X
মঙ্গলবার, ০৫ জুলাই ২০২২
২১ আষাঢ় ১৪২৯

বন্ধুত্ব-বিচ্ছেদ-বিপ্লব-বন্ধন কিংবা চে-ফিদেল সম্পর্ক

আপডেট : ২৯ নভেম্বর ২০১৬, ১৮:২৯

বাধন অধিকারী নগ্ন মার্কিন সাম্রাজ্য-বাসনার বিপরীতে এক প্রতিরোধের পতাকা হাতে তিনি সতর্ক প্রহরীর মতো দাঁড়িয়ে ছিলেন ৫ দশক। গোটা লাতিন ভূমির জাগরণের প্রেরণা হয়েছিলেন। কিউবার পর হুগো চ্যাভেজের হাত ধরে ভেনেজুয়েলা, আদিবাসী রাখাল ইভো মোরালেসের নেতৃত্বে বলিভিয়া এমনকি ব্রাজিল, ইকুয়েডর, মেক্সিকো; লাতিনভূমিতে নব্য উদারবাদী অর্থনীতির পেটে বিলীন না হওয়ার যে অঙ্গীকারের মিছিল আমরা দেখেছি, দেখে যাচ্ছি এখনও তার প্রেরণা হয়েছিলেন মানুষটি। সেই ফিদেল কাস্ত্রো জীবন-মৃত্যুর সীমানা অতিক্রম করেছেন। তবে এই লেখা কেবল বিপ্লবের প্রয়াত সেই মহানায়কের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি নয়। বরং ফিদেল কাস্ত্রোর সঙ্গে আরেক লাতিন বিপ্লবী চে গুয়েভারার সম্পর্কসূত্রকে রাজনৈতিক-সমাজতাত্ত্বিক পরিসর থেকে বিবেচনার প্রচেষ্টা এই রচনার প্রেরণা। বন্ধুত্ব-বিচ্ছেদ-বিপ্লব যে বন্ধন তৈরি করেছিল দু’জন মানুষের সম্পর্কসূত্রের মধ্যে, নিতান্তই তার একটি ব্যক্তিগত পাঠ হাজির করার চেষ্টা করব এই লেখায়। তবে তার আগে ফিদেলকে নিয়ে খানিক ব্যক্তিগত অনুভূতি জানাতে চাই।
এক সময়কার ‘মার্কিন প্লে-গ্রাউন্ড’ কিউবাকে রেকর্ড মানবাধিকারের দেশে পরিণত করেছিলেন ফিদেল কাস্ত্রো। এই মানবাধিকার কথিত মত প্রকাশের স্বাধীনতা (আসলে মধ্যবিত্ত ক্ষমতাকাঙ্ক্ষা জানান দেওয়ার অধিকার ) মতো বিষয় ছিল না। বাস্তব খাদ্য-বস্ত্র-চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটিয়ে সামগ্রিক মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার ব্যাপার ছিল। বারাক ওবামার কিউবা সফরকালে ‘মানবাধিকার’ পরিস্থিতির সমালোচনার দুর্দান্ত জবাব দিয়েছিল দেশটি। সাফ জানিয়ে দিয়েছিল, মানবাধিকার ধারণার যুক্তরাষ্ট্রীয় বয়ান মানতে রাজি নয় তারা। এই ফিদেলের কিউবা গোটা লাতিন ভূমিতে মার্কিনিদের নগ্ন সাম্রাজ্যবাসনার বিপরীতে প্রতিরোধের বন্ধু হয়েছে। পাঠিয়েছি সামরিক সহায়তা। দুনিয়াজুড়ে নিজেদের ডাক্তার পাঠিয়ে মানবিক সেবা দিয়েছে দেশটি, দিয়ে যাচ্ছে, দিয়ে যেতে পারছে! এই কিউবাই ল্যাতিন আমেরিকাকে আইএমএফের ঋণ মুক্ত হওয়ার প্রেরণা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মানবতাবিরোধী উলঙ্গ নিষেধাজ্ঞার পরও দেশের মানুষদের উন্নত জীবনের নিশ্চয়তা বিধান করেছে। চিকিৎসা-শিক্ষা আর জীবনমানের উন্নয়নের মানে যে কথিত মুক্তবাজার-বিশ্বায়নের (আসলে মার্কিন ইকোনমির এক্সটেনশন) ধ্বজা ধরতে হয় না, কিউবা তার জ্বলজ্যান্ত প্রমাণ হয়ে জ্বলছে।
এবার ফিদেল কাস্ত্রো আর চে গুয়েভারার সম্পর্ক। একজনের বয়স ৪০ বছর, অন্যজন ২৮। ভেতরের ব্যবধান ১২ বছর। ব্যবধান ছিল শ্রেণিগত অবস্থানেও। একজন উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তান আর অন্যজন মধ্যবিত্ত। একজন আইনশাস্ত্রের মানুষ আর অপরজন চিকিৎসাবিদ্যার। একজনের জন্ম কিউবায়, অপরজনের আর্জেন্টিনায়।  তবে এই যে ব্যবধান, দুই জনের সম্পর্কে তা বাধা হয়নি কখনও। সম্পর্কটা ছিল হৃদয়জাত। সম্পর্কটা আদতে হৃদয়ের গভীরে লুকিয়ে থাকা মানুষের পৃথিবীতে শুভ আর মঙ্গল সাধনের। সেখান থেকেই বলা যায়, সম্পর্কটা রাজনৈতিক।
চে-ফিদেলের রাজনৈতিকতা তাদের মিলগুলোও ছিল লক্ষ্যণীয়। ফিদেল উচ্চবিত্ত জীবনের হাতছানি ছেড়েছিলেন। ছেড়েছিলেন ডিগ্রিধারী হওয়ার লোভ। চে ডাক্তারি পাস করেও উন্নত জীবনের লোভনীয় হাতছানিকে উপেক্ষা করতে সমর্থ হয়েছিলেন। বলিভিয়ার জঙ্গলে স্বৈরাচারী রাষ্ট্রক্ষমতার বিরুদ্ধে এক হয়ে লড়েছিলেন তারা। লড়েছিলেন মানুষের জন্য সাম্য-ন্যায়বিচার-সম্মিলন আর স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন নিয়ে।

দু’জনের পরিচয় ১৯৫৫ সালের জুলাইয়ে। ফিদেল তখন তৎকালীন বাতিস্তা সরকারের বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধের নেতৃত্বে ছিলেন। তার আহ্বানে সেই গেরিলা দলের চিকিৎসক হিসেবেযোগ দেন চে। তিনি তখন ফিদেলের গেরিলা দলের একমাত্র বিদেশি সদস্য। গেরিলা-বন্ধনের মধ্য দিয়ে যেন রক্তের সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা পায় চে-ফিদেলের। বন্ধুত্বটা যখন রাজনৈতিক, যখন তা মানুষের কল্যাণের স্বার্থে; তখন পরস্পরকে চিনতে অসুবিধা হয়নি তাদের। ছোটভাই রাউলের বন্ধু হলেও অল্পদিনেই চে’র সঙ্গে সম্পর্ক বেশ গাঢ় হয় ফিদেলের। শুধু তাই নয়, নিজের ব্যক্তিত্ব আর নেতৃত্বের গুণাবলীর কারণে চিকিৎসক থেকে অল্পদিনের মধ্যেই দলের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা যায় চে গুয়েভারাকে। তখন থেকেই দু’জন পরস্পরের সহযোদ্ধা। দু’জনের বিশ্বাস আর লক্ষ্যের পথ ধরে দু’জন হেঁটেছেন সুদীর্ঘ কাল।

প্রায় সাড়ে পাঁচ বছরের লড়াই শেষে ১৯৫৯ সালে স্বৈরাচারী বাতিস্তা সরকারের পতন হয়। ফিদেল কাস্ত্রোর নেতৃত্বে কিউবায় সূচিত হয় বৈপ্লবিক পরিবর্তন। শুরু হয় সমাজতন্ত্রকে বাস্তব রূপ দেওয়ার সংগ্রামী কর্মযজ্ঞ। কিউবার বৈপ্লবিক রূপান্তরে অসামান্য (নাকি মুখ্য?) ভূমিকাপালনকারী ফিদেলের বন্ধু চে তখন কিউবার কূটনীতিক। সফর করছেন দেশে দেশে।  ফিদেলের বিশ্বস্ত বন্ধু হিসেবে চে তখন কিউবার নতুন সরকারে একাধিক ভূমিকা পালন করেন।

‘ফিদেলের জন্য গান’ শিরোনামে একটি কবিতা লিখেছিলেন চে গুয়েভারা। কবিতায় চে লিখেছিলেন, তুমি বলেছিলে সূর্য উঠবে/ চলো যাই/ সেই সব অজানা পথ ধরে/ মুক্ত করতে তোমার প্রিয়/ কুমির-গড়ন সবুজ স্বদেশ... যদি লোহাও দাঁড়ায় মাঝে/ কিউবার অশ্রু আবরণ/ ঢাকা দেবে গেরিলার হাড় মাংস/ আমেরিকার ইতিহাসের যাত্রায়/ এর বেশি কিছু নয়... (বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য -এর ভাষান্তর)

কবিতার এই ‘আমেরিকার ইতিহাসের যাত্রা’ বলে দেয় নিরন্তর বিপ্লবের বাসনাই ছিল চে গুয়েভারার স্বপ্ন। বিপরীতে কাস্ত্রো বিকশিত হয়েছিলেন জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক চৈতন্যের পটভূমিতেই। পরে তিনি আন্তর্জাতিক বোধে বোধিপ্রাপ্ত হয়েছিলেন, অস্বীকার করার উপায় নাই। তবে চে গুয়েভারার রাজনীতির পটভূমি আন্তর্জাতিকতা। সঙ্গত কারণেই রাষ্ট্রীয় কূটনৈতিক আরাজনৈতিক বিষয় নিয়ে ফিদেলের সঙ্গে মতভিন্নতা হয় চে’র। তবে সেই মতভিন্নতা একান্তই রাজনৈতিক। ব্যক্তিগত বন্ধনের রাজনৈতিকতাকে যা অতিক্রম করতে পারেনি।

আমার ব্যক্তিগত বিবেচনা অনুযায়ী চে’র বিপ্লবী মন আসলে পড়ে ছিল নিরন্তর বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষায়। বিপরীতে কাস্ত্রো তখন একটু একটু করে গড়ে তুলতে চাইছেন নিজের স্বদেশ। তাই তো, ১৯৬৫ সালের ১ এপ্রিল কিউবার কমিউনিস্ট পার্টির  সদস্য ও শিল্পমন্ত্রীসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদ ত্যাগ করেন চে গুয়েভারা। ত্যাগ করেন ১৯৫৯ সালে দেওয়া নাগরিকত্বও। আবারও পাড়ি জমান বলিভিয়ার জঙ্গলে, শোষকদের বিরুদ্ধের সংগ্রামে।

বলিভিয়ার সেই জঙ্গল থেকেই ফিদেলকে চিঠি লেখেন চে। চে’র নিরন্তর বিপ্লবের স্বপ্ন যে মিথ্যে নয়, তারও সাক্ষ্য রয়েছে সেই ঐতিহাসিক চিঠিতে। মার্ক্সিস্ট আর্কাইভে ওই চিটির ভাষ্যটি সংরক্ষিত আছে। ঐতিহাসিক তাৎপর্যের দিক থেকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ওই চিঠিতে চে ফিদেলকে লিখেছিলেন যে অন্য লাতিন দেশগুলোর তাকে প্রয়োজন। কিউবাতে থেকেই চে সেইসব কাজ করতে চাচ্ছিলেন, কিন্তু রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে ফিদেল রাজি ছিলেন না। কিন্তু চে ছেড়ে গিয়েছিলেন ফিদেলকে। আর সেই চলে যাওয়ার বেদনাবোধের কথা চিঠিতে উঠে এসেছিল। চে লিখেছেন, নিশ্চিতভাবেই চলে যাওয়াটা তার কাছে যুগপথ আনন্দ ও বেদনার। কেননা কিউবা তাকে সন্তানের মতো করে দেখেছে। তার স্বপ্ন বাস্তবায়নের ভূমিও কিউবা। তবে ফিদেলকে যে ছেড়ে যাননি চে, ঠিকই সে কথা জানিয়ে দিয়েছিলেন চিঠিতে। লিখেছিলেন, ‘নতুন যে যুদ্ধক্ষেত্রে (অন্য দেশে বিপ্লব সংগঠনে) যাচ্ছি, সেখানেও আমি সেই মতাদর্শকেই কাজে লাগাব, যা আমাকে তুমি শিখিয়েছিলে।’ আসলে কিউবাকেও ছেড়ে যাননি চে। সেখানকার বৈপ্লবিক রূপান্তরের অভিজ্ঞতাকে সঙ্গে নিয়ে আবার তিনি বলিভিয়ার জঙ্গলে গিয়েছিলেন।

বিপ্লবী রাজনীতির পক্ষের মানুষেরা বিপ্লবকে কেবল ধ্বংসের তাণ্ডবলীলা মনে করেন না। মনে করেন সৃষ্টির প্রসববেদনা। সেই বেদনাবোধ কি চে’র মধ্যেও ছিল? নিজে বিপ্লবের পথে শহীদ হতে চাইলেও কি তিনি চেয়েছিলেন গড়ার কাজটি কেউ করুক? সৃষ্টির বেদনাবোধ তিনি কি কাস্ত্রোর মধ্য দিয়ে মোচন করতে চেয়েছিলেন? এইসব আমাদের জানা নেই। তবে ওই চিঠিতে চে লিখেছিলেন, ‘আমার মৃত্যুটা যদি হয় অন্য কোনও দেশে, তা হলেও আমার শেষ চিন্তাটা থাকবে কিউবার জনগণকে,  বিশেষ করে তোমাকে নিয়ে।’

তবে একটা সময় ফিদেলকে যে চে বুঝতে পারেননি, তাকে নিয়ে যে সংশয়ী ছিলেন, সে কথাও স্বীকার করেছিলেন চে। লিখেছিলেন, ‘সবচেয়ে বড় ভুলটা ছিল সিয়েরা মায়েস্ত্রার জঙ্গলে গেরিলা যুদ্ধ চালানোর দিনগুলোতে তোমার ওপর আমি তেমন করে ভরসা রাখতে পারিনি। নেতা ও বিপ্লবী হিসেবে তোমার গুণগুলো সহসাই বুঝে উঠতে পারিনি।’

ভুল ভেঙে বন্ধুত্বকে চিরন্তন করার দায়িত্বও তিনিই নিয়েছিলেন। চিঠিতে লিখেছিলেন, ‘আমি গর্বিত যে সব সময়েই নির্দ্বিধায় তোমাকে অনুসরণ করেছি, চিন্তা দৃষ্টিভঙ্গি আর মৌলিক নীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রে তোমাকেই অনুসরণ করেছি।’

এটাই চে-ফিদেলের বন্ধুত্ব আর বিচ্ছেদের বাস্তবতা। সেই বন্ধুত্ব আর বিচ্ছেদের মধ্যে দাঁড়িয়েছিল বৈপ্লবিক পরিবর্তনের বাসনা। একজন নতুন করে গড়তে শুরু করেছিলেন নিজের পরিসরের সমাজকে। অপরজন অব্যাহত রাখতে চেয়েছিলেন নিরন্তর বিপ্লবের ধারা। চেয়েছিলেন, সব প্রচলিত-পুরাতনকে ভেঙে চুরমান করতে। বিপ্লবী রাজনীতির ধারা অনুযায়ী এই দুই কাজে বিরোধ নেই। দুই কাজ পারস্পরিক। চে-ফিদেলের বিপ্লববাসনার প্রশ্ন তাই বন্ধুত্ব আর বিচ্ছেদের মধ্যে সেতু তৈরি করে অম্লান করে তুলেছিল দুই বন্ধুর সম্পর্ককে। এই সম্পর্কের নামই বন্ধন। বন্ধুত্বে তা যেমন বাস্তব ছিল, তেমনি বাস্তব ছিল বিচ্ছেদেও। 

জাতীয়তাবাদী রাজনীতির গর্ভেই বিকশিত হয়েছিলেন ফিদেল। তবে তার জাতীয়তাবাদের সঙ্গে মোদি-ট্রাম্পের কিংবা আমাদের আওয়ামী-বিএনপির জাতীয়তাবাদের ফারাকটা ইতিহাসের খাতায় লিপিবদ্ধ হয়ে থাকবে লিখিত-অলিখিত ভাষ্যে। ফিদেল চৈতন্যে মানুষের শক্তি-সামর্থ্যেরও প্রেরণা আনেন।

জাতীয়তাবাদী রাজনীতির আলটিমেট গন্তব্য কী, মার্ক্সবাদের সঙ্গে তা কী সম্পর্ক রচনা করতে পারে, ওই দুই ধারার রাজনীতি প্রকৃতপক্ষেই সমাজ আর মানুষের আলটিমেট মুক্তির পথ কিনা, ইতিহাসের প্রতিটি নির্দিষ্ট বাঁকে এইসব উপলব্ধি আরও পরিষ্কার হবে নিশ্চিত। নিশ্চিত ভাবেই পৃথিবী এগিয়ে যেতে থাকবে প্রগতির পথে। সবকিছুর ঊর্ধ্বে ফিদেল সেই প্রগতির ঐতিহাসিক পরম্পরার এক অপরিহার্য উচ্চারণীয় নাম হয়ে থাকবেন। থাকবেন নতুন সমাজ গঠনের প্রেরণা হয়ে। পরের প্রজন্ম তাদের সমাজ-রাজনীতি-রাষ্ট্রের বোঝাপড়া দিয়ে ফিদেলকে বিচার করবে। বিশ্বাস করি বন্ধু চে গুয়েভারার আন্তর্জাতিকতার বিশ্বাস নিয়ে ল্যাতিন জঙ্গলে নিরন্তর বিপ্লব প্রচেষ্টার বিপরীতে ফিদেলের জাতীয়তাবাদী চৈতন্যে মেশা মার্ক্সবাদ, দেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে বোঝাপড়া আরও পোক্ত হবে দিনকে দিন। বিশ্বাস করি, মানুষের মুক্তি কিংবা 'স্বাধীনতা'র চূড়ান্ত গন্তব্যের সঙ্গে ফিদেল-চে'র রাজনীতির  ফারাক আর ফাঁকফোঁকরগুলোও স্পষ্ট হবে একদিন। বিশ্বাস করি, একদিন মানুষের পৃথিবী বাস্তব হবে।

লেখক: বাংলা ট্রিবিউনের ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক ইনচার্জ

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
ভারত থেকে দুবাইগামী উড়োজাহাজের পাকিস্তানে জরুরি অবতরণ
ভারত থেকে দুবাইগামী উড়োজাহাজের পাকিস্তানে জরুরি অবতরণ
গণ বিশ্ববিদ্যালয় ট্রাস্টি হলেন ফরিদা আখতার ও আসিফ নজরুল
গণ বিশ্ববিদ্যালয় ট্রাস্টি হলেন ফরিদা আখতার ও আসিফ নজরুল
‘রোহিঙ্গাদের অবশ্যই নিজ দেশে ফিরতে হবে’
‘রোহিঙ্গাদের অবশ্যই নিজ দেশে ফিরতে হবে’
ঈদে মহাসড়কে চলাচল করতে দেওয়ার দাবি বাইকারদের 
ঈদে মহাসড়কে চলাচল করতে দেওয়ার দাবি বাইকারদের 
সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ