ইউক্রেনে হামলার কারণে রাশিয়ার তেল আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, মঙ্গলবার এই নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর ক্রিস কুন্স মঙ্গলবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
হোয়াইট হাউজ জানায়, মঙ্গলবার গ্রিনিচ মান সময় ১৫টা ৪৫ মিনিটে বাইডেন ভাষণ দেবেন। ভাষণে তিনি ইউক্রেনে অনায্য যুদ্ধের জন্য রাশিয়ার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ ঘোষণা করবেন।
এর আগে সিএনএনকে এক সাক্ষাৎকারে সিনেটর ক্রিস কুন্স বলেছিলেন, মঙ্গল বা বুধবার এই নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা আসতে পারে।
পরিকল্পনার বিষয়ে অবগত একটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, মঙ্গলবারই নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দিতে পারেন বাইডেন।
বিশ্বের বৃহত্তম তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস রফতানিকারক দেশ রাশিয়া। ইউক্রেনে হামলার বৈশ্বিক নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়ছে দেশটি। এবার সেই নিষেধাজ্ঞায় জ্বালানি রফতানিও অন্তর্ভুক্ত হতে যাচ্ছে।
তেল নিষেধাজ্ঞা নিয়ে পশ্চিমারা সামনে আগালে জার্মানিতে নিজেদের মূল গ্যাস পাইপলাইন বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে বলে সতর্ক করেছে রাশিয়া। দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী আলেক্সান্ডার নোভাক বলেছেন, ‘রাশিয়ার তেল প্রত্যাখ্যান বৈশ্বিক বাজারের জন্য মারাত্মক পরিণতি বয়ে আনতে পারে।’ এতে তেলের মূল্য দ্বিগুণ বেড়ে প্রতি ব্যারেল তিনশ’ ডলারে পারে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞার পথে হাঁটলেও সোমবার এই পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করে দিয়েছে জার্মানি ও নেদারল্যান্ডস। ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) প্রায় ৪০ শতাংশ গ্যাস এবং ৩০ শতাংশ তেল পায় রাশিয়া থেকে। আর এই সরবরাহ বিঘ্নিত হলে আপাতত এর সহজ কোনও বিকল্পও নেই।









