যুক্তরাষ্ট্র মনে করে, ইউক্রেনে চলমান যুদ্ধে চীন রাশিয়াকে প্রাণঘাতী অস্ত্র সরবরাহের দ্বারপ্রান্তে থাকতে পারে। এর ফলে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইয়িকে সতর্ক করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি ব্লিঙ্কেন। শনিবার জার্মানির মিউনিখে নিরাপত্তা সম্মেলনের পার্শ্ববৈঠকে দুই মন্ত্রীর বৈঠকে এই সতর্কতার জানিয়েছেন ব্লিনকেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এ খবর জানিয়েছে।
বৈঠকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী চীনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞার প্রভাব এড়াতে রাশিয়াকে সহযোগিতা দেওয়া থামানোর জন্য।
চীনের সঙ্গে রাশিয়ার বাণিজ্য বেড়েই চলেছে। মস্কোর কাছ থেকে তেল কিনছে বেইজিং। তবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এবং জি ৭ দেশগুলোর বেঁধে দেওয়া সর্বোচ্চ মূল্যের চেয়ে কম দামে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমকে ব্লিঙ্কেন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে তথ্য রয়েছে রাশিয়াকে বন্দুক ও অস্ত্রসহ সম্ভাব্য সহযোগিতা প্রদানের বিষয়টি বিবেচনা করছে চীন।
ব্লিঙ্কেন বলেন, এই তথ্যের ভিত্তিতে আমাদের এখন যে উদ্বেগ তা হলো , তারা হয়ত প্রাণঘাতী অস্ত্র সরবরাহের বিষয়টি বিবেচনা করছে। আমরা তাদের কাছে স্পষ্ট করেছি, এটি আমাদের মধ্যে এবং আমাদের সম্পর্কে গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র মনে করেন, চীন ইতোমধ্যে ইউক্রেনে রুশ সেনাবাহিনীর হয়ে লড়াইরত ভাড়াটে যোদ্ধা গোষ্ঠী ওয়াগনার গ্রুপকে কিছু গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করেছে।
নিরাপত্তা সম্মেলনে দেওয়া ভাষণে মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসও রাশিয়াকে প্রাণঘাতী অস্ত্র সরবরাহ না করার বিষয়ে চীনকে হুঁশিয়ারি জানিয়েছেন। তবে চীন যে এমন অস্ত্র রাশিয়াকে সরবরাহের বিষয়টি বিবেচনা করছে, তা তার ভাষণে উঠে আসেনি।









