X
মঙ্গলবার, ০৫ জুলাই ২০২২
২১ আষাঢ় ১৪২৯

দাম বাড়লেও পণ্য কেন অবিক্রীত থাকে না?

আপডেট : ১৫ এপ্রিল ২০২২, ১৭:২৮

আমীন আল রশীদ – তরমুজ কত?

– ৪০ টাকা কেজি।

– এক কেজি দেন।

– কাইটা দেওয়া যাবে না। নিলে পুরোটা।

– কাইটা না দিলে কেজি দরে বেচেন কেন? কৃষক কি কেজি দরে বেচে?

রাজধানীর অন্যতম বৃহৎ পাইকারি বাজার কারওয়ান বাজারে বিক্রেতার সঙ্গে এই বচসার পরে গোস্বা হয়ে তরমুজ না কিনেই চলে যান ক্রেতা। কিন্তু আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন, ওই বিক্রেতার একটি তরমুজও অবিক্রীত থাকেনি। ক্রেতারা কেজি দরেই তরমুজ কিনেছেন। যদিও যে কৃষকরা ওই তরমুজ উৎপাদন করেছেন, তাদের কাছ থেকে পাইকারি ব্যবসায়ীরা পিস বা শ’ হিসাবে কিনেছেন। কিন্তু পিস হিসাবে কেনা তরমুজ বাজারে এসে কেন এবং কীভাবে, কোন যুক্তিতে আলু পটলের মতো কেজি দরে বিক্রি হয়ে গেলো, তা নিয়ে কিছু ক্রেতার মাথাব্যথা হলেও আখেরে ওই বিক্রেতাদের কোনও ধরনের জবাবদিহির মধ্যে পড়তে হয় না।

প্রশ্ন হলো, তরমুজের মতো একটি বৃহৎ আকারের রসালো ফল, যেটি বেশ ভারী হয়, সাম্প্রতিক বছরগুলোয় কেন সেটি কেজি হিসেবে বিক্রি হওয়া শুরু হলো? উত্তর খুব সহজ। কেজি হিসেবে বিক্রি করলে দোকানির বেশি লাভ। আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন, খুচরা বিক্রেতারা সবশেষ যে আড়ত থেকে তরমুজ কিনেছেন, সেখান থেকেও তারা পিস বা শ’ হিসাবে কিনেছেন। কিন্তু বিক্রি করছেন কেজি দরে। কারণ, পিস হিসেবে যে তরমুজের দাম দুইশ’ টাকার বেশি চাওয়া যায় না, কেজিতে বিক্রি করলে সেটি অনায়াসে আড়াইশ’ টাকায় বিক্রি করা যায়। উপরন্তু পিস হিসেবে বিক্রি করলে সেখানে মাপজোখের কোনও ব্যাপার থাকে না। কিন্তু কেজি হিসাবে বিক্রি করলে ওজনে কারচুপির সুযোগ থাকে। ডিজিটাল পাল্লায় ওজন দেওয়া হলে সেখানেও যে কারসাজি আছে, সেটি নতুন কোনও বিষয় নয়। কিন্তু কারও কিছু বলার নেই। করার নেই।

একসময় এসব বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত বেশ সক্রিয় ছিল। ইদানীং তাদের দেখা যায় না। কারণ, ব্যবসায়ী ও ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট যে কত শক্তিশালী, সেটি নীতিনির্ধারকদের কথায়ও স্পষ্ট হয়। ফলে দুইশ’ টাকার তরমুজ কেজি দরে আড়াইশ’ বা তিনশ’ টাকায় কিনবেন না বলে আপনি হয়তো পাশ কাটিয়ে চলে গেলেন, কিন্তু পরক্ষণেই ওই তরমুজ আরেকজন ক্রেতা এসে আরও বেশি দাম দিয়ে কিনে নিয়ে যাবেন।

আসা যাক বেগুনের প্রসঙ্গে। স্বাভাবিক সময়ে ২০ টাকা কেজির বেগুন রোজার মাসে একশ’ দেড়শ’ এমনকি দুইশ’ টাকা হয়ে গেলে আপনি রাগে গজগজ করেন। সোশাল মিডিয়ায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান। গোস্বা করে আপনি হয়তো পুরো রোজার মাসে এক কেজি বেগুনও কিনলেন না। কিন্তু আপনার কি ধারণা যে আপনি কিনলেন না বলে এক কেজি বেগুনও অবিক্রীত থাকে? রোজার মাস বলে প্রান্তিক কৃষক, যিনি বেগুন উৎপাদন করেন, তিনি কি কেজিতে ৮০ টাকা পান? পান না। ২০ টাকার বেগুন এই যে দুইশ’ টাকা হয়ে যায়, মাঝখানের ১৮০ টাকা চলে যায় নানা পকেটে—অর্থনীতির ভাষায় যাদের বলা হয় ‘মধ্যস্বত্বভোগী’। বছরের পর বছর ধরে এই শ্রেণিটির কথা গণমাধ্যম ও সোশাল মিডিয়ায় আলোচিত হয়, কিন্তু কেউ এই মাফিয়াদের ধরতে পারে না। কারণ, এটি কোনও একটি একক গোষ্ঠী নয়। বরং এখানে রয়েছে নানাবিধ পক্ষ, যারা রাস্তায় পণ্যবাহী ট্রাক থেকে চাঁদা বা তোলা নেওয়া থেকে শুরু করে পণ্যটি খুচরা বিক্রেতার ব্যাগে ভরা পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে নানা পরিচয়ে বিদ্যমান। এখানে আছে রাজনৈতিক মাস্তান, ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি অংশ এবং আরও এক বা একাধিক গোষ্ঠীও এই মধ্যস্বত্বভোগীর তালিকায় রয়েছে; যাদের আবার চাঁদার টাকার ভাগ পাঠাতে হয় রাষ্ট্রের অনেক গুরুত্বপূর্ণ জায়গায়। সেই গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা আবার এই টাকা বণ্টন করেন তাদের পোষ্য নেতাকর্মী, পাড়ার মাস্তানদের মধ্যে। অর্থাৎ পুরো বিষয়টা একটা চেইন। ২০ টাকার বেগুন দুইশ’ টাকা হয়ে গেলো বলে খুচরা দোকানিকে গালি দিয়ে কোনও লাভ নেই। কারণ, এর ডালপালা রাষ্ট্রের নানা জায়গায় বিস্তৃত।

তবে বেগুনের গুণ আছে কী নেই, জাতীয় সংসদের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বেগুন নিয়ে কী আলোচনা হলো এবং বেগুনের বিকল্প হিসেবে মিষ্টি কুমড়া নিয়ে রাষ্ট্রের শীর্ষ ব্যক্তি কী পরামর্শ দিলেন, তার চেয়ে বড় প্রশ্ন, এক কেজি বেগুনও কি বাজারে অবিক্রীত থাকে?

গরুর মাংসের কেজি পাঁচশ’ টাকা থেকে সাড়ে পাঁচশ’, ছয়শ’, তারপর সাড়ে ছয়শ’ এবং এখন নাকি কোথাও কোথাও সাতশ’ টাকায়ও বিক্রি হয়। এই নিয়মিত বিরতিতে একটা পণ্যের দাম ৫০ টাকা করে কেজিতে বেড়ে গেলো, তা নিয়ে কারও কোনও বিকার আছে? আপনি হয়তো ফেসবুকে লিখলেন, গরুর মাংস না খেলে কী হয়? আসলেই কিছু হয় না। কিন্তু আপনি কিনলেন না বলে কোনও দোকানদারের দোকানে কি মাংস অবিক্রীত থাকে? থাকে না। কারণ, আপনি না কিনলেও কেনার লোকের অভাব নেই। আবার যারা কিনতে চান না তারাও সম্মিলিতভাবে কোনও প্রতিবাদ করবেন বা বাজার বয়কট করবেন—এমন ঘটনাও ঘটে না। ঘটলেও বিক্রেতাদের কোনও অসুবিধা নেই। কারণ, তারা জানেন, ১৭ কোটি লোকের দেশে পয়সাওয়ালা লোকের অভাব নেই। ১৫ কোটি লোকও যদি না কেনে, তারপরও বাকি থাকে ২ কোটি মানুষ। মানে বিশাল বাজার। পৃথিবীর অধিকাংশ দেশেই দুই কোটি মানুষ নেই— যা আছে শুধু এক ঢাকা শহরে। অতএব, ক্রেতার কোনও অভাব নেই।

গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর বাংলা ট্রিবিউনের একটি শিরোনাম ছিল: ‘কোটিপতির সংখ্যা লাখ ছাড়িয়েছে।’ খবরে বলা হয়, ‘ব্যাংকিং খাতে কোটি টাকার বেশি আমানত রাখা হিসাব সংখ্যা এক লাখ ছাড়িয়েছে। অর্থাৎ ব্যাংকে কোটি টাকার বেশি আমানত রেখেছেন এমন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে খোলা হিসাবের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লাখ ২৩৯টি।’ কিন্তু বাস্তবে দেশে কোটিপতির সংখ্যা আরও অনেক বেশি। কারণ, যারা ব্যাংকে আমানত রেখেছেন, তাদের একটা নীতিমালার মধ্য দিয়ে, একটা জবাবদিহির মধ্য দিয়ে টাকা জমা রাখতে হয়েছে। কিন্তু যারা এই ধরনের জবাবদিহির মধ্য দিয়ে ব্যাংকে টাকা রাখতে ভয় পান বা যাদের আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের সঙ্গতি নেই, তারা এরকম প্রচলিত পদ্ধতিতে ব্যাংকে টাকা রাখেন না। অনেকে নগদ জমা রাখেন। বাসার সিন্দুকে রাখেন। কেউ হয়তো বালিশের ভেতরেও রাখেন (বনখেকো ওসমান গনি বড় উদাহরণ)। অনেকে  নানা উপায়ে টাকা পাচার করেন।

গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর দৈনিক যুগান্তরের খবরে বলা হয়, দেশ থেকে অস্বাভাবিক হারে টাকা পাচার বেড়েছে। ৬ বছরে দেশের চার লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা (৪৯৬৫ কোটি ডলার) বিদেশে পাচার হয়েছে। এ হিসাবে গড়ে প্রতি বছর পাচার হচ্ছে প্রায় ৭৩ হাজার কোটি টাকা। সুতরাং, ব্যাংকের হিসাবে দেশে কোটিপতির সংখ্যা এক লাখের কিছু বেশি হলেও বাস্তবে সংখ্যাটি যে কয়েক লাখ, সেটি বোঝার জন্য গবেষণার প্রয়োজন নেই। আপনি আপনার আশপাশে তাকালেই দেখবেন কোটিপতির ছড়াছড়ি। সুতরাং এই মানুষগুলো যখন মাছ, মাংস, সবজি কিংবা ফলের বাজারে যায়, তাদের কাছে বেগুনের কেজি দুইশ’ টাকা কিংবা কেজি দরে তরমুজ কোনও ম্যাটার করে না। তারা বাজারের সবচেয়ে ভালো এবং সবচেয়ে তাজা জিনিসটি কিনে গাড়িতে ভরতে চান। তাদের কাছে দাম নয়, মানই প্রধান বিবেচ্য। কিন্তু এই লোকগুলোর বাইরে থাকা বিরাট জনগোষ্ঠীর কাছে মানের চেয়ে বড় প্রশ্ন দাম। ফলে তিনি তরমুজ কেজি দরে বিক্রি হলে গোস্বা হন। রোজার মাসে বেগুনি খেতে না পারলে মন খারাপ করেন। মাসে দুদিন গরুর মাংস কিনতে না পেরে হতাশ হন। অস্বীকার করা যাবে না, করোনার মতো অতিমারির ধাক্কায় বহু মানুষের আয় কমেছে। অনেকে বেকার হয়েছেন। ফলে একদিকে কোটিপতির সংখ্যা যেমন বেড়েছে, তেমনি গরিবের সংখ্যাও বেড়েছে। অর্থাৎ সমাজে আয় বৈষম্য তীব্র থেকে তীব্র হচ্ছে।

ভয়াবহ ব্যাপার হচ্ছে, এই দেশে কোটিপতি হওয়া খুবই সহজ। একজন সরকারি কর্মচারীও দশটা গুরুত্বপূর্ণ ফাইল সই করলেই কিংবা কোনও একটি কেনাকাটা থেকে টেন পার্সেন্ট হিসেবে ঘুস নিলেও এক কোটি টাকার মালিক হয়ে যেতে পারেন। ঢাকা শহরে যে আলিশান ভবনগুলো গড়ে উঠেছে, সেসব ভবনের মালিকানা কাদের, সেটির প্রকৃত অনুসন্ধান করলে দেখা যাবে, এর বিরাট অংশই অবৈধ টাকার মালিকদের। (আপনি সারা জীবন ভালো বেতনে চাকরি করে, সৎ পথে থেকে হয়তো এরকম একটি ফ্ল্যাট কেনার স্বপ্নও দেখেন না)। আবার অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এসব ফ্ল্যাট কেনা হয় নিজের স্ত্রী ও সন্তানদের নামে। তার অর্থ এই নয় যে শুধু সরকারি লোকজনই এরকম অনিয়ম, দুর্নীতি, লুটপাট ও ঘুষ বাণিজ্য করে কোটি কোটি টাকা কামান। বেসরকারি খাতও কম যায় না। মুশকিল হলো, এই যে লাখ লাখ মানুষ কোনও ধরনের জবাবদিহি ছাড়াই কোটিপতি হয়ে যাচ্ছেন, তারা কারওয়ান বাজারের মতো বাজারেরই ক্রেতা। তাদের সঙ্গে একজন সীমিত আয়ের সৎ মানুষকে কমপিট করতে হয়। তাকে একটি সাত কেজি ওজনের তরমুজ কেনার আগে দশবার ভাবতে হয়। একবার এক কেজি গরুর মাংস কিনলে ওই সপ্তাহে আর মাছ মাংসের নামও মুখে আনা তার পক্ষে কঠিন। সুতরাং যে দেশে বিনা জবাবদিহিতে কোটিপতি হওয়া যায়, সেই দেশের বাজারে তরমুজ কেজিতে বিক্রি হলে আপনি গোস্বা করে সেটি না কিনলেও বিক্রেতা তাতে মোটেও চিন্তিত বা বিচলিত নন। কারণ, তিনি জানেন, দিন শেষে তার একটি তরমুজও অবিক্রীত থাকবে না।

মুদ্রার অন্য পিঠও আছে। যেমন বৈধ পথেও মানুষের আয় বেড়েছে। করোনার দুই বছরে প্রচুর মানুষ কর্মহীন হয়েছেন বা অনেকের আয় কমে গেলেও বিপুল সংখ্যক মানুষের আয় দুই তিনগুণ বা তারও চেয়ে বেশি বেড়েছে। সুতরাং, ১৭ কোটি লোকের দেশে এক কোটি মানুষের হাতেও যদি অঢেল টাকা থাকে এবং আরও দুই কোটি মানুষ যদি বাজার থেকে পছন্দের জিনিসটি কেনার সক্ষমতা রাখেন, তাহলে বেগুনের কেজি দুইশ’ টাকা হলে তা নিয়ে গণমাধ্যম ও সোশাল মিডিয়ায় কড়া প্রতিবাদ ও প্রতিক্রিয়া দেখা যেতেই পারে, আখেরে ওই বেগুন কিন্তু বিক্রেতা তার বাড়িতে নিয়ে যাবেন না। তিনি বিক্রি করেই যাবেন।

প্রশ্ন হলো, এক্ষেত্রে রাষ্ট্রের দায়িত্ব কী? রাষ্ট্রের দায়িত্ব হচ্ছে, নিত্যপণ্যের দাম এমন পর্যায়ে রাখা যাতে একেবারে নিম্ন আয়ের মানুষটিও তার পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় পণ্যগুলো কিনে বাড়ি যেতে পারেন। যেন বাজারে গিয়ে জিনিসপত্রের দাম দেখে তাকে খালি ব্যাগ নিয়ে ফিরতে না হয়। যাতে এমন পরিস্থিতি তৈরি না হয় যাতে অবৈধ পথে কোটি টাকা উপার্জনকারী ব্যক্তির সঙ্গে তাকে বাজারে গিয়ে কমপিট করতে হয়।

যার অবৈধ টাকা আছে, তিনি সেই টাকা ক্লাবে, বারে, বিদেশে, ক্যাসিনোতে কিংবা আরও দুটি নতুন গাড়ি ও পাঁচটি ফ্ল্যাট কেনার কাজে ব্যবহার করতে পারেন। রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা ও গোয়েন্দা বাহিনী তাদের ধরবে কি ধরবে না, ধরতে পারবে কি পারবে না, সেটি অন্য তর্ক। কিন্তু একজন স্বল্প আয়ের মানুষও বাজারে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের পুষ্টি নিশ্চিত করার জন্য মাছ মাংস ডিম দুধ সবজি ও ফল যাতে কিনতে পারেন—এমন একটি সিস্টেম গড়ে তোলাই রাষ্ট্রের দায়িত্ব। কিন্তু গণমাধ্যমের শিরোনাম যদি হয় এমন যে, ‘৫০ হাজার টাকায়ও সংসার চালানো যাচ্ছে না’(প্রথম আলো, ১৬ নভেম্বর ২০২১), তখন জনমনে এই প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক যে তাহলে যার মাসিক আয় ২০ হাজার টাকা বা তারও চেয়ে কম, তিনি কী করে সংসার চালাবেন? তার জন্য ভরসা কি টিসিবির ট্রাক? কিন্তু সেই ট্রাকেও যে পর্যাপ্ত পণ্য থাকে না এবং এই ট্রাকের পেছনেও যে মানুষের লম্বা লাইন এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও পণ্য কিনতে না পেরে যে অনেককে চলে যেতে হয়, সেই খবরও মানুষের অজানা নয়। তাহলে কি নিত্যপণ্যের বাজার ক্রমশই সাধারণ মানুষের কাছ থেকে দূরে সরে যাবে? কোটিপতি ক্রেতার ভিড়ে হারিয়ে যাবেন স্বল্প আয়ের সাধারণ চাকরিজীবী কিংবা দিনমজুর?

লেখক: কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স এডিটর, নেক্সাস টেলিভিশন।

/এসএএস/এমওএফ/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
মোবাইল থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠানোর সীমা বাড়লো
মোবাইল থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠানোর সীমা বাড়লো
‘বন্যায় যাদের ঘর ভেঙেছে তাদের পাকা ঘর দেওয়া হবে’
‘বন্যায় যাদের ঘর ভেঙেছে তাদের পাকা ঘর দেওয়া হবে’
শিশু সন্তান ও স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যায় ফাঁসির আদেশ
শিশু সন্তান ও স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যায় ফাঁসির আদেশ
‘এটি আত্মহত্যা নাকি হত্যাকাণ্ড’
‘এটি আত্মহত্যা নাকি হত্যাকাণ্ড’
সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ