জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) গতকাল সন্ধ্যা সাতটা থেকে দফায় দফায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ছাত্রলীগকর্মীদের সংঘর্ষে হয়। উপাচার্যের বাসভবনের মধ্যে অবস্থান করলেও রাত সাড়ে বারোটায় হামলা করা হয় আন্দোলনকারীদের ওপর। তবে হামলার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও উপাচার্যকে নীরব ভূমিকায় দেখা গেছে বলে অভিযোগ করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (১৫ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের পূর্বঘোষিত বিক্ষোভ মিছিল শুরু হলে সন্ধ্যা ৭টা ১৪ মিনিটে বঙ্গবন্ধু হল সংলগ্ন বটতলা এলাকায় আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালায় ছাত্রলীগকর্মীরা। এরপর রাত বারোটার দিকে উপাচার্যের বাসভবনের ভেতরে ঢুকে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায় ছাত্রলীগ ও ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা। তবে ছাত্রলীগ হামলা করতে এসেছে এমন তথ্য বারবার প্রক্টরকে অবগত করলেও তিনি কোনও ব্যবস্থা নেননি। এমনকি পিকআপ ভর্তি বহিরাগত সন্ত্রাসীরা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করছে এমন তথ্য জানালেও এটাকে গুজব বলে চালিয়ে দেয় প্রশাসন।
একপর্যায়ে উপাচার্যের বাসার ভেতরে ঢুকে শিক্ষার্থীদের উপর আক্রমণ করে ছাত্রলীগ। এসময় শিক্ষার্থীরা চিৎকার করে উপাচার্যকে বাসার দরজা খুলতে বললেও দরজা খুলেননি। এসময় পুলিশ উপস্থিত থাকলেও নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে।
এসময় শাখা সভাপতি আকতারুজ্জামান সোহেল ও সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান লিটনের নেতৃত্বে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালাতে দেখা যায়।
এসময় প্রক্টর বলেন, ‘আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি।’
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী আলিফ মাহমুদ বলেন, প্রশাসনের ইচ্ছাতেই আমাদের উপর হামলা হয়েছে। উপাচার্য দরজা বন্ধ করে ছিলেন। আমাদের কান্না তাদের কানে পৌঁছায়নি। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।









