রাশিয়ার বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে সহযোগিতার অংশ হিসেবে ইউক্রেনকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করবে ফ্রান্স। মঙ্গলবার ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এই ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীকে স্কাল্প নামের দূরপাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করবে প্যারিস। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
মঙ্গলবার ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে লিথুয়ানিয়া পৌঁছেছেন ম্যাক্রোঁ। এই সম্মেলনে মস্কোর আক্রমণের বিরুদ্ধে কিয়েভের লড়াই আলোচনায় প্রাধান্য পাবে। তিনি বলেছেন, প্যারিস কিয়েভকে স্কাল্প ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করবে।
ইতোমধ্যে এই ধরনের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ইউক্রেনকে সরবরাহ করেছে যুক্তরাজ্য। দেশটির পাঠানোর ক্ষেপণাস্ত্রটির নাম স্টর্মশ্যাডো।
ম্যাক্রো বলেছেন, এই দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানোর লক্ষ্য হলো যাতে করে ইউক্রেন রাশিয়ার প্রতিরক্ষা রেখার গভীর হামলা চালাতে পারে।
স্কাল্প বা স্টর্মশ্যাডো একটি অ্যাংলো-ফরাসি অস্ত্র। এগুলো ২৫০ কিলোমিটার দূরে আঘাতে সক্ষম। ইউক্রেনে পাঠানো পশ্চিমা অস্ত্রের মধ্যে এটিই সবচেয়ে দূরপাল্লার। এর আগে মে মাসে ইউক্রেনে এসব অস্ত্র পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছিল যুক্তরাজ্য।
ফ্রান্সের এমন ঘোষণার পর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে রাশিয়া। মস্কো বলেছে, এর মাধ্যমে পশ্চিমারা ইউক্রেন যুদ্ধে সরাসরি জড়িয়ে পড়ছে। কিছু পশ্চিমা মিত্রও উদ্বেগ প্রকাশ করছে। তাদের আশঙ্কা, এসব অস্ত্র দিয়ে ইউক্রেন রুশ ভূখণ্ডে হামলা চালাতে পারে। এতে করে চলমান সংঘাতের তীব্রতা ও ব্যপ্তি আরও বেড়ে যেতে পারে।
অবশ্য ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন, রুশ ভূখণ্ডে হামলার জন্য এসব ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হবে না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কিয়েভ। তবে কতটি ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানো হবে তা সম্পর্কে কোনও ধারণা দেননি তিনি। ধারণা করা হয়, ফ্রান্সের মজুতে এমন অস্ত্রের সংখ্যা ৪০০টির মতো।








