উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় শনিবার (২৬ জুলাই) রাত ১০টা পর্যন্ত ৩৪ জন মারা গেছেন এবং বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ৪৯ জন। স্বাস্থ্য অধিদফতরের হালনাগাদ তথ্যে একথা বলা হয়।
ডিএনএ পরীক্ষার ভিত্তিতে সিএমএইচের একটি মৃত্যু কমিয়ে তথ্য হালনাগাদ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের হালানাগাদ তথ্য বলছে, জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ৩৬ জন, সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ১১ জন, শহীদ মনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে একজন এবং জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে একজন চিকিৎসাধীন আছেন।
তথ্য বলছে, নিহতদের মধ্যে ১৭ জন জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে, ১৪ জন সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ), একজন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে, একজন লুবানা জেনারেল হাসপাতালে এবং ইউনাইটেড হাসপাতালে একজন মারা গেছেন।
শনিবার (২৬ জুলাই) দুজন শিক্ষার্থীকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন, রাফসি আক্তার রাফিয়া এবং আয়ান খান। দুজনেরই বয়স ১২ বছর। তাদের বার্ন ইনজুরি ১ শতাংশের মতো ছিল।
চিকিৎসকরা জানান, রাফসি ও আয়ানের পোড়া তুলনামূলকভাবে কম ছিল। তাদের জটিলতাও তেমন ছিল না। তাই বিদেশি চিকিৎসকদের পরামর্শে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
পর্যায়ক্রমে আরও অন্তত ১০ জন শিক্ষার্থীকে ছাড়পত্র দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন।
এছাড়া এদিন দুজন মৃত্যুবরণ করেন। তাদের একজন ওই স্কুলের শিক্ষার্থী জারিফ ফারহান (১৩)। সে মাইলস্টোনের সপ্তম শ্রেণির ইংলিশ ভার্সনে পড়তো। আর অন্যজনের নাম মাসুমা (৩২)। তিনি ওই স্কুলে অফিস সহায়ক হিসেবে কাজ করতেন বলে জানা গেছে।
পরিচালক জানান, এখন ৩৬ জন রোগী ভর্তি রয়েছে। এদের মধ্যে সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছে ৪ জন। যাদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে। সিভিয়ার ক্যাটাগরিতে অর্থাৎ এদের চাইতে একটু কম গুরুতর অবস্থায় রয়েছে ৯ জন। বাকিরা অন্য ওয়ার্ড ভর্তি রয়েছে। আগামী এক সপ্তাহে আরও অন্তত ১০ জনকে পর্যায়ক্রমে ছাড়পত্র দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।









