জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) সিন্ডিকেট সভায় হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার পর রেজিস্ট্রার ভবনে হামলার ঘটনা ঘটেছে। কোটা আন্দোলনের সমন্বয়করা দাবি করছেন, আন্দোলনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে এ ধরনের হামলা চালিয়েছে অনুপ্রবেশকারীরা।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার আবু হাসান যখন সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত পড়ে শোনাচ্ছিলেন তখন শিক্ষার্থীরা দুয়োধ্বনি দেন। কিন্তু এরপর কিছু শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রার ভবনের দিকে জুতা ও জানালায় ইট নিক্ষেপ করেন।
এদিকে বুধবার সকালে সিন্ডিকেট সভা শুরু হয়েছে এমন খবরে রেজিস্ট্রার ভবনের সামনে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। হল ভ্যাকেন্টের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে দমনের চেষ্টা করছে প্রশাসন, এমন দাবি করেন তারা।
কোটা আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আরিফ সোহেল বলেন, ‘আমরা আমাদের জীবনের নিরাপত্তার জন্য আন্দোলনে যুক্ত হয়েছি। আমরা কোনোভাবেই হল ছাড়তে পারবো না। আমরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে বিশ্বাসী। যারা রেজিস্ট্রার বিল্ডিংয়ে হামলা চালিয়েছে তারা আমাদের কেউ নয়। আমাদের মধ্যে অনেক অনুপ্রবেশকারী এসেছে। তারাই ১৫ জুলাই রাতে আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছিল। আন্দোলনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে এ হামলা চালিয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।’
বুধবার সিন্ডিকেট সভায় অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। একইসঙ্গে বিকাল ৪টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।









