ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় ৯ হাজার নাবিক ও মেরিন সেনা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। যুদ্ধজাহাজের বহর নিয়ে এই সামরিক মোতায়েনের ফলে অক্টোবরের শেষ দিকে বা নভেম্বরে মধ্যপ্রাচ্যে একসঙ্গে তিনটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরী থাকতে পারে। একই সময়ে ইরানে নতুন করে হামলার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির প্রধান কয়েকটি সংবাদমাধ্যম। সংবেদনশীল সামরিক অভিযান নিয়ে আলোচনা করার কারণে নাম প্রকাশ না করার শর্তে কর্মকর্তারা এসব তথ্য জানিয়েছেন।
নতুন করে এই সেনা ও যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন মধ্যপ্রাচ্য ও আরব সাগরে মার্কিন নৌবাহিনীর অন্যতম বড় সামরিক সমাবেশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২০০৩ সালে ইরাকে মার্কিন আগ্রাসনের পর এ ধরনের বড় নৌ-সমাবেশ খুব কমই দেখা গেছে।
মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে যাত্রা করা জাহাজগুলোর বহরে ৭ হাজারের বেশি নাবিক এবং প্রায় ২ হাজার মেরিন সেনা রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট বিমানবাহী রণতরীকে কেন্দ্র করে গঠিত ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ এবং ইউএসএস মার্কিন আইল্যান্ড অ্যাম্ফিবিয়াস রেডিনেস গ্রুপ।
এই মোতায়েনের ফলে অক্টোবরের শেষ নাগাদ ওই অঞ্চলে তিনটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরী অবস্থান করতে পারে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আট মাস ধরে চলা সংঘাত অবসানের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা থমকে আছে। দুই দেশই সর্বাত্মক আঞ্চলিক যুদ্ধ এড়াতে চাওয়ার কথা বললেও পরস্পরের বিরুদ্ধে অভিযোগ ও হুমকি অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: গালফ নিউজ
যুক্তরাষ্ট্র হামলা করলে আরও কঠোর জবাবে প্রস্তুত ইরান, অনিশ্চিত কূটনীতি