ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় শহর বাখমুত পুরোপুরি দখলে নেওয়ার দাবি করেছেন রাশিয়ার ভাড়াটে বাহিনী ওয়াগনার গ্রুপের প্রধান ইয়েভজেনি প্রিগোজিন। সেনাদের সঙ্গে রাশিয়ার পতাকা হাতে শনিবার (২০ মে) দুপুরে এক ভিডিওতে বার্তায় এমন দাবি করেন তিনি। বাখমুত নিয়ন্ত্রণে নিতে গত ৯ মাস ধরে ইউক্রেনীয় বাহিনীর সঙ্গে তীব্র লড়াইয়ে লিপ্ত থাকার মধ্যেই এই খবর এলো। তবে ইউক্রেন ওয়াগনারের দাবি অস্বীকার করে বলেছে, পরিস্থিতি জটিল এবং লড়াই চলছে।
পূর্ব শহরটি ইউক্রেন যুদ্ধের দীর্ঘতম এবং রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। কোনও পক্ষই ছেড়ে কথা বলছে না। পাল্টাপাল্টি হামলায় প্রতিদিনই প্রচুর ক্ষয়ক্ষতির খবর জানাচ্ছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো।
কিন্তু এই পরিস্থিতির মধ্যেই ওয়াগনারের প্রধান প্রিগোজিন বলেন, ‘আজ দুপুর ১২টায় বাখমুত নিয়ন্ত্রণে নিয়েছি’।
ফলে আগামী ২৫ মে থেকে তার বাহিনীকে বিশ্রাম এবং পুনরায় প্রশিক্ষণের জন্য বাখমুত থেকে প্রত্যাহার করা হবে বলেও দাবি করেছেন তিনি।
তবে ভিডিও বার্তায় ওয়াগনারের প্রধান কথা বলার সময় কিছুটা দূর থেকে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।
তার এমন দাবিকে ভিত্তিহীন উল্লেখ করে বাখমুতে এখনও তীব্র লড়াই চলছে বলে দাবি করেছেন ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী। যৌথ বাহিনীর মুখপাত্র সেরহি চেরেভাতি সংবাদমাধ্যম স্কাই নিউজকে বলেছেন, ‘এই খবর সত্য নয়। শহরে যুদ্ধ চলছে।’
বাখমুতের পরিস্থিতিকে জটিল বলে বর্ণনা করেছেন ইউক্রেনের উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী। এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানি তিনি।
এমন সময় এই খবরটি এলো যখন জি-৭ সম্মেলনে অংশ নিতে জাপানে অবস্থান করছেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
বাখমুত শহরটি দখলে নেওয়া রাশিয়ার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। এর পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিতে পারলে পূর্ব দিক থেকে ইউক্রেনের ভেতরে আরও সহজেই অগ্রসর হতে পারবে রুশ সেনারা।
সূত্র: স্কাই নিউজ, রয়টার্স









