ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক খাদ্য সংকটের জন্য অন্যায়ভাবে রাশিয়াকে দুষছে যুক্তরাষ্ট্র। রবিবার এমন অভিযোগ করেছেন ওয়াশিংটনে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত আনাতোলি আন্তোনোভ। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম সিএনএন।
শনিবার ইউক্রেনের কৃষ্ণসাগর উপকূলের বন্দর থেকে খাদ্যশস্য রফতানির চুক্তি স্থগিতের ঘোষণা দেয় রাশিয়া। কৃষ্ণসাগরের ক্রিমিয়া অংশে রুশ নৌবহরে ড্রোন হামলার পর এই ঘোষণা দেয় রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। বিশ্বের খাদ্য সরবরাহ সহজ করার উদ্দেশে জাতিসংঘ ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় প্রাথমিকভাবে তিন মাসের জন্য ওই চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছিল। এর আওতায় নিজ দেশের কৃষ্ণসাগর উপকূলের বন্দর দিয়ে বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে খাদ্যদ্রব্য রফতানির সুযোগ পায় ইউক্রেনে। এখন এই চুক্তি থেকে রাশিয়ার বেরিয়ে যাওয়াকে বিশ্বে খাদ্যশস্য সরবরাহ নিশ্চিতের পথে বড় ধরনের একটি আঘাত হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় রাশিয়ার বিরুদ্ধে খাদ্যশস্যকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
যুক্তরাষ্ট্রের এমন মনোভাবের সমালোচনা করেছেন ওয়াশিংটনে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত আনাতোলি আন্তোনোভ। ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে তার দাবি, ইউক্রেনের সঙ্গে খাদ্যশস্য চুক্তি স্থগিত করার জন্য রাশিয়ার নিন্দা করা সমীচীন নয়, বরং এটি অন্যায়।
‘ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষের বেপরোয়া পদক্ষেপের কারণেই’ রাশিয়াকে চুক্তিটির বাস্তবায়ন স্থগিত করতে হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন আনাতোলি আন্তোনাভ।
রাশিয়ার দাবি, শনিবার কৃষ্ণ সাগর অঞ্চলে ক্রিমিয়ার বৃহত্তম শহর সেভাস্তোপোলে রুশ নৌবহরে হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। ‘কিয়েভের শাসকদের এমন বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের’ নিন্দা না জানানোয় যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করেন রুশ রাষ্ট্রদূত।
ইউক্রেনের তরফে অবশ্য এখনও পর্যন্ত ওই ড্রোন হামলার দায় স্বীকার করা হয়নি।
ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে আনাতোলি আন্তোনাভ বলেন, সেভাস্তোপল বন্দরে ‘সন্ত্রাসী হামলা’র ব্যাপারে ওয়াশিংটনের প্রতিক্রিয়া সত্যিই আপত্তিকর। তাদের তরফে কিয়েভের বেপরোয়া পদক্ষেপের নিন্দা জানানোর কোনও লক্ষণ দেখা যায়নি।









