উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত ৩১ জন মারা গেছেন এবং বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ৫১ জন। স্বাস্থ্য অধিদফতরের হালনাগাদ তথ্যে এ কথা বলা হয়।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আইএসপিআরের সঙ্গে সমন্বয় করেই এ তথ্য হালনাগাদ করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের হালানাগাদ তথ্য বলছে, জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ৪২ জন, সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ৮ জন, শহীদ মনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে একজন চিকিৎসাধীন আছেন।
তথ্য বলছে, নিহতদের মধ্যে ১৩ জন জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে, ১৫ জন সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ), একজন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে, একজন লুবানা জেনারেল হাসপাতালে এবং ইউনাইটেড হাসপাতালে একজন মারা গেছেন।
বৃহস্পতিবার একদিনেই বিকাল পর্যন্ত দুজন মারা গেছেন। তারা হলেন মাহতাব ও মাহিয়া তাসনিম।
আইএসপিআরের সঙ্গে তথ্যে গরমিল কেন হচ্ছে? এর ব্যাখ্যায় প্রধান উপদেষ্টার স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান বুধবার জানিয়েছেন, উত্তরা আধুনিক মেডিক্যাল থেকে একজনের মৃতদেহ সিএমএইচে পাঠানো হয়েছে। সেই সংখ্যাটি নিয়ে আমাদের তথ্যের পার্থক্য দেখা দিয়েছে। আমরা বলেছি ১৫ জন, সিএমএইচে ১৫ জনের মৃতদেহ আছে। যদিও আইএসপিআরের তথ্যে সেখানে ১৬ জন বলা আছে। তথ্যের পার্থক্যগুলো দূর হতে একটু সময় লাগবে। এছাড়া আইএসপিআরের তথ্যে লুবানা হাসপাতাল অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ওই হাসপাতালের তথ্য সম্পর্কে যোগাযোগ করা হয়েছে। তাদের রেজিস্টারে কোথাও মৃত্যু নেই। কিন্তু তারা মুখে বলছে, দুই জনকে মৃত অবস্থায় তাদের অভিভাবকরা নিয়ে এসেছিলেন। ওই দুই জনের নাম পরে আর কোনও হাসপাতালে আসেনি।









