X
রবিবার, ২৩ জানুয়ারি ২০২২, ৮ মাঘ ১৪২৮
সেকশনস

সরকারকে হটিয়ে কী করবেন?

আপডেট : ০৩ নভেম্বর ২০২০, ১৩:১৩

আবদুল মান্নান যে দলটির জন্ম ক্ষমতায় থেকে সেই দলটি টানা ১৪ বছর ক্ষমতার বাইরে থাকা, দলের নেতাকর্মীদের কাছে এক অবর্ণনীয় দুঃখের ও কষ্টের। বলছিলাম বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, বিএনপি’র কথা। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ঘাতকদের শিরোমণি খোন্দকার মোশতাকের হাত ঘুরে জিয়া ক্ষমতা দখল করে তৎকালীন সামরিক গোয়েন্দা সংস্থাকে ব্যবহার করে স্বাধীনতাবিরোধী সহ নানা মত ও পথের মানুষকে একসঙ্গে করে বিএনপি গঠন করেছিলেন। জিয়া সামরিক বা বেসামরিক কোনও আইনেরই তেমন একটা তোয়াক্কা করতেন না। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার ষড়যন্ত্র হচ্ছে তা জেনেও তিনি প্রজাতন্ত্রের একজন কর্মচারী হয়েও যথাযথ কর্তৃপক্ষকে তিনি তা অবহিত করেননি। সেনাপ্রধান থাকা অবস্থায় তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করেছেন, তা সম্পূর্ণরূপে সংবিধানবিরোধী। সেনাবাহিনী হতে অবসর নিয়ে তিনি পেছনের তারিখ দিয়ে নিজেকে পদোন্নতি দিয়েছেন। তার জীবদ্দশায় তিনি আওয়ামী লীগ বা বঙ্গবন্ধুর নাম নেওয়া অলিখিতভাবে নিষিদ্ধ করেছিলেন। দীর্ঘ ছয় বছর নির্বাসিত জীবন শেষ করে শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তিনি তাকে তার ধানমন্ডির পৈত্রিক বাড়িতে ঢুকতে বাধা দেন। জিয়া ১৯৮১ সালের ৩০ মে এক সামরিক অভ‌্যুত্থানে নিহত হলে তার প্রতিষ্ঠিত দলের নেতৃত্ব উপরাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তারের হাত ঘুরে তার বিধবা স্ত্রী বেগম জিয়ার হাতে আসে। ১৯৯১ হতে ১৯৯৬ সাল আবার ২০০১ সাল হতে ২০০৬ সাল বেগম জিয়া নির্বাচিত হয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। চেষ্টা করেছিলেন ২০০৬ সালের পরও কীভাবে ক্ষমতায় থাকা যায়। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের তীব্র গণআন্দোলনের মুখে তার পক্ষে সে চেষ্টা সফল হয়নি। ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন এক এগারো পরবর্তী ফখরুদ্দিন সরকারের কাছে। ফখরুদ্দিন সরকারও সেনাবাহিনীর সহায়তায় চেষ্টা করেছিলেন তাদের ক্ষমতা প্রলম্বিত করতে। আবারও আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আন্দোলনের জেরে ২০০৮ সালের ডিসেম্বর মাসে সংসদ নির্বাচন দিতে বাধ্য হয় ফখরুদ্দিন সরকার। সেই নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে শেখ হাসিনা সরকার গঠন করেন। সেই অবধি টানা তিন মেয়াদে তিনি ক্ষমতায় আছেন যা এতদঅঞ্চলে একটি নজিরবিহীন ঘটনা। এই তিন মেয়াদে শেখ হাসিনা বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক চেহারা পাল্টে দিয়েছেন। বাংলাদেশকে বিশ্বে একটি নতুন পরিচয় দিয়েছেন। বিশ্বব্যাংকের প্রধান বাংলাদেশে এসে বলেন এই দেশটি উন্নয়নের রোল মডেল।

শেখ হাসিনার এই দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা বিএনপি’র জন্য খুবই কষ্টের। তাদের দলের বর্তমান অবস্থা চলতে থাকলে অদূর ভবিষ্যতে সাধারণ নিয়মে বিএনপি’র ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা ক্ষীণ। দলের সাংগঠনিক অবস্থা খুবই নাজুক। চেয়ারপারসন বেগম জিয়া দুর্নীতির দায়ে দণ্ডিত হয়ে সাজা খাটছেন। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, তার পুত্র তারেক রহমান নানা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত, আইনের দৃষ্টিতে পলাতক, বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ত্যাগ করে বর্তমানে লন্ডনে রাজনৈতিক আশ্রয়ে আছে। সেখান হতে তিনি ডিজিটাল পদ্ধতিতে দল পরিচালনা করেন। দলে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য দ্বিতীয় আর কোনও ব্যক্তি এখন পর্যন্ত দৃষ্টিগোচর হচ্ছে না। কখনও দলের কোনও সভা ডাকা হলে তার পরিসমাপ্তি ঘটে দাঙ্গা হাঙ্গামায়। দলের যা কিছু কর্মসূচি তা দলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক রিজভী আহমেদ সান্ধ্যকালীন সংবাদ সম্মেলন অথবা দলের অন্যান্য নেতার প্রেসক্লাবে সভা সেমিনারে নামে জমায়েত অথবা কোনও একটা ইস্যুকে কেন্দ্র করে মানববন্ধন। এসব অনুষ্ঠানেই একটিই কমন ডায়ালগ—‘এই সরকারকে ফেলে দিতে হবে’। কেউ কেউ এক ধাপ এগিয়ে গিয়ে বলেন ‘সরকারের অবস্থা বেশ নাজুক। ধাক্কা দিলেই পড়ে যাবে।’ কিন্তু ধাক্কা দেওয়ার মানুষ পাওয়া যায় না। অবশ্য সঙ্গে আছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, ওয়ান ম্যান পার্টি নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, কিছু তামাদি বাম নেতা। শনিবার দেখা গেলো প্রেসক্লাবের সামনের মানববন্ধনে এক তরুণ, সম্ভবত প্রয়াত বিএনপি নেতা সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ‘খাঁচাবন্দি ক্ষুদার্ত বাঘে’র মতো হুঙ্কার ছাড়ছেন, ‘শেখ হাসিনাকে ফেলে দিতে হবে’। তার হুঙ্কার শুনে তিনি মনে করছেন শেখ হাসিনা গণভবনে ভয়ে কাঁপছেন। এই তরুণ হয়তো জানেন না তার মতো অনেক কাগুজে বাঘ এই দেশের রাজনীতিতে এসেছিলেন। তারা সকলে বানের পানির মতো ভেসে গেছেন। সেদিন একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষককে দেখা গেলো হুঙ্কার ছাড়তে। তার স্বামী এক সময় পাকিস্তান সামরিক শাসক আইয়ুব খানের মন্ত্রী  ছিলেন। সকলেরই এক আওয়াজ—‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারকে ফেলে দিতে হবে’।

নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না গেলেন নারায়ণগঞ্জের এক ‘শেখ হাসিনাকে ফেলে দিতে হবে’ সমাবেশে যোগ দিতে। যাওয়ার পথে কে বা কারা তার গাড়িতে হামলা চালালো, যা নিঃসন্দেহে একটি গর্হিত কাজ। ঘটনার প্রতিবাদে মান্না ঘোষণা দিলেন তিনি এই ঘটনার প্রতিবাদে দশ তারিখ ঢাকা শহর অবরোধ করে ফেলবেন। বর্তমান সময়ে অক্ষম রাজনৈতিক নেতারা কথায় কথায় ঢাকা শহর অচল করে দেওয়ার বা অবরোধের ঘোষণা দেন। মাসখানেক আগে চট্টগ্রামের হাটহাজারীর হেফাজতে ইসলামের সদর দফতরে নিজেদের স্বার্থের কারণে দেখা দিলো চরম উত্তেজনা। সেখানে গিয়ে হাজির হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি নুর। কিছু লোকজন জমায়েত করে হুঙ্কার দিলেন হেফাজতের সদর দফতরে কিছু হলে ঢাকা শহর তিনি অচল করে দেবেন। আমার দীর্ঘ জীবনে অনেক ছাত্রনেতা দেখেছি, কিন্তু এই ব্যক্তির মতো এমন বিভ্রান্ত ও দায়িত্বজ্ঞানহীন ছাত্রনেতা দেখিনি। অবাক লাগে তিনি ডাকসু’র মতো একটি ঐতিহ্যবাহী সংগঠনের সহ-সভাপতি ছিলেন, আমাদের সকলের প্রিয় বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তাকে নির্বাচিত করেছিল।

আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় এসেছে তখনই ‘ফেলে দিতে হবে’র দল ভারি হয়েছে, কিন্তু ষড়যন্ত্র ছাড়া তাকে ফেলে দেওয়ার সক্ষমতা কোনও দল বা এ যাবৎ গোষ্ঠী অর্জন করতে পারেনি।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর প্রথম ‘ফেলে দেওয়ার দল’ সৃষ্টি করলো আওয়ামী লীগের নিজের দলের মানুষরাই। নাম হলো জাসদ, ১৯৭২ সালের ৩১ অক্টোবর যার আত্মপ্রকাশ। তারা স্বাধীনতায় সন্তুষ্ট নয়। জানালো দেশে বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কায়েম করতে হবে। মেধাবী তরুণ সমাজকে বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কায়েমের এক রোমান্টিক স্বপ্ন দেখালো জাসদ। সঙ্গে পেলো মওলানা ভাসানীর ন্যাপ, আত্মগোপনে থাকা জামায়াত ও অন্যান্য স্বাধীনতাবিরোধী দল ও গোষ্ঠী, আর এসে এই ফেলে দেওয়ার দলে নোঙর ফেললো অতি বামপন্থী দলগুলো। গঠিত হলো নিজস্ব সশস্ত্রবাহিনী, গণবাহিনী। প্রতিদিন পল্টন ময়দানে বড় বড় জনসভা হয়। যেকোনও মূল্যে শেখ মুজিবকে ফেলে দিতে হবে। স্বাভাবিকভাবে না পেরে পনেরই আগস্টের বিয়োগান্তক ঘটনা। তারপর একুশ বছর তো আওয়ামী লীগ ক্ষমতার বাইরে ছিল। পরবর্তী সরকারগুলো দেশের কী এমন উন্নয়নটা করেছিল যে বলতে হবে তাদের চেয়ে আওয়ামী লীগ বা শেখ হাসিনার শাসনকাল খারাপ? ফেলে দেওয়াটা সহজ মনে হতে পারে, কিন্তু তার চেয়ে অনেক কঠিন এটা বলা যাকে ফেলে দেওয়া হলো তার চেয়ে যারা আসবেন তারা আগের চেয়ে ভালো করবেন।

শেখ হাসিনাকে ফেলে দিতে যখন বিএনপি নেতৃত্বাধীন বিভিন্ন দল ব্যর্থ হয়ে ব্যক্তি বা সংগঠনকে নিয়ে প্রেস ক্লাবের সামনে দাঁড়িয়ে হুমকি দিচ্ছে তখন বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, বিশ ইকোনমিক ফোরাম, এডিবি ও বিদেশের অন্যান্য গবেষণা সংস্থা বলছে এই বিশ্ব মহামারিকালেও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন অনেক দেশের তুলনায় অনেক ভালো। মানতে নারাজ বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল। বললেন বাংলাদেশের হিসাব মিথ্যা। ভারত যেখানে স্বীকার করেছে তাদের প্রবৃদ্ধি আট শতাংশ নেগেটিভ হয়েছে, বাংলাদেশে সেখানে কীভাবে ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়? মির্জা ফখরুলের জানা উচিত এসবই আগাম হিসাব, আর ভারত সরকারিভাবে এই বিষয়ে তেমন কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি। যখন এই ধরনের হিসাব করা হয়, তখন অনেক ধরনের সূচক ব্যবহার করা হয়। সেইসব সূচককে একেক সংস্থা একেকরকম গুরুত্ব দিয়ে থাকে। যে কারণে বিশ্বব‌্যাংক, আইএমএফ, বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম, এডিবি বা অন্যান্য গবেষণা সংস্থার একটি ভবিষ্যৎ বাণীর সঙ্গে আরেকটি মিল থাকে না। মির্জা ফখরুল এর আগে বললেন এসব শুভঙ্করের ফাঁকি। এসবের রেশ না কাটতেই বিশ্বব্যাংক ঘোষণা করলো এই বছর বাংলাদেশে রেমিট্যান্সের হার ৮ শতাংশ হারে বাড়বে। বিএনপি গংয়ের জন্য এসব খবর অসহ্য। তারা প্রেস ক্লাবের সামনে দাঁড়িয়ে বলেন দেশে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা সরকারি হিসাবের চেয়ে বেশি, আর দেশের মানুষ নাকি না খেয়ে মারা যাচ্ছে।  তারা এসব পরিসংখ্যান বা তথ্য কোথা হতে পায়, তা রহস্যাবৃত।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী প্রেসক্রিপসন দিলেন শেখ হাসিনাকে বিশ্রামে যেতে। অনেকটা মাইনাস ওয়ানের পুনরাবৃত্তি।

যখন কথা উঠে দেশে শেখ হাসিনা সরকারের আমলে অনেক মেগা প্রজেক্ট সমাপ্তির পথে। মির্জা ফখরুল গং সঙ্গে সঙ্গে বলে ওঠেন মেগা প্রজেক্টের আড়ালে মেগা দুর্নীতি। বর্তমান সরকারের আমলে দুর্নীতি যে হচ্ছে না তা কেউ বলবে না। অনেক বড় বড় দুর্নীতি হয়েছে বা হচ্ছে। তফাৎটা হচ্ছে এখন দুর্নীতি হলে তার বিচার হচ্ছে, মামলা হচ্ছে, দণ্ডপ্রাপ্তরা কারাগারে যাচ্ছে। কিন্তু খালেদা জিয়ার শাসনামলে দুর্নীতি একটা শিল্পে পরিণত হয়েছিল। তার ছেলে তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোর দুর্নীতির কথা তো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। অনেক দিন এফবিআইয়ের ওয়েবসাইটে ছিল তাদের নাম। দেশের বাইরে পাচার হওয়া আরাফাত রহমানের কয়েক কোটি টাকাতো এই সরকারই সিঙ্গাপুর হতে ফিরিয়ে এনেছিল।

বিএনপি ও তার মিত্ররা কথায় কথায় গণঅন্দোলনের মাধ্যমে এই সরকারকে ফেলে দেওয়ার হুমকি ছাড়েন। হুমকি দেন দেশ অচল করে দেওয়ার। প্রশ্ন হচ্ছে ফেলে দিলেন না হয় বর্তমান সরকারকে, তারপর কী করবেন? ২০১৮ সালের আগে রাজনীতিতে বঙ্গবন্ধুর ছায়াতলে বেড়ে ওঠা ড. কামাল হোসেনকে নিয়ে চেষ্টা করছিলেন শেখ হাসিনাকে ফেলে দিতে। তা সম্ভব হয়নি। ড. কামাল হোসেন একজন প্রথিতযশা আইনজীবী, কিন্তু রাজনীতিতে তিনি আওয়ামী লীগ ছেড়ে আসার পর তেমন কোনও সুবিধা করতে পারেননি। নিজে গণফোরাম নামের একটি দল করার চেষ্টা করেছিলেন। কিছুদিন না যেতেই তা একটি বৈঠকখানা দলে পরিণত হয়েছিল। এখন টুকরা হয়ে বিলুপ্তির পথে।  বিএনপি শেখ হাসিনাকে ফেলে দেওয়ার জন্য ড. জাফরুল্লাহ চৌধুরী আর মাহমুদুর রহমানের ওপর ভর করেছে। কিন্তু অতীত অভিজ্ঞতায় বলে তারা খুব বেশি দূর যেতে পারবেন না। সেই পাকিস্তান আমল হতে দেখছি কোনও একটি সরকারের পতন ঘটানোর ইতিহাস আছে একমাত্র আওয়ামী লীগের। বিএনপি’র সামনে একমাত্র বিকল্প পথ হচ্ছে ষড়যন্ত্র। ১৯৭৫ সালেও এমনটি হয়েছিল। বর্তমান সময়েও তা যে হচ্ছে না, সেটা বলি কী করে।

৩ নভেম্বর জেল হত্যা দিবস। এই দিনে চার জাতীয় নেতার স্মৃতির প্রতি রইলো বিনম্র শ্রদ্ধা।

লেখক: বিশ্লেক ও গবেষক

 

 
/এমএমজে/
সম্পর্কিত
কেমন গেলো ২০২১?
কেমন গেলো ২০২১?
বুদ্ধিজীবী হত্যা: দেশকে মেধাশূন্য করার মহাপরিকল্পনা
বুদ্ধিজীবী হত্যা: দেশকে মেধাশূন্য করার মহাপরিকল্পনা
কাদের হাতে আগামী দিনের বাংলাদেশ?
কাদের হাতে আগামী দিনের বাংলাদেশ?
রুখে দাঁড়াও বাংলাদেশ
রুখে দাঁড়াও বাংলাদেশ

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশ, প্রতিপক্ষ ভারত
অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপকোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশ, প্রতিপক্ষ ভারত
একডোজ টিকার আওতায় ১ কোটি ৩১ লাখ স্কুল শিক্ষার্থী
একডোজ টিকার আওতায় ১ কোটি ৩১ লাখ স্কুল শিক্ষার্থী
সিজারিয়ান অপারেশনের সময় নবজাতকের হাড় ভেঙে ফেলায় ৩ চিকিৎসকের বিরুদ্ধ মামলা
সিজারিয়ান অপারেশনের সময় নবজাতকের হাড় ভেঙে ফেলায় ৩ চিকিৎসকের বিরুদ্ধ মামলা
বাড্ডায় সাংবাদিকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
বাড্ডায় সাংবাদিকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
ধর্ষণ করতে যাওয়ার অভিযোগে যুবকের গোপনাঙ্গ কেটে দিলেন গৃহবধূ 
ধর্ষণ করতে যাওয়ার অভিযোগে যুবকের গোপনাঙ্গ কেটে দিলেন গৃহবধূ 
রূপগঞ্জে সাংবাদিককে মারধরের ঘটনায় মামলা, প্রধান আসামি গ্রেফতার
রূপগঞ্জে সাংবাদিককে মারধরের ঘটনায় মামলা, প্রধান আসামি গ্রেফতার
ধর্মীয় সভায় বক্তব‌্য দেওয়ার সময় ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যু 
ধর্মীয় সভায় বক্তব‌্য দেওয়ার সময় ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যু 
হয়ে গেল রাজ-পরীর বিয়ে, কাবিন ১০১ টাকা
হয়ে গেল রাজ-পরীর বিয়ে, কাবিন ১০১ টাকা
প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা সালমানের
প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা সালমানের
‘বিশেষ সুবিধার ঋণের মেয়াদ না বাড়ালে খেলাপি হবেন ৫০ শতাংশ ব্যবসায়ী’
‘বিশেষ সুবিধার ঋণের মেয়াদ না বাড়ালে খেলাপি হবেন ৫০ শতাংশ ব্যবসায়ী’
নির্বাচন হচ্ছে নাকি স্থগিত, সিদ্ধান্ত রবিবার
চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি নির্বাচন ২০২২নির্বাচন হচ্ছে নাকি স্থগিত, সিদ্ধান্ত রবিবার
বেড়েছে ইয়াবা-গাঁজার আমদানি, আইস নিয়েও চিন্তা
বেড়েছে ইয়াবা-গাঁজার আমদানি, আইস নিয়েও চিন্তা
সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

© 2022 Bangla Tribune