তুরস্ক-সিরিয়ায় ভূমিকম্প

ধ্বংসস্তূপে এখনও মিলছে লাশ, প্রাণহানি প্রায় ৩০ হাজার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১২:০৬আপডেট : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১৩:৪৩

স্মরণকালের ভয়াবহ ভূমিকম্পে তুরস্ক ও সিরিয়ায় প্রাণহানির সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। ছয় দিনের মাথায় এসেও ধ্বংসস্তূপে মিলছে লাশ। কখনও আবারও প্রাণের সন্ধান। তবে সময় যত বাড়ছে জীবিত থাকার সম্ভবনা কমে আসছে। শনিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে তুর্কি ভাইস প্রেসিডেন্ট ফুয়াত ওকতায় জানান, দুই দেশে মৃত্যুর সংখ্যা ৩০ হাজার ছুঁইছুঁই।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত প্রাণহানির মধ্যে শুধু তুরস্কে মারা গেছেন ২৪ হাজার ৬১৭ জন। আর প্রতিবেশী দেশ সিরিয়ায় প্রাণহানির সংখ্যা ৪ হাজার ৫০০ জন।

সিরিয়ার বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী উদ্ধারকারী দল হোয়াইট হেলমটেস জানিয়েছে, দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় বিদ্রোহী অধ্যুষিত এলাকায় মারা গেছেন ২ হাজার ১৬৭ জন। প্রাণহানি আরও বাড়তে পারে।

বিদ্রোহী অধ্যুষিত এলাকায় ত্রাণ সহায়তা এবং উদ্ধার কার্যক্রমে অংশ নিতে সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবীদের। ইতালির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা সিরিয়ার ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় লেবানন হয়ে সহায়তা পাঠাবে।

কনকনে ঠাণ্ডা আর তুষারপাতের কারণে তুরস্ক ও সিরিয়ায় উদ্ধার তৎপরতায় বেগ পেতে হচ্ছে সংশ্লিষ্টদের।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ধ্বংসস্তূপে আটকেপড়া মানুষেরা অনেক সময় এক সপ্তাহ বা বেশি সময় বেঁচে থাকতে পারেন। কিন্তু জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা দ্রুত কমছে। উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবনের স্পন্দন পেতে থার্মাল ক্যামেরা ব্যবহার শুরু করেছেন। যা কেউ জীবিত থাকলে তাদের দুর্বল অবস্থার ইঙ্গিত দিচ্ছে। সূত্র: সিএনএন

/এলকে/
টাইমলাইন: তুরস্কে ভয়াবহ ভূমিকম্প
১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১৯:১০
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১৮:২৫
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১২:০৬
ধ্বংসস্তূপে এখনও মিলছে লাশ, প্রাণহানি প্রায় ৩০ হাজার
১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১৩:৩২
০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১৪:২৯
০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১৮:০৪
০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১৬:২৯
০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১২:০৩
সম্পর্কিত
তেলের দাম আবার বাড়লো, ৮ জুনের পর সর্বোচ্চ
পেলেটে ঝাঁঝরা মুখ, তবু অনুশোচনা নেই: হাসপাতাল থেকেই যন্তর মন্তরে ফেরার ঘোষণা
খাবার, ক্ষোভ আর সংহতিতে গতি পাচ্ছে যন্তর মন্তরের আন্দোলন
সর্বশেষ খবর
‘ঋণের ভ্যান গেলো, এখন কিস্তি দেবো কী করে’, অটোভ্যান হারিয়ে নিঃস্ব শাহাদৎ 
‘ঋণের ভ্যান গেলো, এখন কিস্তি দেবো কী করে’, অটোভ্যান হারিয়ে নিঃস্ব শাহাদৎ 
বিক্ষোভে ফের উত্তপ্ত যন্তর মন্তর, আহত ৫ পুলিশ সদস্য
বিক্ষোভে ফের উত্তপ্ত যন্তর মন্তর, আহত ৫ পুলিশ সদস্য
টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন চালু করা কেন জরুরি
টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন চালু করা কেন জরুরি
১০ অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত 
১০ অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত 
সর্বাধিক পঠিত
জামায়াত এমপির বিয়ে আর কাবিনের গোমর ফাঁস করে দিলেন কাজী
জামায়াত এমপির বিয়ে আর কাবিনের গোমর ফাঁস করে দিলেন কাজী
হত্যাকাণ্ডের শিকার সেই শিক্ষিকার চার সন্তান নিয়ে দিশেহারা পরিবার
হত্যাকাণ্ডের শিকার সেই শিক্ষিকার চার সন্তান নিয়ে দিশেহারা পরিবার
আদালতে বিচার চলাকালে শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবীর মাথা ফাটালেন বিচারক
আদালতে বিচার চলাকালে শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবীর মাথা ফাটালেন বিচারক
মুক্তি পেয়েই যে বার্তা দিলেন রাহুল-প্রিয়াঙ্কা
মুক্তি পেয়েই যে বার্তা দিলেন রাহুল-প্রিয়াঙ্কা
‘সময় নষ্ট করবেন না’, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে পুলিশি বলপ্রয়োগ নিয়ে আবেদন নাকচ সুপ্রিম কোর্টের
‘সময় নষ্ট করবেন না’, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে পুলিশি বলপ্রয়োগ নিয়ে আবেদন নাকচ সুপ্রিম কোর্টের