ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে অবিশ্বাসের ছাপ

Send
আনিস আলমগীর
প্রকাশিত : ১৩:৩২, জুলাই ২৮, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১২:৩৩, জুলাই ২৯, ২০২০

আনিস আলমগীরগত ২২ জুলাই বুধবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। দুই দেশের সরকারি ভাষ্য যোগ করলে দেখা যায়, কথাবার্তায় ইমরান খান শ্রদ্ধা, বিশ্বাসের সঙ্গে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের কথা বলেন এবং ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মির পরিস্থিতি সম্পর্কে পাকিস্তানের দৃষ্টিভঙ্গি শেখ হাসিনার কাছে ব্যাখ্যা করেছেন। তারা চলমান করোনা পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেছেন।
এর আগে গত বছরও দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী টেলিফোনে কথা বলেছেন। তবে চলমান সার্বিক ভূকৌশলগত পরিস্থিতিতে ২২ জুলাই ২০২০ তারিখে শেখ হাসিনা ও ইমরান খানের ফোনালাপ নিয়ে মনে হচ্ছে কিছুটা অস্বস্তিতে রয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। যদিও মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এই নিয়ে প্রকাশ্যে তেমন কোনও উদ্বেগ প্রকাশ করেননি। দুই নেতার আলোচনা নিয়ে পাকিস্তান বলেছে ইমরান খান ভারত অধিকৃত কাশ্মির নিয়ে শেখ হাসিনার সঙ্গে বিস্তারিত কথা বলেছেন। বাংলাদেশের ভাষ্যে বিবৃতিতে জম্মু-কাশ্মিরের কোনও কথা উল্লেখ ছিল না। আপাতত দিল্লি এই বিষয়টির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে বেশি। ভারতীয় পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব বলেছেন, জম্মু ও কাশ্মির ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় এটা বাংলাদেশ কর্তৃক স্বীকৃত বিষয়, তাদের এই অবস্থানকে ভারত সম্মান করে। 

বাংলাদেশ-পাকিস্তান দুই দেশের দুই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শুভেচ্ছার নিদর্শন হিসেবে ফোনালাপ হতেই পারে। অনুরূপ ফোনালাপে কখনও এজেন্ডা ঠিক করে হয় না। শেখ হাসিনা ও ইমরান খানের ফোনালাপে কাশ্মির প্রসঙ্গ আলোচনা আসায় ভারতের পররাষ্ট্র দফতরের অস্বস্তির প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে সেখানকার সরকারি ইশারায় চলা মিডিয়াগুলোতে। বেশ কিছু দিন ধরে ভারতীয় মিডিয়ায় বাংলাদেশবিরোধী প্রচারণা চলছে। বিশেষত চীনের সঙ্গে ভারতের সাম্প্রতিক উত্তেজনায় বাংলাদেশের নিরপেক্ষ ভূমিকায় তারা কিছুটা হতাশ। এর আগে পুলাওয়ান ওয়ালায় কাশ্মিরি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হামলায় ভারতীয় সেনা নিহতের ঘটনায় বাংলাদেশ নিন্দা জানালেও ভারত-চীন সীমান্তের গালওয়ান উপত্যকায় ভারতের ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তাসহ ২০ সেনা সদস্য নিহতের ঘটনায় বাংলাদেশ কিছু বলেনি কেন–সেটাই ইস্যু।

এতে করে ভারত নয় শুধু, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বাস করা ভারতপন্থী লোকেরা মনে করছেন, বাংলাদেশের এই নীরবতা হয়তো ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে পরিবর্তনের আভাস। এরাই কিছুদিন আগে চীন-ভারত উত্তেজনাকালে ঢাকায় গুটিকয়েক লোক নিয়ে চীনা বিরোধী স্লোগান দিয়ে মানববন্ধন করেছে। বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী ব্যানারে আয়োজিত সে অনুষ্ঠানে সিংহভাগই লোক ছিল একটি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের। সরকার এই ক্ষেত্রেও কোনও বাধা দেয়নি। ঢাকার মিডিয়ায় এটি গুরুত্বহীন সংবাদ হলেও কয়েকটি ভারতীয় মিডিয়ায় তাকে ফলাও করে প্রচার করা হয়েছে। দৃশ্যত বাংলাদেশ সরকার যেমন চীন-ভারতের বিরোধ নিয়ে উদ্বেগহীন, সাধারণ জনগণও এটা নিয়ে এখানে মাথা ঘামাচ্ছে না।

চীন-ভারত উত্তেজনায় পর ভারতীয় মিডিয়া বাংলাদেশের বিরুদ্ধে প্রচার চালাচ্ছে, বাংলাদেশ হয়তো চীনের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকা তার প্রতিবেদনে বলেছে, প্রতিবেশী বলয়ে চীন ও পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে ভারতের উদ্বেগ রয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্ক উন্নয়ন চেষ্টায় ইসলামাবাদের সক্রিয়তার পেছনে চীনের কতটা হাত রয়েছে তা নাকি ভারত খতিয়ে দেখবে। ছোট ছোট প্রতিবেশী ভারতের অনেক কর্মকাণ্ডে সন্তুষ্ট নয়। নেপাল এরইমধ্যে ভারতের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়েছে। সে কারণেই হয়তো ভারতের মনে যেই চীন-আতঙ্ক বিরাজ করছে সেটি তারা ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের ওপরও চাপিয়ে দিতে চাচ্ছে। বাংলাদেশ কখনও প্রতিবেশী রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মাথা ঘামায় না। ভারতের সঙ্গে চীন ও পাকিস্তানের যে সম্পর্ক সেটি তাদের সমস্যা, বাংলাদেশ পররাষ্ট্রনীতি অনুসারে সেখানে মাথা ঘামানোর কথা না।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, চীন-ভারত উত্তেজনায় বাংলাদেশ নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকা বা এরপর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিফোন আলাপ করায়- বাংলাদেশ চীন-পাকিস্তান বলয়ে ঝুঁকে যাচ্ছে বলে ভারতীয় মিডিয়া যে প্রোপাগান্ডা শুরু করেছে, তাতে আলটিমেটলি বাংলাদেশ-ভারতের রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চলে আসা দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে বিরূপ প্রভাব পড়বে। এমনিতে কাশ্মিরে মুসলমানদের ওপর নির্যাতন, তাদের মানবাধিকার লঙ্ঘন, মুসলমান নাগরিকদের হয়রানির উদ্দেশ্যে করা এনআরসি নিয়ে বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মনে ভারত সম্পর্কে দিন দিন ক্ষোভ, অসন্তোষ বাড়ছে।

আমি আশ্চর্য হয়েছি, ভারতীয় পত্রিকার সুরে বাংলাদেশের একটি পত্রিকা ভোরের কাগজও কথা বলেছে। গত ২৪ জুলাই পত্রিকাটির সম্পাদক শ্যামল দত্ত ‘সম্পর্কে নতুন মোড়!’ শিরোনামে একটি সংবাদ বিশ্লেষণ লেখেন, যা পক্ষান্তরে বাংলাদেশ নিয়ে ভারতীয় মিডিয়ার সাম্প্রতিক প্রোপাগান্ডার চর্বিত চর্বণ।

শ্যামল দত্তের সংবাদ বিশ্লেষণের মূল বিষয় হচ্ছে, ২০১৯ সালে বাংলাদেশের নতুন মন্ত্রিসভা গঠিত হওয়ার পর থেকে নাকি ভারতীয় প্রকল্পগুলোর কার্যক্রম পিছিয়ে পড়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ভারতকে গুরুত্ব দিচ্ছে না, চীনকে গুরুত্ব দিচ্ছে এবং সরকারের মধ্যকার পাকিস্তানপন্থীরা বাংলাদেশকে চীন-পাকিস্তান বলয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এমনকি মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামী লীগেও পাকিস্তানি ভাবধারার লোকেরা নাকি জায়গা করে নিয়েছে শক্তভাবে। শেখ হাসিনাকে ইমরান খান টেলিফোন করে সম্পর্ক উন্নয়ন করার আগ্রহ প্রকাশ তারই আলামত বলে প্রমাণ করতে চেয়েছে সে।

শ্যামল উদাহরণ হিসেবে এনেছেন, ভারতের উদ্বেগ সত্ত্বেও সীমান্তবর্তী সিলেট বিমানবন্দর সম্প্রসারণের প্রকল্প চীনা কোম্পানিকেই দেওয়া হয়েছে। ঢাকায় দায়িত্বরত ভারতের হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলি দাস গত ৪ মাসে অ্যাপয়নমেন্ট চেয়েও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ পাননি বলে ভারতীয় গণমাধ্যমে নাকি খবর বেরিয়েছে। ভারত মাস্কসহ কিছু করোনা প্রতিরোধক সামগ্রী দিয়েছে, বাংলাদেশ তার জন্য লিখিত ধন্যবাদ জানায়নি ইত্যাদি।

হাস্যকর বিষয় হচ্ছে, শ্যামল দত্ত ভারতীয় পত্রিকার সূত্র দিয়ে সংবাদ করেছেন। তার লেখাকে উল্লেখ করে ভারতীয় দি হিন্দু পত্রিকা রিপোর্ট করেছে চীন-পাকিস্তান বলয়ে চলে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আবার হিন্দু পত্রিকার সূত্র দিয়ে পাকিস্তানের ডন পত্রিকায় তাদের দিল্লি সংবাদদাতা একই কথা বলছে। আবার দি হিন্দু এবং ডন পত্রিকা এটা নিয়ে কী লিখেছে শ্যামল আবার ভোরের কাগজে তার অনুবাদ করছে। একই জিনিস দিল্লি-ঢাকা-দিল্লি-ঢাকা চক্রাকারে ঘুরছে।

আমার দৃষ্টিতে সাংবাদিকদের জাতীয়তাবাদী, উগ্র দেশপ্রেমিক হওয়া জরুরি না, যেটি উপমহাদেশে ভারতীয় সাংবাদিকদের মধ্যে ক্যানসার হিসেবে দেখা দিয়েছে। ওরা রাষ্ট্রযন্ত্রের সঙ্গে সুর মিলিয়ে প্রতিবেশীকে ঘায়েল করে, অবমাননা করে রিপোর্ট করে আসছে বহুদিন ধরে, যার বেশিরভাগই হচ্ছে উগ্র জাতীয়তাবাদ এবং সাম্প্রদায়িকতায় পরিপূর্ণ। সে কারণে আমি বাংলাদেশের পক্ষ না নিয়ে ভারতের পক্ষে কলম ধরার জন্য শ্যামল দত্তকে অভিযুক্ত করি না। আমি তাকে অভিযুক্ত করি নির্লজ্জভাবে ভারতীয় সুরে সুর মিলিয়ে বাংলাদেশের আত্মমর্যাদাকে আঘাত করে, ভারতীয় স্বার্থে, মনগড়া সংবাদ দেওয়ার জন্য। বাংলাদেশের পক্ষ নেওয়া এখানে জরুরি না, নিরপেক্ষ থাকা জরুরি।

শ্যামল পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে শর্ত দিয়ে লিখেছেন, ‘সম্পর্কের উন্নয়ন হতে হবে ন্যায্যতা, সমতা ও পরস্পরের মর্যাদার ভিত্তিতে।’ আবার দৃশ্যত ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ককে দেখতে চাচ্ছেন নতজানু থাকার ভিত্তিতে। তার লেখায় আগাগোড়া সেই বার্তাই দিচ্ছে। বাংলাদেশ তার পররাষ্ট্রনীতি কী হবে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কোন দেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবেন আর না বলবেন–সেটা কি দিল্লির অনুমতি নিতে হবে! দুটি প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সরকারপ্রধানদের টেলিফোনে কথা বলা একটি মামুলি রাষ্ট্রীয় সৌজন্যতার বিষয়। পাকিস্তানের সঙ্গে আমাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন হয়নি বা আমরা যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নেই যে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বললে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জাত চলে যাবে। 

বাংলাদেশ তার একটি বিমানবন্দর টার্মিনাল নির্মাণের চুক্তি কার সঙ্গে করবে সেটা দিল্লিকে জানাতে হবে কেন! দিল্লির উদ্বেগকে ঢাকার কেন গুরুত্ব দিতে হবে আর টার্মিনাল নির্মাণের সঙ্গে উদ্বেগের সম্পর্ক কী! সেভেন সিস্টার নিয়ে দিল্লির যা উদ্বেগ বাংলাদেশ তো তার সমাধান করে দিয়েছে বহু আগেই। বরং ভারতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ভারতের হাতে তুলে দিয়ে, নিজের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা হুমকির মধ্যে ঠেলে দিয়েছে।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এই করোনার মধ্যে ভারতীয় হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলি সাক্ষাৎ চেয়েছেন এটা আমার কাছে বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়নি। এটার জন্য আবার ভারতীয় মিডিয়ার সূত্র দিতে হবে কেন! সত্যতা কতটুকু তা নিজে খোঁজ নিলেই হতো। আর সাক্ষাৎ চাইলেই করোনার মধ্যে কাজ ফেলে প্রধানমন্ত্রী তাকে সাক্ষাৎকার দেওয়া জরুরি হলো কেন! দিল্লিতে নিয়োজিত বাংলাদেশি হাইকমিশনার তার মেয়াদকালে ক’বার সাক্ষাৎ পান সে দেশের প্রধানমন্ত্রীর। রিভা গাঙ্গুলি তো প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ পেয়েছেন এর মধ্যে। যেহেতু তিনি চলে যাবেন- হয়তো প্রধানমন্ত্রী তাকে বিদায়ী সাক্ষাতেরও সুযোগ দেবেন। এটাকে ইস্যু বানিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক খারাপ যাচ্ছে প্রমাণ করাতো রিভা গাঙ্গুলির জন্যও নিশ্চয়ই সম্মানের না।

আমি আগেও একদিন বলেছি, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের যেমন জন্মকালের সম্পর্ক রয়েছে, চীনের সঙ্গেও সুসম্পর্ক সবসময় বিদ্যমান। বাংলাদেশের ঘাড়ে ১০ লাখ রোহিঙ্গা। চীনের সহযোগিতা দরকার এদের ফেরাতে। চীন বিশ্বের এক নম্বর ধনী রাষ্ট্র হওয়ার পথে। বাংলাদেশের জন্য তার দুই প্রতিবেশীর সহযোগিতা দরকার। চীন-ভারতের বিরোধে বাংলাদেশ যেন তার নিরপেক্ষ ভূমিকা থেকে নড়াচড়া না করেন। চীন-ভারত কারও দিকে ঝুঁকে পড়ার দরকার নেই।

আর ভারতকে মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশ কারও অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কথা বলে না। বাংলাদেশও চায় যে তার অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে কোনও প্রতিবেশী যেন মাথা না ঘামায়। বাংলাদেশ চীন থেকে সাবমেরিন কেনার পর তখনও ভারতীয় নেতারা, মিডিয়া বিশ্লেষকরা এখনকার মতো বিরূপ প্রচারণা শুরু করেছিল। প্রশ্ন করেছিল বাংলাদেশ কার সঙ্গে যুদ্ধ করবে? যুদ্ধ করতে বড় দেশ হতে হয় না। মাত্র ৯ মিলিয়ন জনবসতির ক্ষুদ্র ইসরায়েল একাই মধ্যপ্রাচ্যের চারশ মিলিয়ন মুসলমানের সঙ্গে যুদ্ধ করে অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছে গত সাত দশক ধরে। কাশ্মিরের সাড়ে ১২ মিলিয়ন মানুষকে দমিয়ে রাখতে ভারত দশকের পর দশক এক মিলিয়ন মিলিটারি মোতায়েন করে রেখেছে সেখানে।

লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট, ইরাক ও আফগান যুদ্ধ-সংবাদ সংগ্রহের জন্য খ্যাত।

[email protected]

/এসএএস/এমএমজে/এমওএফ/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

লাইভ

টপ