতীয়দের আরও কাছে পৌঁছবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শফিউল আলম প্রধান যে স্টাইলে ভারতকে আক্রমণ, শেখ হাসিনাকে নিয়ে বাজে মন্তব্যে অভ্যস্ত, এরশাদের জাতীয় পার্টিতে গিয়ে সে রকম বক্তৃতার পরিবেশ হারিয়ে তার দমবদ্ধ হয়ে মরার অবস্থা হয়ে গিয়েছিল। বাঁচার তাগিদে সেদিন তিনি সেখান থেকে বেরিয়ে আসাতে আরও অনেকদিন বেঁচে ছিলেন। 

ভুল রাজনীতি অথবা বেহিসেবি রাজনীতির কারণে বাংলাদেশের কত রাজনীতিক হাস্যস্পদ, অন্যের অনুগ্রহের পাত্র হয়েছেন। এক রকম হারিয়ে গেছেন!  আ স ম আব্দুর রব প্রথম স্বাধীনতার পতাকা তুলেছিলেন, শাহজাহান সিরাজ পড়েছিলেন স্বাধীনতার ইশতেহার, তাদের অবস্থান আজ কোথায়। শফিউল আলম প্রধান স্বাধীনতার পর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি হঠাৎ করে সেদিন বায়তুল মোকাররমে বঙ্গবন্ধু সরকারকে দুর্নীতিবাজ প্রমাণের উদ্যোগ নিয়েছিলেন, আজকের সাংবাদিক মতিউর রহমান চৌধুরীকে দিয়ে দুর্নীতির ফিরিস্তি পড়িয়েছিলেন কাদের স্বার্থে? এর মাঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করতে পারায় জিয়া তার জীবন বাঁচাতে পেরেছেন ঠিক, পঁচাত্তরে প্রাণদণ্ড না হওয়াতে আরও ৪২ বছর এক্সটেনশন লাইফ পাওয়ার পরও কিন্তু বঙ্গবন্ধু, আওয়ামী লীগ, স্বাধীনতা বিরোধীদের ধামাধরা রাজনীতি বা সাংবাদিকতার নামে নিজের কম্পিউটার নিজে ভেঙে হৈচৈ করা ছাড়া এদের অর্জনটা কী? রাজনীতিতে নতুন প্রজন্ম অনুসরণীয় মডেল চায়। কিন্তু তেমন মডেল পাওয়া যাচ্ছে না বা যাদের সম্ভাবনা ছিল অন্যের ধামা ধরতে তারা হারিয়ে যাচ্ছেন, ওই অবস্থায় তাদের মৃত্যুবরণ করে তাদের শোকবানী সম্বল করে মাটির ঘরে চলে যেতে হচ্ছে যাদের রাজনীতির বিরুদ্ধেই শুরু হয়েছিল যাদের কৈশোর-যৌবনের পবিত্র রাজনৈতিক শপথ! সেই পথভ্রষ্টদের একজন আর মুসহিন হলের সাত খুনের মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ছাড়া ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে শফিউল আলম প্রধানেরও কোনও পরিচয় থাকবে না।   

লেখক: অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী সাংবাদিক

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

লাইভ

টপ