ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য হলো যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য তেল ও গ্যাসের দাম কম রাখা। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেছেন।
ভ্যান্স বলেন, আর অবশ্যই দ্বিতীয় লক্ষ্য হলো, ইরান যেন কখনও পারমাণবিক অস্ত্র না পায়।
তিনি বলেন, আমি আত্মবিশ্বাসী যে আমরা উভয় লক্ষ্য অর্জন করছি। তবে বিষয়টি স্বভাবতই অনিশ্চিত। কারণ ইরানিরা নিজেরাই অনিশ্চিত এবং তারা কখনও কখনও আমাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলোও রক্ষা করে না।
সাক্ষাৎকারে ভ্যান্সকে জানতে চাওয়া হয়, শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে।
জবাবে তিনি বলেন, আমি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি, আমার মনে হয় এর সমাপ্তি হবে এমনভাবে যে যুক্তরাষ্ট্র আরও শক্তিশালী অবস্থানে থাকবে, ইরানের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না এবং হরমুজ প্রণালি এমন অবস্থায় ফিরে যাবে, যেখানে মার্কিন জনগণের জন্য তেল ও গ্যাসের দাম স্থিতিশীল থাকবে।
ভ্যান্স বলেন, মাঝে মাঝে আমরা এর জ্বালানি সংক্রান্ত বিষয়ে মনোযোগ দিই, কারণ আমরা চাই আমেরিকানরা যেন তেল ও গ্যাসের দাম বহন করতে পারে। কখনও আমরা অবশ্যই এর সামরিক দিকটির দিকে মনোযোগ দিই। আবার কখনও আমরা পারমাণবিক কর্মসূচির দিকে মনোযোগ দিই।
তিনি আরও বলেন, আমার মনে হয়, আসলে যা ঘটছে তা হলো- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট তার ক্ষমতার সর্বোচ্চ পর্যায়ে থেকে কূটনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিক অনেকগুলো হাতিয়ার ব্যবহার করছেন। ভেতর থেকে মূল বিষয়টিকে আমি যেভাবে দেখছি তা হলো মার্কিন জনগণের স্বার্থে প্রেসিডেন্টের যে ফলাফল প্রয়োজন তা অর্জনে আমরা সেই মাধ্যমগুলো অত্যন্ত বেছে বেছে এবং কৌশলগতভাবে ব্যবহার করছি।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

ইরানের বিরুদ্ধে ‘কখনও না দেখা’ ব্যবস্থা নেবে যুক্তরাষ্ট্র
ব্রিটেনকে ‘ইসলামিক প্রজাতন্ত্র’ বলে খোঁচা নেতানিয়াহুর







