যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন জানিয়েছে, ইউরোপে নির্দেশ পাওয়া মাত্র মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে কয়েক হাজার মার্কিন সেনা। তারা ন্যাটোর রেসপন্স ফোর্সে যোগ দিতে পারবে। বহুজাতিক এই বাহিনীকে যেকোনও প্রয়োজনে দ্রুত মোতায়েন করতে পারে ন্যাটো। মার্কিন সাময়িকী নিউজউইক এ খবর জানিয়েছে।
ইউক্রেনে রুশ হামলার ঘটনায় ন্যাটোর রেসপন্স ফোর্স (এনআরএফ)-কে প্রথমবারের মতো সক্রিয় করা হয়েছে। ন্যাটো জোটের সদস্যদের সহযোগিতার জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। রাশিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় ন্যাটো সদস্য দেশগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র ১২ হাজার সেনা মোতায়েনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
পেন্টাগনের প্রেস সেক্রেটারি জন কিরবি জানান, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে বহুমুখী মিশন ইউনিটের অনেক সদস্যকে মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত রেখেছে। এর ফলে এনআরএফ-এ ধারণার চেয়ে কম সময়ে আমাদের সেনারা যোগ দিতে পারবে।
তিনি আরও বলেন, এনআরএফকে সহযোগিতার জন্য ন্যাটো আহ্বান জানালে আমরা প্রস্তুত।
এনআরএফ-এ কতজন মার্কিন সেনা মোতায়েন করা হবে তা জানানো হয়নি। ইউরোপ ইতোমধ্যে কয়েক হাজার সেনা সমাবেশ করেছে। ইউরোপের প্রায় ৮০ হাজার সেনা স্থায়ীভাবে মোতায়েন রয়েছে, ১২ হাজার সেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। জার্মানি, ইতালি ও গ্রিসে ২ হাজার সেনা অবস্থান করছে। মিলিটারি টাইমস এসব তথ্য জানিয়েছে।
এক বিবৃতিতে ন্যাটো জানিয়েছে, ইউক্রেনে রাশিয়ার অযৌক্তিক আক্রমণের পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ন্যাটো এনআরএফ-কে প্রথমবারের মতো প্রতিরোধ ও প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানের জন্য সক্রিয় করেছে। মিত্র দেশগুলো হাজারো অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করেছে। সঙ্গে রয়েছে সাঁজোয়া যান, আর্টিলারি ইউনিট, যুদ্ধজাহাজ ও যুদ্ধবিমান।
অবশ্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও ন্যাটোর পক্ষ থেকে আগেই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, ইউক্রেনে প্রবেশ করে সরাসরি রাশিয়ার সেনাদের বিরুদ্ধে লড়াই করবে না তাদের সেনারা। তবে ইউক্রেনকে অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ দিয়ে সহযোগিতা করা হচ্ছে।









