খেরসনের বাসিন্দাদের সরিয়ে নিতে প্রস্তুত কিয়েভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২০ নভেম্বর ২০২২, ১২:৩৮আপডেট : ২০ নভেম্বর ২০২২, ১২:৫০

ইউক্রেনের খেরসন এবং আশপাশের এলাকা থেকে যেসব বাসিন্দা ছেড়ে যেতে চায় তাদের সরিয়ে নিতে যাচ্ছে জেলেনস্কির সরকার। শনিবার এমন ঘোষণা দিয়েছেন ইউক্রেনের উপ-প্রধানমন্ত্রী ইরিনা ভেরেশচুক। তিনি বলেন, দখলদার রুশ বাহিনী হামলা চালিয়ে সেখানকার বেসামরিক লোকদের যে ক্ষয়ক্ষতি করেছে তা বিবেচনা করে তাদের সরিয়ে নেওয়া হবে।

এদিকে শনিবার সন্ধ্যায় খেরসনের একটি তেলের ডিপোতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা দাবি করেন, এক সপ্তাহেরও আগে রুশ বাহিনী প্রত্যাহারের পর প্রথমবার খেরসন শহরের জ্বালানি স্থাপনায় আঘাত হেনেছে। এ নিয়ে মস্কোর কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

এমন পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী ইরিনা ভেরেশচুক শনিবার (১৯ নভেম্বর) মাইকোলাইভে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, অনেক লোক খেরসন এবং মাইকোলাইভের আশেপাশের এলাকা থেকে উত্তর-পশ্চিমে প্রায় ৬৫ কিলোমিটার দূরে সরে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। এটি আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই সম্ভব। খেরসন থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হবে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে এ বলেন তিনি।

তিনি আরও জানান, সরকার ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিয়েছে। যারা চলে যেতে চায় তাদের বেশিরভাগই রুশ বাহিনীর দ্বারা কোনও না কোনভাবে হামলার শিকার হয়েছে। শুধু স্বেচ্ছায় যারা যেতে চাচ্ছেন তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। জোর করে কাউকে সরানো হবে না। রাষ্ট্রীয়ভাবে পরিবহনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শীতে তারা সেখানে থাকবে।

সম্প্রতি ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় খেরসন প্রদেশের ডিনিপ্রো নদীর পশ্চিম তীর খেরসন শহর থেকে পিছু হটে রাশিয়া। রুশ সেনাদের পশ্চিম তীর থেকে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু। সেপ্টেম্বরে যে চারটি ইউক্রেনীয় ভূখণ্ডকে নিজেদের ভূখণ্ড বলে ঘোষণা করে খেরসন সেগুলোর একটি। ইউক্রেনে চলমান যুদ্ধে রাশিয়ার দখল করা একমাত্র প্রাদেশিক রাজধানী ও বৃহত্তম ভূখণ্ড হলো খেরসন। খেরসন প্রদেশের প্রাদেশিক রাজধানী হলো খেরসন শহর। ডিনিপ্রো নদীর পশ্চিম তীরে খেরসন শহরের অবস্থান।

সূত্র: আল জাজিরা

/এলকে/
টাইমলাইন: ইউক্রেন সংকট
সম্পর্কিত
রাস্তায় তোশক আর মুখে মুখ, দিল্লির আগুনে যেভাবে ‘হিরো’ হলেন স্থানীয়রা
উচ্চ ক্ষমতার কার্বন ফাইবারের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু চীনে
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
সর্বশেষ খবর
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী