রাজধানীর সিদ্দিকবাজারে বিস্ফোরণের ঘটনায় পাশাপাশি চারটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তছনছ হয়ে পড়েছে আশপাশের এলাকা। একদিকে বিদ্যুৎ নেই, অন্যদিকে উৎসুক জনতার ভিড় বেড়েই চলেছে। এতে উদ্ধারকাজে বেগ পেতে হচ্ছে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকর্মীদের।
যদিও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপে বেশ কয়েক দফা চেষ্টার পর ঘটনাস্থল থেকে উৎসুক জনতাকে হটিয়ে দেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ করা গণমাধ্যমকর্মীরাও রয়েছেন নিরাপদ দূরত্বে।
এমন পরিস্থিতিতে ভবনের নিরাপত্তা এবং মূল্যবান সম্পদ ও মালামাল রক্ষা করা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য চ্যালেঞ্জ বলে উল্লেখ করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার ক্রাইম ড. খ মহিউদ্দিন।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে মহিউদ্দিন বলেন, ‘উৎসুক জনতার কারণে ফায়ার সার্ভিসের কাজে অনেকটাই বেগ পোহাতে হচ্ছিল। আমরা অনুরোধ জানিয়েছি উৎসুক জনতা যারা রয়েছে, তারা যেন ঘটনাস্থল ছেড়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলোর উদ্ধার অভিযান সঠিকভাবে করতে পারা এবং আশপাশ এলাকার নিরাপত্তার বিষয়ে আমরা কাজ করছি।’
এদিকে বিস্ফোরণের খবর শুনে ভবনে কর্মরত অনেকের স্বজনরা এসে হাহাকার করছেন তাদের খোঁজে। তারাও ঘটনাস্থলের আশপাশে আছেন। এ সময় অনেকের স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে ঘটনাস্থলের পরিবেশ।
যে ভবনে বিস্ফোরণ হয়েছে, সেখানে একটি প্রতিষ্ঠানের সামনে ক্ষুদ্র ব্যবসা করতেন দিলীপ কুমার দাস। বিস্ফোরণের খবর শুনে তাকে খুঁজতে তার ভাতিজা হৃদয় এসেছিলেন ঘটনাস্থলে।
হৃদয় বলেন, ‘আমার চাচার ব্যবহৃত ফোনটি অন্য একজন পেয়েছেন। তিনি ফোন রিসিভ করে আমাকে জানিয়েছেন, আমার চাচা কেরানীগঞ্জ আছেন কিন্তু আমার চাচা কোথায় আছেন তিনি জানেন না। চাচা কোথায় আছে খুঁজছি। এরপর হাসপাতালে যাবো।’
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অপারেশন শাখার যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, ‘ওই ভবনের বেসমেন্টে এখনও মানুষ আটকে থাকতে পারে বলে আমরা ধারণা করছি। ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার অভিযান ঠিকমতো পরিচালনা করার বিষয়ে আমরা আশপাশের নিরাপত্তায় কাজ করছি। উৎসুক জনতাকে সরে যাওয়ার জন্য বলা হয়েছে।’









