সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা বাতিলের দাবিতে রাজধানীর গুলিস্তানে গুরুত্বপূর্ণ জিপিও পয়েন্ট ব্লক করে রেখেছেন আন্দোলনকারীরা। ফলে সদরঘাট থেকে গুলিস্তান পর্যন্ত দীর্ঘ যানজট লেগে আছে। অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস এর গাড়ি, গণমাধ্যমের গাড়ি ও চিকিৎসা প্রার্থীসহ জরুরি কাজে নিয়োজিত গাড়ি ছাড়া আর সব যানবাহন ফিরিয়ে দিচ্ছেন তারা।
বুধবার (১০ জুলাই) দুপুরের আগে থেকেই গুলিস্তান জিপিও পয়েন্টে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা অবস্থান নেন। সেখানে তারা গান ও স্লোগানের তালে তালে বিক্ষোভ করেন। জিপিও পয়েন্টের চারপাশে শিক্ষার্থীরা হাত দিয়ে এবং রশি ঝুলিয়ে ব্যারিকেড দিয়েছে।
সচিবালয়ের সামনেই এই পয়েন্টে আন্দোলনকারীদের অধিকাংশ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং সরকারি সাত কলেজের শিক্ষার্থী। এছাড়াও আশপাশের এলাকার বিভিন্ন কলেজ ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও অংশ নিয়েছেন।
আন্দোলনে অবস্থানরত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থী পপি রানী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথ ছাড়বো না। আমরা অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে কোটা সংস্কার চাই।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একই বিভাগের শিক্ষার্থী রেশমা খাতুন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা যাই, সবাই যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকরিতে আসুক। কোটার কারণে অনেক মেধাবীও চাকরিতে সুযোগ পাচ্ছে না।‘
তানভীর আহমেদ নামের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ‘হাইকোর্ট যে ঝুলন্ত রায় দিয়েছে, তা আমরা মানি না। শুধু সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিল নয়, রেল ও অনান্য প্রতিষ্ঠানে পোষ্য কোটাও বাতিল চাই।’
এসময় আন্দোলনকারীরা ‘আমার সোনার বাংলায় বৈষম্যের ঠাঁই নাই’, ‘আপস না সংগ্রাম- সংগ্রাম সংগ্রাম’, ‘তুমি কে আমি কে-মেধাবী মেধাবী’, ‘হাইকোর্ট না শাহাবাগ- শাহাবাগ শাহাবাগ’, ‘দালালি না রাজপথ- রাজপথ রাজপথ’, ‘ওয়ান টু থ্রি ফোর- কোটা প্রথা নো মোর’, ‘জেগেছে রে জেগেছে- ছাত্রসমাজ জেগেছে’সহ বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকেন।









