আসন্ন জি-২০ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বৈঠকের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করবে না রাশিয়া। মঙ্গলবার রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ একথা বলেছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এখবর জানিয়েছে।
রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, এমন বৈঠকের আমন্ত্রণ পেলে তা বিবেচনা করবে রাশিয়া।
ল্যাভরভ বলেন, আমরা বারবার বলেছি যে আমরা কখনও বৈঠকের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করি না। যদি কোনও প্রস্তাব আসে আমরা তা বিবেচনা করব।
তিনি বলেছেন, শান্তি আলোচনা সম্পর্কে যে কোনও পরামর্শ শুনতে আগ্রহী রাশিয়া।
এমন সময় ল্যাভরভ বাইডেনের সঙ্গে বৈঠকের প্রস্তাব পেলে তা প্রত্যাখ্যান না করার জানালেন যখন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান রাশিয়ার সঙ্গে পশ্চিমাদের আলোচনার জন্য মধ্যস্থতা করছেন। বৃহস্পতিবার পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করবেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান।
সম্প্রতি ক্রেমলিন জানিয়েছে, পুতিন ও এরদোয়ানের বৈঠকে দুই নেতা ইউক্রেন ইস্যুতে পশ্চিমাদের সঙ্গে রাশিয়ার আলোচনার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করতে পারেন।
মস্কো ও কিয়েভ উভয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে তুরস্কের। চলমান সংঘাত নিরসনে মধ্যস্থতা করে আসছে দেশটি। জুলাই মাসে জাতিসংঘ ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় কৃষ্ণ সাগরের বন্দর দিয়ে ইউক্রেনীয় খাদ্যশস্য রফতানির চুক্তি হয়েছে।
সেপ্টেম্বরে পুতিনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে এরদোয়ান বলেছিলেন, শান্তি আলোচনার পথকে আরেকটি সুযোগ দেওয়ার জন্য।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের কার্যালয় হোয়াইট হাউজ রবিবার বলেছে, যুদ্ধ অবসানে উভয়পক্ষের উচিত আলোচনার একটি পথ খুঁজে বের করা।
ল্যাভরভের মন্তব্যে আলোচনার ইঙ্গিত থাকলেও ইউক্রেন সংঘাতে ‘ক্রমবর্ধমান সম্পৃক্ততার’ কারণে যুক্তরাষ্ট্র ও তার ইউরোপীয় মিত্রদের বিরুদ্ধে ‘পাল্টা ব্যবস্থা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রুশ উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই রিয়াবকভ।
সাত মাস ধরে ইউক্রেনে রুশ আক্রমণ চলমান থাকায় পশ্চিমাদের সঙ্গে রাশিয়ার উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। ক্রিমিয়ায় রুশ নির্মিত সেতুতে হামলার পর সোমবার ইউক্রেনজুড়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এই হামলার পর ইউক্রেনকে আরও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহের ঘোষণা দিয়েছেন বাইডেন।








