X
রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪
২ আষাঢ় ১৪৩১

মন্ত্রী-এমপির আত্মীয়রা কেন জনপ্রতিনিধি হতে আগ্রহী?

মাহফুজ সাদি
১২ মে ২০২৪, ২২:০০আপডেট : ১২ মে ২০২৪, ২২:০০

আওয়ামী লীগের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যের আত্মীয়দের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এ নিয়ে দলের ভেতরে-বাইরে পক্ষে-বিপক্ষে নানা আলোচনা চলছে। মন্ত্রী-এমপির ‘আত্মীয় প্রার্থীদের’ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর নির্দেশ দিলেও তা কার্যত হালে পানি পায়নি। প্রথম ধাপের উপজেলা নির্বাচনে ১৩ জন আত্মীয়-প্রার্থীর মধ্যে ১০ জন নির্বাচিতও হয়েছেন। পরের তিন ধাপের নির্বাচনেও প্রায় একই পরিস্থিতির ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। এমন প্রেক্ষাপটে মন্ত্রী-এমপির আত্মীয়রা কেন প্রার্থী বা জনপ্রতিনিধি হতে এত আগ্রহী, সেই প্রশ্ন সামনে এসেছে।

আওয়ামী লীগের কয়েকজন নীতিনির্ধা্রক বাংলা ট্রিবিউনের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় বলেছেন, মন্ত্রী-এমপির আত্মীয়দের উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া বা জনপ্রতিনিধি হতে চাওয়ার পেছনে অনেকগুলো কারণ (ফ্যাক্টর) কাজ করে থাকে। এর মধ্যে রয়েছে— ভবিষ্যতের ভাবনায় মন্ত্রী-এমপির পরবর্তী প্রজন্মকে নেতৃত্বে আনা বা জনপ্রতিনিধি করা, নেতৃত্বে বা জনপ্রতিনিধি হওয়ার দৌঁড়ে পরিবারের লোকজনকে এগিয়ে রাখা, আগামীর নেতৃত্বের ক্ষেত্র প্রস্তত করা, তৃণমূলে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা, পরিবারের সদস্যদের রাজনীতির মাঠে আলোচনায় আনা, স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধিত্ব নিজেদের আয়ত্তে রাখা, প্রতিদ্বন্দ্বীদের পাশ কাটিয়ে নিজস্ব বলয় তৈরি এবং শক্তিশালী করা, সামনে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী তৈরি হওয়ার পথ বন্ধ করা এবং নেতৃত্বের বা জনপ্রতিনিধির সুযোগ-সুবিধাগুলো নিয়ন্ত্রণে বা কবজায় রাখা।

দলীয় সূত্র বলছে, তাদের তালিকা অনুযায়ী, চলমান চার ধাপের উপজেলা নির্বাচনে ৫০ জনের বেশি মন্ত্রী-এমপির আত্মীয় নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন। অন্যান্য সূত্রের হিসাবে— প্রথম ধাপে ২০ মন্ত্রী-এমপির ৩০ আত্মীয়, দ্বিতীয় ধাপে ১৪ মন্ত্রী-এমপির একাধিক আত্মীয় প্রার্থী হয়েছেন এবং তৃতীয় ধাপে ১৩ মন্ত্রী-এমপির আত্মীয়রাও প্রার্থী হয়েছেন বা হচ্ছেন। শেষ ধাপেও কয়েকজন রয়েছেন ভোটের দৌঁড়ে। এই তালিকায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ প্রভাবশালী মন্ত্রী-এমপির সন্তান, ভাই, ভাগ্নে, জামাতা, শ্যালক, চাচা, চাচাতো ভাই, খালাতো ভাইসহ অন্যদের নাম রয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)- এর সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মন্ত্রী-এমপির আত্মীয় হলে ভোটের মাঠে বাড়তি সুবিধা পাওয়া যায়। এসব (জনপ্রতিনিধি হলে) পদ-পদবী থাকলে অর্থ-সম্পদের মালিক হওয়া যায়। একইসঙ্গে মন্ত্রী-এমপির আত্মীয়-স্বজন হলে সব সুবিধা নিজেরাই ভোগ করতে পারে, অন্য কেউ নয়। আর ভবিষ্যতেও তাদের (মন্ত্রী-এমপি) প্রতিদ্বন্দ্বী থাকবে না। নতুন প্রতিদ্বন্দ্বী তৈরি হবে না, মন্ত্রী-এমপির পরিবারেই নেতৃত্ব, জনপ্রতিনিধিত্ব থাকবে— এসবসহ আরও অনেক কারণ বলা যায়।’

অবশ্য উপজেলা নির্বাচনে নির্দেশনার ক্ষেত্রে মন্ত্রী-এমপির পরিবার বলতে ‘নিজে, তার স্ত্রী ও ছেলে-মেয়েকে’ বুঝানোর কথা জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সম্প্রতি থাইল্যান্ড সফর নিয়ে ২ মে গণভবনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে এই ব্যখ্যা দিয়ে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে প্রভাবমুক্ত রাখতেই মন্ত্রী-এমপির পরিবারের সদস্যদের প্রার্থী না হওয়ার নির্দেশনা দেওয়ার কথা জানান তিনি।

আওয়ামী লীগের কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, এমপি-মন্ত্রীর আত্মীয়দের উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থী না হতে নির্দেশনা দেওয়া হলেও অনেকে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। তবে দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনও ব্যবস্থা নেওয়া যেমন কঠিন, তেমনই অতীতে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে ‘বিদ্রোহী প্রার্থী’ হওয়া অনেককে বহিষ্কার করেও পরে আবার ফিরিয়ে নেওয়ার দৃষ্টান্ত রয়েছে। উপজেলা নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ও প্রার্থী না থাকায় মন্ত্রী-এমপির আত্মীয় প্রার্থীরা বিদ্রোহী প্রার্থী নন। ফলে দলীয় নির্দেশনায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াটা নতুন জটিলতা তৈরি করবে। বিষয়টি মাথায় রেখেই হয়তো অনেকে এখনও নির্বাচনে থেকে গেছেন।

তাদের মতে, ২৮ এপ্রিল আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে এ বিষয়ে কোনও আলোচনা করেননি দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা। হয়তো জটিলতার বিষয়টি মাথায় রেখেই এ নিয়ে কথা বলেননি তিনি। আত্মীয় প্রার্থী হওয়া মন্ত্রী-এমপির তালিকাও ওই দিন বৈঠকে উপস্থাপনের কথা থাকলেও তা করা হয়নি। ২ মে’র সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনকে প্রভাবমুক্ত রেখে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিরপেক্ষ নির্বাচন হোক, মানুষ যেন স্বাভাবিকভাবে ভোটটা দিতে পারে। সেটাই হচ্ছে আমাদের লক্ষ্য। সে ক্ষেত্রে যারাই জিতে আসে আসুক... মানুষ যাকে চাইবে সে-ই আসবে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘‘জনপ্রতিনিধি হওয়াকে সবাই গুরুত্বপূর্ণ ভাবে। এটিকে সম্মানজনক হিসেবে বিবেচনা করেন সবাই। ‘হাইব্রিড’রা আবার জনপ্রতিনিধি হওয়াকে সম্পদ, অর্থ-বৈভবের মালিক হওয়ার হাতিয়ার মনে করে। রাজনীতি করলে সবাই জনপ্রতিনিধি হতে চান।’’

আওয়ামী লীগের তিন জন সাংগঠনিক সম্পাদক মনে করেন, দলীয় নির্দেশ দেওয়া না হলে অর্ধেকের বেশি উপজেলায় মন্ত্রী-এমপির আত্মীয়দের প্রার্থী হওয়া এবং তাদের অনেকের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। এ ছাড়া নির্বাচনকে ঘিরে প্রতিদ্বন্দ্বী একজন প্রার্থীকে অপরণের ঘটনা ঘটলেও নির্দেশনার পর অনেকে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। এছাড়া নির্বাচনে আর কোনও বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। প্রার্থী হওয়ার প্রবণতা কমানো গেছে এবং একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হচ্ছে— এটাও এক ধরনের সাফল্য।

আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, ‘এবার উপজেলা নির্বাচন প্রভাবমুক্ত রাখতে মন্ত্রী-এমপির আত্মীয়দের প্রার্থী না হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ কোনও প্রার্থী যাতে বেশি সুবিধা না পায়। সেইসঙ্গে তৃণমূলের ত্যাগী নেতা, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিককে জনপ্রতিনিধি হওয়ার সুযোগ করে দেওয়াও এই নির্দেশনার একটা কারণ। তবে সার্বিকভাবে নির্দেশনা মন্ত্রী-এমপির আত্মীয়দের প্রার্থী হওয়ার সংখ্যা কমিয়েছে, হাউব্রিডদের দৌরাত্ম্য বন্ধে ভূমিকা রেখেছে।’

নির্বাচন কমিশনের তথ্যানুযায়ী, চার ধাপের চলমান উপজেলা নির্বাচনের প্রথম ধাপে বুধবার (৮ মে) ১৩৯টিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ১২২টি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে বিজয়ীদের মধ্যে ১০১ জনই আওয়ামী লীগের। এই ধাপে মন্ত্রী-এমপির আত্মীয় প্রার্থী হয়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ২ জনসহ ১০ জন নির্বাচিত হয়েছেন, ৬ জন পরাজিত হয়েছেন।

বিজয়ীরা হলেন— নোয়াখালী-৪ আসনের এমপি একরামুল করিম চৌধুরীর ছেলে আতাহার ইশরাক শাবাব চৌধুরী, বগুড়া-১ আসনের শাহদারা মান্নানের ছেলে সাখাওয়াত হোসেন সজল ও ভাই মিনহাদুজ্জামান লিটন, পিরোজপুর-১ আসনের শ ম রেজাউল করিমের ছোট ভাই এস এম নুরে আলম সিদ্দিকী, খাগড়াছড়ির কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরার জামাতা বিশ্ব প্রদীপ কারবারী, মাদারীপুর-২ আসনের শাহজাহান খানের ছেলে আসিবুর রহমান খান, কুষ্টিয়া সদর আসনের মাহবুবউল-আলম হানিফের চাচাতো ভাই আতাউর রহমান আতা, ঠাকুরগাঁও-২ আসনের মাজহারুল ইসলাম সুজনের ছোট চাচা শফিকুল ইসলাম। আর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিতরা হলেন— নোয়াখালী-৬ আসনের এমপি মোহাম্মদ আলীর ছেলে আশিক আলী অমি ও মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের এমপি মোহাম্মদ ফয়সাল বিপ্লবের চাচা আনিছ উজ্জামান আনিস।

আর পরাজিতরা হলেন— ডেপুটি স্পিকার ও পাবনা-১ আসনের এমপি শামসুল হক টুকুর ছোট ভাই আব্দুল বাতেন ও ভাতিজা আব্দুল কাদের, টাঙ্গাইল-১ আসনের এমপি ও সাবেক কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাকের খালাতো ভাই হারুনার রশিদ হিরা, নরসিংদী-২ আসনের আনোয়ার আশরাফ খানের শ্যালক শরীফুল হক পলাশ, মৌলভীবাজার-১ আসনের এমপি ও সাবেক পরিবেশমন্ত্রী সাহাব উদ্দিনের ভাগনে সোয়েব আহমেদ ও ঠাকুরগাঁও-২ আসনের মাজহারুল ইসলাম সুজনের বড় চাচা মোহাম্মদ আলী।

জনপ্রতিনিধি হওয়ার আগ্রহ বেড়েছে

বিগত ১১টি জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং ৫টি উপজেলা নির্বাচনসহ স্থানীয় সরকারের নির্বাচনগুলোতে ক্রমবর্ধমানভাবে ক্ষমতাসীন দলের মন্ত্রী-এমপির আত্মীয়দের জনপ্রতিধি হওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। বিশেষ করে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থিতা আওয়ামী লীগ উন্মুক্ত রাখায় দলটির বিপুল সংখ্যক প্রার্থী হয়েছেন। অবশ্য উভয় নির্বাচন বর্জন করেছে আওয়ামী লীগের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি। ফলে এবার  জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও উপজেলা নির্বাচনে কার্যত ভোট হচ্ছে আওয়ামী লীগ বনাম আওয়ামী লীগ।

এদিকে, জনপ্রতিনিধি হওয়ার এই প্রবণতা অতীতে দেখা গেলেও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে প্রবলভাবে সামনে এসেছে। ওই নির্বাচন উন্মুক্ত রাখায় দলীয় প্রার্থীর বাইরে ক্ষমতাসীন দলের বিপুল সংখ্যক নেতাকে প্রার্থী হতে দেখা যায়। এমনকি উপজেলা চেয়ারম্যান থেকে পদত্যাগ করেও অনেককে জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে দেখা গেছে। তাদের মধ্যে পরাজিতদের অনেকে এবার উপজেলা নির্বাচনেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দলীয় প্রতীকে না করে এই নির্বাচনও উন্মুক্ত রাখায় আওয়ামী লীগের অনেকে প্রার্থী হচ্ছেন। মন্ত্রী-এমপির আত্মীয়রাও এই তালিকায় রয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)–এর সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে মন্ত্রী-এমপির আত্মীয়দের জনপ্রতিনিধি হওয়ার প্রবণতা অনেক বেড়েছে। এই অবস্থা বিদ্যমান থাকলে আগামীতে হয়তো এই প্রবণতা আরও বাড়বে।’

গত ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ২২৩টি আসন পেয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। এছাড়া জাতীয় পার্টি ১১টি এবং ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ ও কল্যাণ পার্টি একটি করে আসনে জয় পায়। এর বাইরে ৬২ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচনে জিতেছেন, যাদের মধ্যে ৫৮ জনই সরাসরি আওয়ামী লীগের সঙ্গে জড়িত।  সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতা হওয়ায় তাদেরকে ‘বিকল্প বা ডামি প্রার্থী’ হিসেবেও বলে থাকেন অনেকে। এ ছাড়া সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হওয়া বেশ কয়েকজন এবার উপজেলা নির্বাচনে লড়ছেন।

স্থানীয় সরকার বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, ৫০ জন উপজেলা চেয়ারম্যান ৭ জানুয়ারির দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পদত্যাগ করেন। তারা আওয়ামী লীগের ‘বিকল্প বা ডামি প্রার্থী’ হিসেবে সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তবে পদত্যাগকারী চেয়ারম্যানদের বেশিরভাগ এমপি হতে পারেননি। ৫০ জনের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশেরও কম জয়ের দেখা পান। ফলে সংসদ নির্বাচনের মাত্র চার মাসের মাথায় উপজেলা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন অনেকে।

আরও পড়ুন:

 

/এপিএইচ/
টাইমলাইন: উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ২০২৪
সম্পর্কিত
পাচার হওয়া টাকা ফেরত আনার দাবি এমপিদের
উপজেলায় কী পরিমাণ ভোট পড়লো জানালেন সিইসি, বললেন ‘সংস্কার প্রয়োজন’
মোংলায় জামানত হারালেন ৪ ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী
সর্বশেষ খবর
দেশের বড় জামাতের জন্য প্রস্তুত গোর-এ-শহীদ, মুসল্লি আসবে ট্রেনে
দেশের বড় জামাতের জন্য প্রস্তুত গোর-এ-শহীদ, মুসল্লি আসবে ট্রেনে
গাজায় হামাসের অতর্কিত হামলা, ৮ ইসরায়েলি সেনা নিহত
গাজায় হামাসের অতর্কিত হামলা, ৮ ইসরায়েলি সেনা নিহত
হাসিলের টাকা কম দেওয়ায় লঙ্কাকাণ্ড, হামলা হলো পুলিশের ওপরও
হাসিলের টাকা কম দেওয়ায় লঙ্কাকাণ্ড, হামলা হলো পুলিশের ওপরও
ঈদে পর্যটক বরণে প্রস্তুত কক্সবাজার, হোটেল-মোটেলে ৪০% ছাড়
ঈদে পর্যটক বরণে প্রস্তুত কক্সবাজার, হোটেল-মোটেলে ৪০% ছাড়
সর্বাধিক পঠিত
রেমিট্যান্সের পালে স্বস্তির হাওয়া, রিজার্ভেও উন্নতি
রেমিট্যান্সের পালে স্বস্তির হাওয়া, রিজার্ভেও উন্নতি
আমরা আক্রান্ত হলে ছেড়ে দেবো না: সেন্টমার্টিন নিয়ে ওবায়দুল কাদের
আমরা আক্রান্ত হলে ছেড়ে দেবো না: সেন্টমার্টিন নিয়ে ওবায়দুল কাদের
কেমন থাকবে ঈদের দিনের আবহাওয়া?
কেমন থাকবে ঈদের দিনের আবহাওয়া?
বেনাপোলে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়, পেট্রাপোল ইমিগ্রেশনে ভোগান্তি
বেনাপোলে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়, পেট্রাপোল ইমিগ্রেশনে ভোগান্তি
‘মাস্তান’ গরুটির জন্য কাঁদছে দর্শক
‘মাস্তান’ গরুটির জন্য কাঁদছে দর্শক