সেকশনস

মিয়ানমারের ট্রিক্সের পলিটিক্স!

আপডেট : ০৫ অক্টোবর ২০১৭, ১৩:৩৮

রাহমান নাসির উদ্দিন গত ২ অক্টোবর অনুষ্ঠিত যৌথ প্রতিনিধি দলের বৈঠকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী ও মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলর অফিসের মন্ত্রী টিন্ট সোয়ে যথাক্রমে বাংলাদেশ এবং মিয়ানমারের দু’টি প্রতিনিধি দলের নের্তৃত্ব দিয়েছেন যেখানে রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয় এবং এ সমস্যা সমাধানের একটি কার্যকর উপায় বের করার বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। মিডিয়া পাবলিককে অন্তত এভাবেই খবর পরিবেশন করেছে। বৈঠকের সিদ্ধান্তানুযায়ী আমাদের জানানো হলো যে, মিয়ানমার রোহিঙ্গাদেরকে ফিরিয়ে নিতে নিজেরাই প্রস্তাব দিয়েছে। মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলার সময় বাংলাদেশে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ তথ্য দেন কিন্তু মিয়ানমারের পক্ষ থেকে তখনও পর্যন্ত কোনও তথ্য জানানো হয়নি। তবে, একদিন পরে গত ৩ অক্টোবর মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলের দফতর থেকে একটি বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে যে, রোহিঙ্গাদেরকে যাচাই-বাছাই করে ফেরত নেওয়া হবে এবং ফেরত নেওয়ার ভিত্তি হবে ১৯৯২ সালে চুক্তি। বুঝলাম, মিয়ানমার নাটক শুরু করেছে। সেখানেও একটা বিরাট পলিটিক্স এবং ট্রিক্স আছে যে আলোচনায় পরে আসছি। কিন্তু মিয়ানমারের হঠাৎ ৩৬০ ডিগ্রি রূপান্তর নতুন সন্দেহের জন্ম দেয়, কেননা মিয়ানমারের মন্ত্রী টিন্ট সোয়ে যখন বাংলাদেশে আসছেন তখন, মংডুতে মাইকে ঘোষণা করা হচ্ছিল যাতে রোহিঙ্গারা গ্রাম খালি করে গ্রাম থেকে ছেড়ে চলে যায়। টেকনাফে এর ঠিক আগেরদিন রাতে মংডু থেকে আসা একটা রোহিঙ্গা পরিবারের সঙ্গে আমি তখন কথা বলছিলাম। তারা আমাকে জানিয়েছে, ‘বর্মার আর্মি তো আছেই, কিছু তরুণ মগর পোয়া (মগের ছেলে) কিরিচ (তলোয়ারের মতো লম্বা দা) নিয়ে গলিতে গলিতে টহল দিচ্ছে। ওখানে জান নিয়ে বেঁচে থাকার কোনও সম্ভাবনা নাই। তাই পালাই আসছি’। তাই, পররাষ্ট্রমন্ত্রী যখন বলেন, ‘মিয়ানমার রোহিঙ্গাদেরকে ফিরিয়ে নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে’, তখন ঠিক বিশ্বাস হয় না। আমি এটা বলছি না যে, পররাষ্ট্ররাষ্ট্র মন্ত্রী আমাদেরকে অসত্য বলেছেন। আমি বরঞ্চ সুচির প্রতিনিধির দেওয়া প্রস্তাবের আন্তরিকতা, বাস্তবতা এবং সদিচ্ছা নিয়ে সন্দিহান হয়ে পড়ি। কেননা, মাঠ পর্যায়ের বাস্তবতা আর মন্ত্রী পর্যায়ের আলোচনা এক মোহনায় যায় না। বাস্তবতা আর প্রস্তাবনা দুই ভূবনের দুই বাসিন্দা। ফলে, মিয়ানমার রোহিঙ্গাদেরকে ফিরিয়ে নেবে, এ-ব্যাপারে আমার গুরুতর সন্দেহ আছে। এ-সন্দেহের পেছনে অনেক কারণ আছে। কয়েকটি উল্লেখযোগ্য কারণ এখানে সংক্ষেপে পেশ করছি।

জোড়াতালি নয়, সব রোহিঙ্গাদেরকে ফেরত নিতে হবে
একথা এখন আর নতুন কিছু নয় যে, মিয়ানমারের রাখাইনরাজ্যে বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের ওপর দশকের পর দশক যে অত্যাচার এবং নির্যাতন চালাচ্ছে, সেটা কোনও হঠাৎ করে দ্বৈব-চয়নের মাধ্যমে ঘটা কোনও ঘটনা নয়। বরঞ্চ রাষ্ট্রের একটি সুনির্দিষ্ট পলিসির অংশ হিসাবে ধীরে ধীরে রাখাইনরাজ্যকে রোহিঙ্গাশূন্য করার একটা সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যকে সামনে রেখেই এসব নির্যাতন, এবং অত্যাচারের ঘটনা ঘটছে। ১৯৭৮ সালে, ১৯৯১/৯২ সালে, ২০১২ সালে, এবং ২০১৬ সালে যে হত্যাযজ্ঞ ঘটেছে সেটা রাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে ঘটিয়েছে যাতে একটা মৃত্যু-ভয়ের পরিস্থিতি সেখানে তৈরি হয় এবং রোহিঙ্গারা পার্শ্ববর্তী সীমান্ত পার হয়ে বাংলাদেশে অভিবাসন করে। ২০১৭ সালের ঘটনাও ঠিক একই চিত্রনাট্যের নতুন প্রদর্শনী হচ্ছে। সতুরাং যে রাষ্ট্র তার সুনির্দিষ্ট রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনার অংশ হিসাবে রোহিঙ্গাদেরকে রাখাইন রাজ্য ছাড়া করছে, সে রাষ্ট্রের মন্ত্রী যখন ঢাকায় এসে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বসে নিজে থেকেই রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দেয়, তখন খুবই স্বাভাবিক কারণেই বোঝা যায়, ‘ডাল মে কুচ কালা হে’ এবং তাই, সেটা বিশ্বাস করা কষ্টকর হয়ে পড়ে। এমনকি ১৯ সেপ্টেম্বর অং সান সুচি যখন পাবলিক স্টেটমেন্ট দেন, সেখানেও বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গাদেরকে ফিরিয়ে নেওয়ার কোনও আন্তরিকতা আমরা দেখি নাই কারণ তিনি কেবল যাচাই-বাছাই করে ফেরাতে ইচ্ছা পোষণ করেছে! কিন্তু রাখাইনের মূখ্যমন্ত্রী যখন বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের ফেলে যাওয়া জায়গা দখল করে নিয়ে রাজ্য সরকার ‘২০১৩ সালের প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা’ আইনের আওতায় এ জমির পুনর্বিন্যাস করে অথনৈতিক উন্নয়নে ব্যবহার করা হবে’, তখন রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার প্রস্তাব আপনা-আপনিই চালাকিতে রূপান্তরিত হয়। একদিকে পোড়া ভিটা-মাটি দখল করে উন্নয়ন পরিকল্পনার চলছে, অন্যদিকে মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলের মন্ত্রী এসে ঢাকাকে প্রস্তাব দিচ্ছে মিয়ানমার রোহিঙ্গাদেরকে ফিরিয়ে নিতে চায়। তখনই প্রশ্ন আসে, মিয়ানমার কি রোহিঙ্গাদেরকে সত্যিই ফিরিয়ে নেবে? নাকি তার অন্য রাজনীতি আছে?

আন্তর্জাতিক প্রেসার কমানোরপ্রেসারের ঔষুধ!

একথা অনস্বীকার্য যে, ২৫ আগস্টের পর থেকে রাখাইন রাজ্যে যে নির্মম জেনোসাইড হয়েছে, তা বিশ্বব্যাপী মিয়ানমারের বিরুদ্ধে একটা চরম নেতিবাচক পরিস্থিতি তৈরি করেছে। এবং বিভিন্ন দেশে দেশে সুচি’র বিরুদ্ধে একটা প্রতিবাদের তীব্রতা তৈরি হয়েছে। চীন, রাশিয়া, ভারত এবং জাপান ছাড়া পৃথিবীর প্রায় সব দেশ এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা এ ঘটনার জন্য মিয়ানমারকে দায়ি করছে এবং সু চি’র ভূমিকার সমালোচনা করছে। এমনকি জাতিসংঘ এবং এর নিরাপত্তা পরিষদেও রোহিঙ্গা ইস্যুটি আলোচিত হয় এবং মিয়ানমারের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় (যদিও রাশিয়া এবং চীন বিরত থাকে)। এরকম একটি পরিস্থিতিতে মিয়ানমারের অর্থনীতিই হুমকির মুখে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। বিশেষ করে সামরিক শাসনের যাতাকল থেকে ২০১৫ সালের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে মিয়ানমার যখন গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করে তখন প্রাকৃতিক এবং খনিজ সম্পদে ভরপুর দেশটিতে প্রচুর বিদেশি বিনিয়োগের সম্ভাবনা তৈরি হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো, বিভিন্ন মার্কিন কোম্পানি, নরওয়ের টেলিনর, বহুজাতিক কোম্পানি শেভরন, আসিয়ানভুক্ত বেশ কয়েকটি দেশ, মার্কিন ফুড অ্যান্ড বেভারেজ কোম্পানি এবং বিভিন্ন ব্রিটিশ কোম্পানির সম্ভাব্য মিলিয়ন মিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ বিরাট হুমকির মুখে পড়ে। রাখাইন রাজ্যের চলমান সহিংসতা এবং চরম মানবাধিকারের লঙ্ঘনের ঘটনা অনেক বড় বড় দেশ এবং কোম্পানি তাদের বিনিয়োগ করার বিষয়টি পুনর্চিন্তা করছে। এরকম একটি অবস্থায় মিয়ানমারের জন্য বাংলাদেশের সাথে একটা আলোচনা শুরু করা ছাড়া অন্য কোনও গত্যন্তর নাই। তাই চরম অনিচ্ছাসত্ত্বেও সু চি’র মন্ত্রী বাংলাদেশে আসেন এবং রোহিঙ্গাদেরকে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দেন। এটা উপলব্ধির জন্য আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ হওয়ার প্রয়োজন নাই যে, যে দেশ রোহিঙ্গাদেরকে অস্ত্রের মুখে, হত্যা-ধর্ষণ-নিপীড়ন-নির্যাতনের মুখে দেশ ছাড়া করছে, সে দেশই আবার নিজ দায়িত্বে বাংলাদেশে এসে রোহিঙ্গাদেরকে ফিরিয়ে নেওয়ার প্রস্তাব দেয় কোন কারণে! এটাকে ‘রামের সুমতি’ হিসাবে বিবেচনা করার কোনও সুযোগ নাই। এটা হচ্ছে আসলে, ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক প্রেসার কমানোর জন্য একটা ‘প্রেসারের ওষুধ’ মাত্র। প্রেসার একটু কমলেই আবার চেঙ্গিস খান, স্বরূপে আবির্ভূত হয়ে চতুর্দিকে খান খান করে দেবে।    

মিয়ানমারের ট্রিক্সের পলিটিক্স আর আমাদের নাবালক বিশ্বাস 

আমাদের মন্ত্রী অনেক কথা বললেও মিয়ানমারের মন্ত্রী কোনও কথা না-বলে চলে গেলো, কিন্তু ঠিকই পরেরদিন মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টার দফতর থেকে সে না-বলা কথা অত্যন্ত চালাকির সঙ্গে বলে দিল। ১৯৯২ সালের চুক্তির আওতায় রোহিঙ্গাদেরকে মিয়ানমারে ফেরত নেওয়া হবে। এখানে আরও একটা বিষয় ফাঁকতালে গলে গেছে। মিয়ানমার তার প্রস্তাবের ভেতর দিয়েই বাংলাদেশের গোলায় ৫ লাখ রোহিঙ্গাকে ভরে দিয়েছে। কারণ মিয়ানমার এবারে আসা ৬ লাখ রোহিঙ্গাকে যাচাই-বাছাই করে কতজনকে ফেরত নেওয়া যায় তা দেখবে বলে জানিয়েছে কিন্তু বাংলাদেশ বলেছে বাংলাদেশে রোহিঙ্গার সংখ্যা নয় লাখ (যা টিন্টু সোয়ে শুনেননি বা মানেননি)। আদতে বর্তমানে বাংলাদেশে বসবাসকারি রোহিঙ্গাদের সংখ্যা হচ্ছে ১১ লাখ। অর্থাৎ মিয়ানমার তার প্রস্তাবের ভেতরেই ৫ লাখ রোহিঙ্গাকে অটোমেটিক্যালি চালান দিয়ে দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, যাচাই-বাচাইয়ের ফাঁক-ফোকর দিয়ে আরো কয় লাখ রোহিঙ্গাকে খালাস করা হয় (আমি পত্রিকান্তরে লিখেছি এ সংখ্যা হবে ১৪ হাজার)। তারচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, ১৯৯২ সালের ২৮ এপ্রিল স্বাক্ষরিত যৌথ ঘোষণা অনুযায়ী বাংলাদেশে নিবন্ধিত রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের বৈধ কাগজপত্র সহকারে রাখাইনে ফিরতে পারবে। কিন্তু আগস্টের ২৫ তারিখ থেকে রাখাইন রাজ্যে যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল, হত্যা-ধর্ষণ-অত্যাচার-অগ্নিসংযোগ-নির্যাতনের যে তীব্রতা, তাতে বাংলাদেশে কোনও রকমে জান নিয়ে পালিয়ে আসা প্রায় ৬ লক্ষ রোহিঙ্গাদের মধ্যে কতজন রাখাইন রাজ্যের অধিবাসী হিসাবে বৈধ কাগজপত্র সঙ্গে আনতে পেরেছে সেটাই দেখার বিষয়। আমি নিজে উখিয়া এবং টেকনাফের অসংখ্য ক্যাম্পের অসংখ্য রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের বেশিরভাগেই রাখাইন রাজ্যের বৈধ অধিবাসী এরকম কোনও সুনির্দিষ্ট কাগজপত্র নাই বা যাদের আছে তারা আনতে পারেননি। ফলে, কিভাবে যাচাই-বাছাইয়ের ভেতর দিয়ে মিয়ানমারে ফেরত যাবে সেটাই সবচেয়ে বড় বিষয়। তাই, আমাদের মনে রাখতে হবে যে, এটা মিয়ানমারের একটা ট্রিক্স নয় তো! আমরা যেন আমাদের না-বালাক বিশ্বাস দিয়ে মিয়ানমারের ট্রিক্সের পলিটিক্সে নিজেদেরকে ধরা না দিই। একটা শক্ত কূটনৈতিক দেনদরবারের মধ্য দিয়ে সকল রোহিঙ্গাদেরকে যেন সামাজিক নিরাপত্তা এবং মানবিক মর্যাদা দিয়ে মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে পারি, সেটাকে বিবেচনায় নিতে হবে। মনে রাখতে হবে, মিয়ানমার বাংলাদেশে নতুন পাঠিয়েছে ৬ লাখ আর ঢাকঢোল পিটিয়ে ফেরত নিল তার কিছু অংশ। কিন্তু দুনিয়াকে ‘সেল’ করলো যে, তারা রোহিঙ্গাদেরকে ফেরত নিয়েছে। এদিকে বছরের পর বছর ধরে বাংলাদেশকে লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গাদের বহন করতে হয়েছে। এবার যেন কোনোভাবেই ইতিহাসের সেই চতুর পুনরাবৃত্তি না-ঘটে। তাছাড়া, মিয়ানমারের অতীত ‘খাসলত’ আর বর্তমান ‘বদগিরি’ যেন, আমার সবধরনের যৌথ সংলাপ এবং দ্বিপাক্ষিক আলোচনার সময় মাথায় থাকে।      

সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, মিয়ানমার রোহিঙ্গাদেরকে ফেরত নেওয়ার জন্য নিজে থেকেই যে প্রস্তাব দিয়েছে, তার মধ্যে কয় আনা আন্তরিকতা, কয় আনা বাস্তবতা আর কয় আনা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মুখে লেমনচুষ পুরে দেওয়ার কূট রাজনীতি আছে, এখন সেটাই দেখার বিষয়!!

লেখক:  নৃবিজ্ঞানী ও অধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

এসএএস

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

সম্পর্কিত

মিয়ানমারের সামরিক অভ্যুত্থান ও গণতন্ত্রের জন্য ‘বেহুদা’ বিলাপ!

মিয়ানমারের সামরিক অভ্যুত্থান ও গণতন্ত্রের জন্য ‘বেহুদা’ বিলাপ!

জাতিসংঘে গৃহীত রেজ্যুলেশন ও রোহিঙ্গা সমস্যা!

জাতিসংঘে গৃহীত রেজ্যুলেশন ও রোহিঙ্গা সমস্যা!

বাইডেন ট্রাম্পকে হারিয়েছেন, কিন্তু ‘ট্রাম্পইজম’ কি হেরেছে?

বাইডেন ট্রাম্পকে হারিয়েছেন, কিন্তু ‘ট্রাম্পইজম’ কি হেরেছে?

কেন রোহিঙ্গারাই রোহিঙ্গাদেরকে হত্যা করছে?

কেন রোহিঙ্গারাই রোহিঙ্গাদেরকে হত্যা করছে?

রোহিঙ্গা ঢলের তিন বছর!

রোহিঙ্গা ঢলের তিন বছর!

বঙ্গবন্ধু ও তাঁর রাজনীতির মূলমন্ত্র

বঙ্গবন্ধু ও তাঁর রাজনীতির মূলমন্ত্র

দন্তহীন বাঘ জাতিসংঘকে ‘দাঁত’ গজাতে হবে!

দন্তহীন বাঘ জাতিসংঘকে ‘দাঁত’ গজাতে হবে!

করোনাকালে রোহিঙ্গারা কেমন আছে?

করোনাকালে রোহিঙ্গারা কেমন আছে?

‘সামাজিক দূরত্ব’ নয়, ‘শারীরিক দূরত্ব’ বজায় রাখুন!

‘সামাজিক দূরত্ব’ নয়, ‘শারীরিক দূরত্ব’ বজায় রাখুন!

সর্বশেষ

হাতিয়ায় গৃহবধূকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেফতার ৩

হাতিয়ায় গৃহবধূকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেফতার ৩

হাতিয়ায় গৃহবধূকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেফতার ৩

হাতিয়ায় গৃহবধূকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেফতার ৩

এইচ টি ইমামের শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে

এইচ টি ইমামের শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে

ভাসানচরে যাচ্ছেন আরও ২ হাজার ২৬০ জন রোহিঙ্গা

পঞ্চম ধাপের প্রথম দফায় স্থানান্তরভাসানচরে যাচ্ছেন আরও ২ হাজার ২৬০ জন রোহিঙ্গা

অস্ত্র ও গোলাবারুদ মজুতের সংবাদে সাতছড়িতে অভিযান

অস্ত্র ও গোলাবারুদ মজুতের সংবাদে সাতছড়িতে অভিযান

প্রেস ক্লাবে সংঘর্ষের মামলায় সোহেল-টুকুসহ ৬ নেতার জামিন

প্রেস ক্লাবে সংঘর্ষের মামলায় সোহেল-টুকুসহ ৬ নেতার জামিন

বেরোবিতে হল ও ভবন নির্মাণে অনিয়ম, উপাচার্যকে দায়ী করে প্রতিবেদন

প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদিত নকশা পরিবর্তনবেরোবিতে হল ও ভবন নির্মাণে অনিয়ম, উপাচার্যকে দায়ী করে প্রতিবেদন

সিএমএইচে ভর্তি এইচ টি ইমামের অবস্থা সংকটাপন্ন

সিএমএইচে ভর্তি এইচ টি ইমামের অবস্থা সংকটাপন্ন

গ্যাটকো মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানি পেছালো

গ্যাটকো মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানি পেছালো

১৬৭৫ টুরিস্ট স্পটের জন্য ১৩০০ টুরিস্ট পুলিশ

১৬৭৫ টুরিস্ট স্পটের জন্য ১৩০০ টুরিস্ট পুলিশ

কোভ্যাক্স থেকে এক কোটি ৯ লাখ টিকা পাচ্ছে বাংলাদেশ

কোভ্যাক্স থেকে এক কোটি ৯ লাখ টিকা পাচ্ছে বাংলাদেশ

শিক্ষানবিশ আইনজীবীর মৃত্যুর ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ

শিক্ষানবিশ আইনজীবীর মৃত্যুর ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ


[email protected]
© 2021 Bangla Tribune
Bangla Tribune is one of the most revered online newspapers in Bangladesh, due to its reputation of neutral coverage and incisive analysis.