যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ধারণা করছে, ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় খেরসনে লোকবল সংকটে পড়তে পারে রাশিয়ার সেনাবাহিনী। মঙ্গলবার ইউক্রেন যুদ্ধের পর্যালোচনায় এই ধারণার কথা তুলে ধরা হয়েছে। এমন সময় যুক্তরাজ্য এ ধারণার কথা তুলে ধরলো যখন খেরসনকে রুশ দখলমুক্ত করতে ইউক্রেন পাল্টা হামলা শুরু করার দাবি করেছে। মার্কিন সাময়িকী নিউজউইক এখবর জানিয়েছে।
গত কিছুদিন ধরে ইউক্রেন রুশ দখলকৃত খেরসনের সেতু, ক্রিমিয়া থেকে আসা রুশ সাপ্লাই লাইনে হামলা চালাচ্ছে। সোমবার ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সরবরাহকৃত হিমার্স ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা দিয়ে রুশ লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে হামলা চালানো হচ্ছে।
ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিও অঙ্গীকার করেছেন, রাশিয়ার কাছ থেকে ক্রিমিয়া ও খেরসনকে পুনরুদ্ধার করা হবে। ২০১৪ সালে কৃষ্ণসাগরীয় উপত্যকা দখল করেছিল রাশিয়া।
সোমবার ইউক্রেন দাবি করেছে, তাদের সেনাবাহিনী রাশিয়ার প্রতিরক্ষা লাইন ভেঙে দিয়েছে। তবে রাশিয়া দাবি করেছে, তারা ইউক্রেনীয় সেনাদের আক্রমণ সফলভাবে প্রতিহত করেছে এবং ইউক্রেন অনেক সেনা হারিয়েছে।
স্বতন্ত্রভাবে নিউজউইক কোনও পক্ষের দাবির সত্যতা যাচাই করে নিশ্চিত করতে পারেনি।
মঙ্গলবার দৈনিক গোয়েন্দা তথ্য হালনাগাদে ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সোমবার সকালে ইউক্রেনে দক্ষিণাঞ্চলে ইউক্রেনীয় সশস্ত্রবাহিনীর বেশ কয়েকটি ব্রিগেড সম্মুখসারিতে কামানের উপস্থিতি বাড়িয়েছে।
মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, আগস্টের শুরু থেকে ডনিপ্রো নদীর তীরে রাশিয়া নিজেদের মোতায়েনকৃত সেনাদের সংখ্যা খুব বেশি বাড়ায়নি। খেরসনে রুশ ইউনিটগুলো লোকবল সংকটে পড়তে পারে এবং তারা ডনিপ্রোর ফেরি ও পন্টুন সেতু দিয়ে ভঙ্গুর সরবরাহের ওপর নির্ভরশীল।









