ইউক্রেনে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার ঘটনায় রাশিয়ার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জি-৭ নেতারা। আর ইউক্রেনে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করলে মস্কোকে 'গুরুতর পরিণতি' ভোগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে পশ্চিমা জোটটি। খবর, দ্য গার্ডিয়ান।
গত কয়েকদিন ইউক্রেনে ভয়াবহ রকমের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বাড়িয়েছে রুশ বাহিনী। এ নিয়ে জরুরিভিত্তিতে মঙ্গলবার বৈঠকে বসেন জি সেভেন নেতারা। এ সময় ইউক্রেনে হামলার জন্য রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনসহ দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। শুধু তাই নয়, ইউক্রেনীয় ভূখণ্ডকে রাশিয়ার বলে সংযুক্তিকরণকে কখনও স্বীকৃতি দেবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন।
এদিন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ভার্চুয়ালি বৈঠকে যোগ দেওয়ার পর বিবৃতিতে বলেন, 'নিরপরাধ বেসামরিক মানুষের ওপর হামলা একটি যুদ্ধপরাধ।'
ক্রিমিয়ার কার্চ সেতুতে জ্বালানি ট্যাংকারে বিস্ফোরণের পর ইউক্রেনে রাশিয়ার পারমাণবিক হামলার আশঙ্কা আরও বেড়েছে বলে ধারণা পশ্চিমাদের। এ নিয়ে জি-৭ সেভেন সতর্ক করে জানিয়েছে, 'রাসায়নিক, জৈবিক কিংবা পারমাণবিক অস্ত্রের যেকোনও একটি ব্যবহার করলে রাশিয়াকে গুরুতর পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।'
পাশাপাশি মিত্র কিয়েভকে ‘যতদিন লাগে সমর্থন’ করে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন শিল্পোন্নত দেশগুলোর সংস্থা গ্রুপ অব সেভেনের (জি-৭) নেতারা। জোট বিবৃতিতে জানিয়েছে, 'আমরা আর্থিক, মানবিক, সামরিক, কূটনৈতিক এবং আইনি সহায়তা প্রদান অব্যাহত রাখবো। ইউক্রেনকে যতদিন প্রয়োজন হয় সমর্থন করে যাবো।'
উল্লেখ্য, অর্থনৈতিকভাবে উন্নত সাতটি দেশ কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ইতালি, জার্মানি ও জাপানকে নিয়ে গঠিত জি-৭ জোট।








