ধ্বংসস্তূপে জন্মানো সিরিয়ান শিশুটির নাম রাখা হলো ‘আয়া’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১০:২১আপডেট : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১০:৪৩

সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের আলেপ্পোর জিনদায়ার্স শহরে ভয়াবহ ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপে জন্ম নেওয়া মেয়ে শিশুটির নাম রাখা হয়েছে ‘আয়া’। তার জন্য একটি ঘরও বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সোমবার স্মরণকালের ভয়াবহ ভূমিকম্পে শিশুটি তার মাসহ তিন ভাইবোনকে হারিয়েছে।

আত্মীয়রা যখন শিশুটিকে উদ্ধার করে তখনও মায়ের সঙ্গে নাড়ির বন্ধন ছিল। সোমবারের ভূমিকম্পে মায়ের মৃত্যু হয়। কান্নার শব্দ পেয়ে শিশুটিকে ওই অবস্থাতেই দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। ইতোমধ্যে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে নবজাতক শিশুটি।

ভূমিকম্পে উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ার জিনদায়ার্স শহরের তাদের নিজ বাড়িটি ধ্বংস হয়ে গেছে। তার পরিবারের অন্য সদস্যরা বেরিয়ে আসলেও কেউ কেউ পারেনি। তাদের আশ্রয় হয়েছে তাঁবুতে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিশুটিকে উদ্ধারের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। বিধ্বস্ত একটি পাঁচতলা ভবনের ধ্বংসস্তূপ থেকে ভেঙে পড়া বিভিন্ন বস্তু সরাচ্ছেন এক ব্যক্তি। দ্বিতীয় আরেকজন প্রথমে দৌড়ে দিয়ে একটি কম্বল নিয়ে আসেন। তা দিয়ে শূন্য ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রায় শিশুটিকে উষ্ণ রাখার চেষ্টা করেন। তৃতীয় আরেকজন শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে গাড়ির জন্য চিৎকার করছিলেন।

সিরিয়ার আফরিনের সিহান হাসপাতালের চিকিৎসক হানি মারুফ বলেন, ‘আমরা তার নাম আয়া রেখেছি, এখন তাকে সদ্যজাত শিশু বলা বন্ধ করতে পারি। তার শারিরীক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে এবং মেরুদণ্ডের কোনও ক্ষতি হয়নি।’

শিশু আয়াকে উদ্ধার প্রচেষ্টার নেতৃত্বদানকারী লোকটির নাম সুলেমান। কৃষ্ণ সাগরের খনি শ্রমিকদের একটি দলের সদস্য। তার সহকর্মীরা জানান, তিনি না থাকলে হয়তো উদ্ধারকাজটি সম্ভব হতো না। কারণ অন্ধকার এবং সংকীর্ণ জায়গায় কাজের অভিজ্ঞতা আছে তার। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান।

/এলকে/
টাইমলাইন: তুরস্কে ভয়াবহ ভূমিকম্প
১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১৯:১০
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১৮:২৫
১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১৩:৩২
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১০:২১
ধ্বংসস্তূপে জন্মানো সিরিয়ান শিশুটির নাম রাখা হলো ‘আয়া’
০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১৪:২৯
০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১৮:০৪
০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১৬:২৯
০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১২:০৩
সম্পর্কিত
মার্কিন যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর, চলছে ইসরায়েলি হামলা
ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নে মার্কিন চাপ মানছে না ওমান
রাস্তায় তোশক আর মুখে মুখ, দিল্লির আগুনে যেভাবে ‘হিরো’ হলেন স্থানীয়রা
সর্বশেষ খবর
ফ্রিল্যান্সারদের আয় থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ কর কাটা নিয়ে যা বলছে এনবিআর 
ফ্রিল্যান্সারদের আয় থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ কর কাটা নিয়ে যা বলছে এনবিআর 
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ে ৭.৫% কর নেওয়ার অভিযোগ, স্পষ্ট করার দাবি সারজিসের
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ে ৭.৫% কর নেওয়ার অভিযোগ, স্পষ্ট করার দাবি সারজিসের
ভাতের সঙ্গে জমবে মজাদার সরষে সবজি
ভাতের সঙ্গে জমবে মজাদার সরষে সবজি
মার্কিন যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর, চলছে ইসরায়েলি হামলা
মার্কিন যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর, চলছে ইসরায়েলি হামলা
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে