ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার ‘কৌশলগত ব্যর্থতা’ নিশ্চিত করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। এ লক্ষ্যে কিয়েভকে সামরিক সহায়তা দিয়ে আসছে ওয়াশিংটন ও তার মিত্ররা। আলাবামায় লকহিড মার্টিনের একটি ফ্যাক্টরিতে দেওয়া ভাষণে এ নিয়ে কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তিনি বলেছেন, রাশিয়ার ‘কৌশলগত ব্যর্থতা’ নিশ্চিতের জন্য কিয়েভকে এই সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। বুধবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
অ্যান্টি ট্যাংক জ্যাভলিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রস্তুতকারক লকহিড মার্টিনের ফ্যাক্টরিতে দেওয়া ভাষণে রুশ আগ্রাসন মোকাবিলায় ইউক্রেনকে সহায়তার জন্য কারখানার কর্মীদের ধন্যবাদ জানান বাইডেন।
তিনি বলেন, ‘তাদের (ইউক্রেনীয়) যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া এবং এই যুদ্ধকে রাশিয়ার জন্য একটি কৌশলগত ব্যর্থতার দিকে নিয়ে যাওয়ার একটি বড় কারণ হলো যুক্তরাষ্ট্র, আমাদের মিত্র ও অংশীদাররা তাদের সমর্থন দিয়েছে।
এর আগে গত সপ্তাহে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র নেড প্রাইস-ও বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, ইউক্রেনে রাশিয়ার ‘কৌশলগত পরাজয়’ দেখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। আর এ ধরনের পরাজয় মস্কোকে অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল এবং আন্তর্জাতিকভাবে আরও বিচ্ছিন্ন করে দেবে।
নেড প্রাইস সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা যখন কৌশলগত পরাজয়ের কথা বলি, তখন আমরা আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় মস্কোর অবস্থান সম্পর্কে কথা বলি।’ তিনি বলেন, ইউক্রেনে হামলার পর বিশ্বমঞ্চে রাশিয়ার অবস্থান আর আগের মতো হবে না।
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিনের মতে, ইউক্রেনে সামরিক সক্ষমতার অনেকটাই হারিয়েছে রাশিয়া। ওয়াশিংটন চায়, তারা যেন দ্রুত সেই সামর্থ্য পুনরুদ্ধার করতে না পারে। যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়াকে এতোটা দুর্বল হিসেবে দেখতে চায় যাতে করে ইউক্রেনে আগ্রাসনের মতো আর কোনও কিছু করতে না পারে দেশটি।









