X
বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২২
২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯

৪০তম বিসিএস নন-ক্যাডার: পিএসসির অবহেলিত এক সন্তানের গল্প

কাবিল সাদি
০৫ অক্টোবর ২০২২, ২০:১৮আপডেট : ০৫ অক্টোবর ২০২২, ২০:১৮

বড় সমস্যায় আছে ৪০তম বিসিএস উত্তীর্ণ প্রার্থীরা। এই বিসিএসে সুপারিশ পাওয়া ক্যাডার পদগুলোর গত পাঁচ বছরে নিয়োগ সম্পন্ন হয়নি। একইসাথে এখন পর্যন্ত কোনও নন-ক্যাডার পদেরও তালিকা প্রকাশ করতে পারেনি সরকারি চাকরির নিয়োগে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন (বিপিএসসি)।

৪০তম বিসিএসটি শুরু থেকেই নানা কারণেই আলোচিত। এই পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয় ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ সালে। প্রায় সাত মাস পর প্রবল ঘূর্ণিঝড় ফণীর মধ্যেই ৩ মে অনুষ্ঠিত হয় এই বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। আবার প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সাত মাস পর ২০২০ সালের ৪ জানুয়ারিতে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। তারপর এক বছরের অধিক সময় পর ২০২১ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারিতে প্রথম ধাপের মৌখিক পরীক্ষা শুরু হলেও বৈশ্বিক করোনা মহামারির কারণে একই বছর ২৯ মার্চ বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন তাদের এক নোটিশে মৌখিক পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা দেয়। এই ফাঁকে মে মাসে জরুরি কারণে ডাক্তার নিয়োগের লক্ষে অনুষ্ঠিত হয় ৪২তম (বিশেষ) বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা।

৪০তম বিসিএসের প্রথম ধাপের মৌখিক পরীক্ষা স্থগিতের ছয় মাস পর করোনার প্রভাব কিছুটা হ্রাস পেলে আবারও পরীক্ষা শুরু হয় ২০২১ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর। কিন্তু ৪১তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষা ও পিএসসির বার্ষিক রিপোর্ট সংক্রান্ত কাজের  জন্য আবারও বিরতি দিয়ে পরবর্তী ধাপের মৌখিক পরীক্ষার জন্য নোটিশ দেওয়া হয়। সেই নোটিশ অনুযায়ী মৌখিক পরীক্ষা পরবর্তী বছর অর্থাৎ ২০২২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারিতে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও অনিবার্য কারণে ৩১ জানুয়ারি ২০২২ তারিখে আবারও এই বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। অবশেষে অনেক চড়াই-উতরাই পার করে ২০২২ সালের মার্চ গিয়ে শেষ হয় এই বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা।

এ বছরের ৩০ মার্চ দশ হাজারের অধিক মৌখিক পরীক্ষার প্রার্থী থেকে চূড়ান্তভাবে ১৯৬৩ জনকে ক্যাডার পদের জন্য সুপারিশ করে বিপিএসসি। উপর্যুক্ত সমীকরণটি লক্ষ করলে সহজেই অনুমেয়, এই ৪০তম বিসিএসটি কতটা অবহেলিত এবং কতোটা দুর্যোগের সম্মুখীন হতে হয়েছে। এই বিসিএসের মধ্যেই বিভিন্নভাবে ধারাবাহিক কার্যক্রম স্থগিত রেখে সম্পন্ন হয়েছে তার পরবর্তী ৪২তম বিসিএস (বিশেষ) এবং ৪১তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার কার্যক্রম।

গত চার বছর পরিশ্রম ও ধৈর্যের সাথে টিকে থেকেও পদ স্বল্পতায় যারা ক্যাডার পদ পেলেন না তারাই হলেন হতভাগা বিসিএস নন-ক্যাডার প্রার্থী। অর্থাৎ যে চার লাখের অধিক প্রার্থী থেকে প্রিলিমিনারি পর্বে বিশ হাজার (২০,২৭৭) টিকেছিলেন এবং লিখিত পরীক্ষায় আরও অর্ধেক ঝরে (১০,৯৬৪) হয় দশ হাজারে। এই দশ হাজারের মধ্যে যারা মৌখিক পরীক্ষা তথা মোট পনেরো শ’ নম্বরের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও বিসিএস ক্যাডার হতে পারেননি তারাই হলেন অনিশ্চিত কর্মসংস্থানের আশায় ঝুলে থাকা নন-ক্যাডার প্রার্থী।

৪০তম বিসিএসে এই নন-ক্যাডার প্রার্থীদের সংখ্যা ৮ হাজারের ১৬৬ জন। যাদের অনেকেই হারিয়েছেন এই দীর্ঘ যুদ্ধে তাদের বয়স ও শ্রম। ইতোপূর্বে এই বিসিএস ‘নন-ক্যাডার’ তারা সাধারণত খালি হাতে ফিরতেন। তাই যারা বিসিএস পরীক্ষার কঠিন ধাপগুলো সফলতার সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েও পদ স্বল্পতার কারণে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে থাকেন না, তাদের জন্য সরকার কর্তৃক ‘নন-ক্যাডার’ বিশেষ নীতিমালা প্রণীত হয়।

সরকার কর্তৃক জারিকৃত ‘নন-ক্যাডার’ পদের নিয়োগ (বিশেষ) বিধিমালা-২০১০ এবং সংশোধিত বিধিমালা-২০১৪ অনুযায়ী সরকারের বিভিন্ন দফতর থেকে শূন্য পদের চাহিদা পাওয়া সাপেক্ষে পিএসসি প্রথম ও দ্বিতীয় (১০-১২ গ্রেড) শ্রেণিতে সুপারিশ করে থাকে। ৩১তম বিসিএস থেকে নন-ক্যাডারে নিয়োগ শুরু হয় এবং উল্লেখযোগ্য হারে শুরু হয় ৩৪তম বিসিএস থেকে।

ক্যাডার পদ না পেলেও অন্তত দীর্ঘ পরিশ্রম ও সময় শেষে এই নন-ক্যাডার চাকরিই তাদের সান্ত্বনা। কিন্তু বিসিএস উত্তীর্ণ হলেও তাদের ভাগ্যে আদৌ চাকরি আছে কিনা তা নিশ্চিত করে বলা যায় না। তবে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের সদিচ্ছা এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, দফতর বা বিভাগের চাহিদার ওপর নির্ভর করে তাদের চাকরি পাওয়া-না পাওয়া। তবে এই ৪০তম বিসিএসের ‘জন্মই যেন আজন্ম পাপ’ তাই ফণী ঘূর্ণিঝড় আর করোনা মহামারির সাথে লড়ে যাওয়া প্রার্থীদের ভাগ্য কখনোই সুপ্রসন্ন হয়নি। অন্যান্য সময় সাধারণত বিসিএস ক্যাডার পদের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের স্বল্প সময়ে নন-ক্যাডার পদের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়। কিন্তু এখানেও বঞ্চনার শিকার সেই হতভাগা ৪০তম বিসিএস। যেখানে ৩৮তম বিসিএস চূড়ান্ত ফল প্রকাশের ১৩ দিন পর বিপিএসসি নন-ক্যাডার পদের অনলাইন আবেদনপত্র আহ্বান করে, সেখানে ৪০তম বিসিএস চূড়ান্ত ফল প্রকাশের তিন মাস পর নন-ক্যাডার পদের অনলাইন আবেদনপত্র আহ্বান করে।

জুন মাসের ২৬ তারিখ ৪০তম নন-ক্যাডার পদের জন্য ডিও লেটার ইস্যু করে। অর্থাৎ চূড়ান্ত ফল প্রকাশের  প্রায় ৩ মাস পর এই লেটার ইস্যু করে। যেখানে অন্যান্য বিসিএসের (৩৭, ৩৮) নন-ক্যাডার পদের জন্য ডিও লেটার ইস্যু করেছিল চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পরবর্তী ৭-১০ দিনের মধ্যে।

৪০তম বিসিএসের জন্য ডিও লেটার ইস্যু করার ৩-৫ দিন পরই পিএসসি আবার ৪৫তম বিসিএসের নন-ক্যাডার পদের জন্য সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং অধিদফতরে ডিও লেটার প্রেরণ করে। যার ফলে অনেক মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও অধিদফতর ৪০তম নন-ক্যাডার ফরমেটে পদ না পাঠিয়ে ৪৫তম ফরমেটে পদ পাঠাতে থাকে। এ যেন পাঁচ বছরের সন্তান না খেয়ে থাকলেও অনাগত বা এখনও ভূমিষ্ঠ না হওয়া সন্তানের জন্য সম্পদ না খাদ্য মজুদের শামিল। এত প্রতিকূলতা সত্ত্বেও  করোনা মহামারিতে চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ থাকার সুবাদে অল্প সময়ে অধিক সংখ্যক পদের চাহিদা আসে ৪০তম বিসিএস নন-ক্যাডারের ফরমেটে।

উল্লেখযোগ্য পদ পাওয়ার পরও ৪০তম বিসিএস নন-ক্যাডার প্রার্থীদের সুপারিশ না করে সেপ্টেম্বর মাসের ২০ তারিখে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন নন-ক্যাডার পদের নিয়োগ সংশোধিত (বিশেষ) বিধিমালা-২০২২-এর জন্য সভা ডেকে নতুন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য থেকে জানা যায়, নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত করতে বিসিএস ক্যাডার পদের সঙ্গে একই সময় ওই বিসিএসের নন-ক্যাডারের পদেরও সুপারিশ করবে বাংলাদেশ কর্মকমিশন। ৪৫তম বিসিএস থেকে এই প্রক্রিয়া কার্যকর করবে।

নিঃসন্দেহে এটি একটি ভালো উদ্যোগ এবং দ্রুত চাকরি প্রার্থীদের অপেক্ষার অবসান ঘটবে।

তবে ওই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এখন থেকে সার্কুলার তারিখের পূর্বে শূন্য হওয়া পদগুলোই কেবল ওই বিসিএসের নন-ক্যাডার প্রার্থীরা পাবেন। কিন্তু এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করার পদক্ষেপ হিসেবে ইতোমধ্যে ৪০তম বিসিএস নন-ক্যাডারে সুপারিশের জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দফতর থেকে চাহিদা পাওয়া পদগুলোও আবার ফেরত পাঠায় পিএসসি এবং নতুন নিয়মে চাহিদা পাঠাতে চিঠি ইস্যু করে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও দফতরে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৪০তম বিসিএস নন-ক্যাডারদের জন্য যেসব পদের চাহিদা এসেছিল সে পদগুলো ৪০, ৪১, ৪৩, ৪৪, ৪৫-এর মধ্যে ভাগ-বাটোয়ারা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মজার বিষয় হলো, এই হতভাগা ৪০তম বিসিএসের  কার্যক্রম স্থগিত করে শুধু ৪১ লিখিত বা ৪২তম বিসিএসের কাজই সম্পন্ন করেনি, বরং আরও চমক লক্ষণীয়। এখন যে পদগুলো ৪০তম বিসিএস নন-ক্যাডারের জন্য এসেছিল সেগুলো শুধু পরবর্তী ৪১, ৪৩, ৪৪ এবং ৪৫ ভাগ হচ্ছে এমন না, বরং নতুন আইনেও যা ৪০তম বিসিএস নন-ক্যাডার পাবে সেগুলোও ইতোমধ্যে ভাগ সম্পন্ন করেছে ৩৭ ও ৩৮তম বিসিএস নন-ক্যাডারের মধ্যে।

কারণ, সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুসারে ৪০তম বিসিএস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ (১১সেপ্টেম্বর ২০১৮)-এর আগ পর্যন্ত যেসব পদ শূন্য ছিল কেবল সেসব পদেই ৪০তম নন-ক্যাডাররা নিয়োগ পাবে। কিন্তু ২০১৮, ২০১৯, ২০২০ এবং ২০২১ সালের পর্যন্ত যেসব পদ পিএসসিতে জমা হয়েছিল সেগুলো ইতোমধ্যে ৩৭ এবং ৩৮তম বিসিএস নন-ক্যাডারদের জন্য নিয়োগের সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন নিজেই। সে ক্ষেত্রে নতুন সিদ্ধান্ত সাংঘর্ষিক এবং সুস্পষ্টভাবে ৪০তম বিসিএস নন-ক্যাডারদের বঞ্চিত করার শামিল।

যদিও গত ২১ জুলাই দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে পিএসসির চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন নিশ্চিত করেছিলেন, আগামী নভেম্বরে ৪৫তম বিসিএসের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আগ পর্যন্ত সব পদ ৪০তম নন-ক্যাডার প্রার্থীদের থেকে সুপারিশ করা হবে।

মূলত আগের বিসিএস থেকেই এমনটাই হয়ে আসছে যে পরবর্তী বিসিএসের চূড়ান্ত ফল ঘোষণার আগ পর্যন্ত চলমান বিসিএসের নন-ক্যাডার সুপারিশ হয়ে থাকে এবং নন-ক্যাডার বিধিমালায়ও এ সম্পর্কে বলা আছে। ফলে, ধরে নেওয়া হয় ওই ফল প্রকাশের মধ্য দিয়েই চলমান বিসিএস নন-ক্যাডার সুপারিশের ইতি টানা হবে। অত্যন্ত দুঃখজনক যে পরবর্তী অন্যান্য বিসিএস থেকে ৪০তম বিসিএস নন-ক্যাডারের ক্ষেত্রে হতে যাচ্ছে একটি ব্যতিক্রম। কারণ, এই বিসিএসের সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে আগের নিয়ম অনুযায়ী; এমনকি এই বিসিএস চূড়ান্ত ফল প্রকাশ পরবর্তী নন-ক্যাডার পদের আবেদন প্রক্রিয়াও আগের নিয়মেই সম্পন্ন হয়েছে।

শুধু আটকে দেওয়া হচ্ছে ফল প্রকাশের সময়। যেই নিয়োগের পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে পাঁচ বছর আগের আইনে; সেই নিয়োগের ফলাফল প্রকাশ কীভাবে নতুন আইনের জটিলতায় বাধাপ্রাপ্ত হয় তা অনেকেরই বোধগম্য নয়।

বাংলাদেশ কর্মকমিশন অবশ্যই তাদের সিদ্ধান্তে ন্যায়পরায়ণ হবে, কিন্তু ৪০তম বিসিএস নন-ক্যাডারদের ক্ষেত্রে এই নতুন আইন প্রযোজ্য হওয়া কতটা যৌক্তিক সিদ্ধান্ত তা হয়তো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিবেচনায় নিতে পারেন। কেননা, এখন থেকে প্রতিটি বিসিএস পিএসসি এক বছরে শেষ করতে পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে এবং অনেকটা বাস্তবায়নও করে যাচ্ছে। কিন্তু ৪০তম বিসিএস এই সুফল কোনোভাবেই পায়নি। এই বিসিএস এখন পাঁচ বছরে পা দিয়েছে। করোনা মহামারিতে তারা হারিয়েছে জীবনের মহামূল্যবান দুটি বছর, যা পরবর্তী কোনও বিসিএস হারায়নি বা হারানোর সম্ভাবনাও নেই।

এই পরিস্থিতিতে তাদের মানবিক বিবেচনায় পদ বাড়িয়ে বেশি নিয়োগের সুপারিশ না করে বরং এ ধরনের সিদ্ধান্ত কার্যকর করাটা আরও অমানবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করবে। যেখানে এই ৪০তম বিসিএসের জন্য চাহিদা পাওয়া পদগুলোর একটি ফল ঘোষণা করলেই এই বিসিএসের কাজ সম্পন্ন হতে পারে সেখানে ফলাফল দীর্ঘমেয়াদি করে নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর অমানবিক ও অপ্রত্যাশিত। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত আরও গভীরভাবে পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তাদের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা। তাদের একটি সিদ্ধান্তই একজন বিসিএস উত্তীর্ণ মেধাবীর জীবন-জীবিকার অনুষঙ্গ। কোনোভাবেই যেন তাদের সিদ্ধান্ত ঘূর্ণিঝড় ফণী বা করোনার মতো মহামারি হয়ে পিএসসির হতভাগ্য সন্তান ৪০তম বিসিএস উত্তীর্ণদের আর আঘাত না করতে পারে, সেদিকেই সুদৃষ্টি কাম্য।


লেখক: কলামিস্ট ও নাট্যকার।

/এসএএস/এমওএফ/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
প্রণোদনা সত্ত্বেও রেমিট্যান্স বাড়ছে না: সংসদীয় কমিটি
প্রণোদনা সত্ত্বেও রেমিট্যান্স বাড়ছে না: সংসদীয় কমিটি
নয়াপল্টনে একা মির্জা ফখরুল
কাল সংবাদ সম্মেলননয়াপল্টনে একা মির্জা ফখরুল
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পুলিশের চেকপোস্ট, ঢাকামুখী গাড়িতে তল্লাশি
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পুলিশের চেকপোস্ট, ঢাকামুখী গাড়িতে তল্লাশি
২০৩০ সালে চামড়াজাত পণ্যের রফতানি হবে ১০ বিলিয়ন ডলার
২০৩০ সালে চামড়াজাত পণ্যের রফতানি হবে ১০ বিলিয়ন ডলার
সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ