নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচনকে সামনে রেখে ইসির নিরপেক্ষতা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ তুলেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার। সোমবার (৩ ডিসেম্বর) সকালে নগরীর সেন্ট্রাল খেয়াঘাট থেকে নির্বাচনি প্রচারণার সময় সাংবাদিকদের কাছে এই শঙ্কার কথা জানান।
নির্বাচন কমিশন এবারের নাসিক নির্বাচন কতটা নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করবে, সে বিষয়ে আস্থা রাখতে পারছেন না বলে জানান। এ ছাড়া তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর বিগত সময়ের নানা কাজের সমালোচনা করেন। হোল্ডিং ট্যাক্স, দফায় দফায় ট্রেড লাইসেন্স ফি বাড়ানো ও জন্ম নিবন্ধন সনদ তুলতে নগরবাসীর ভোগান্তিসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ করেন তৈমুর। নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
তৈমুরের অভিযোগ, ‘নির্দিষ্ট ঠিকাদারদের সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সিটি করপোরেশন চালানো হয়েছে। যে কারণে মানুষ কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ও নাগরিক সুযোগ-সুবিধাগুলো থেকে বঞ্চিত হয়েছে।’
খেয়াঘাটে লিফলেট বিতরণ করে সাধারণ মানুষের কাছে ভোট চান সদ্য বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টার পদ হারানো এ নেতা। পরে শীতলক্ষ্যা নদীর পূর্ব তীরে বন্দর এলাকায় ২১ ও ২২ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় গিয়ে গণসংযোগ করেন।
এদিকে, সকালে ৭ নম্বর ওয়ার্ডে সিদ্ধিরগঞ্জের কদমতলী ও ভান্ডারিপুল এলাকায় গণসংযোগ করেন আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী। এ সময় তিনি বিগত সময়ের নির্বাচনের মতো এবারও সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ ছাড়া পুনরায় জনগণ বিজয়ী করলে উন্নয়নের অসম্পূর্ণ কাজগুলো সম্পন্নসহ নতুন কিছু কাজে হাত দেবেন বলেও জানান।
আইভী বলেন, ‘অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার স্ববিরোধী কথা বলেছেন। তিনি বলছেন, সবুজায়ন করবেন, জলাশয় ভরাট করে রাস্তা নির্মাণ করবেন। তিনি আসলে সিটি করপোরেশন সম্পর্কে না জেনেই অনেক কথা বলছেন, কেউ তাকে শিখিয়ে দিচ্ছে।’
এদিকে, দিনরাত এক মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন কাউন্সিলর প্রার্থীরা। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে ওয়ার্ডের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরে নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।








