দুই বিকল্পের একটি বেছে নিন: পশ্চিমাদের ইউক্রেনের আইনপ্রণেতা

বিদেশ ডেস্ক
৩০ মে ২০২২, ২০:০৬আপডেট : ৩০ মে ২০২২, ২০:০৬

ইউক্রেনকে দূরপাল্লার রকেট সরবরাহ কিংবা রাশিয়ার বিজয়ের ঝুঁকি; পশ্চিমা দেশগুলোকে এই দুইটির মধ্যে যে কোনও একটিকে বেছে নিতে হবে। সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন মন্তব্য করেছেন যুক্তরাজ্য সফররত ইউক্রেনের আইনপ্রণেতা কিরা রুদিক।

সাক্ষাৎকারে কিরা রুদিক পশ্চিমা মিত্রদের তার দেশে দূরপাল্লার রকেট সরবরাহের আহ্বান জানিয়েছেন। আরও সামরিক সহায়তা ছাড়া রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে অচলাবস্থা বা কিয়েভের পরাজয়ের ঝুঁকির ব্যাপারেও সতর্ক করেছেন তিনি।

বিরোধী উদারপন্থী গোলোস পার্টির এই নেত্রী বলেন, তার আশঙ্কা তিন মাস ধরে চলমান এই যুদ্ধ ‘নতুন স্বাভাবিকতা’ হয়ে উঠতে পারে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্যগুলোর মধ্যে একটি হলো এটা নিশ্চিত করা যে, ইউক্রেন যুদ্ধের ব্যাপারে বিশ্ব যেন অভ্যস্ত হয়ে না পড়ে।’

কিরা রুদিক বলেন, ইউক্রেনের সবার আগে দরকার অস্ত্র। কেননা যুদ্ধক্ষেত্রে সাফল্য না এলে কিয়েভকে মস্কোর কাছে তার ভূখণ্ড ছেড়ে দেওয়ার চাপ আসবে। ইতোমধ্যেই সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীও হেনরি কিসিঞ্জারও এমন পরামর্শ দিয়েছেন।

৩৬ বছরের এই এমপি জানান, তিনি প্রতিদিন ফ্রন্টলাইনের ইউক্রেনীয় সেনাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। তবে তিনি স্বীকার করেছেন, তার দেশের সেনারা ভালো নেই।

ভারী গোলাগুলির মধ্যেও রুশ বাহিনী পূর্ব ডনবাস অঞ্চলে অগ্রসর হওয়ায় ইউক্রেনীয় সেনারা ব্যাপক চাপের মধ্যে রয়েছে বলে জানান তিনি।

কিরা রুদিক বলেন, রাশিয়া যেসব ভুল করেছে সেগুলোর পুনরাবৃত্তি করা কিয়েভের উচিত হবে না। এখনই মস্কোকে অবমূল্যায়ন করা উচিত নয়।

উল্লেখ্য, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেন আক্রমণ করে রাশিয়া। দেশটির দাবি, তারা ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ পরিচালনা করছে। তবে ইউক্রেন ও পশ্চিমারা এই আক্রমণকে বিনা উসকানিতে আগ্রাসী যুদ্ধ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। চলমান যুদ্ধে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ ও বেসামরিক হত্যার অভিযোগ এনেছে পশ্চিমারা। তবে এমন অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে মস্কো।

/এমপি/
টাইমলাইন: ইউক্রেন সংকট
সম্পর্কিত
বিক্রির জন্য নিলামে উঠছে এই আধুনিক দুর্গটি
৫৩০০ বছর পরও মমিতে জীবিত অণুজীব
দিনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক খবর
সর্বশেষ খবর
৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারে দিতে হবে না বাড়তি দাম
৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারে দিতে হবে না বাড়তি দাম
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
ছোট ছেলে শ্বশুরবাড়ি, বড় ছেলের ঘরের মেঝে খুঁড়ে মায়ের লাশ উদ্ধার
ছোট ছেলে শ্বশুরবাড়ি, বড় ছেলের ঘরের মেঝে খুঁড়ে মায়ের লাশ উদ্ধার
‘শাহজালালে হাজিদের লাগেজ কেটে চুরির অভিযোগ সঠিক নয়’
‘শাহজালালে হাজিদের লাগেজ কেটে চুরির অভিযোগ সঠিক নয়’
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের