আফগানিস্তানে ২০ বছর পর পুনরায় ক্ষমতা দখল করা তালেবানের সর্বোচ্চ নেতা হাইবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা কোথায় আছেন? বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর বিনিময় করা তথ্য ও গোষ্ঠীটির নেতাদের কথোপকথন থেকে এই নেতার গোপন অবস্থান জানার চেষ্টা করছে ভারত সরকার। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি’র এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।
ভারত সরকারের এক সিনিয়র কর্মকর্তা ইঙ্গিত দিয়েছেন, তালেবানের সর্বোচ্চ নেতা হয়তো পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কাস্টডিতে থাকতে পারেন। গত ছয় মাসে গোষ্ঠীটির সিনিয়র নেতারা তার দেখা পাননি। তার সর্বশেষ প্রকাশ্য বিবৃতি ছিল মে মাসে, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে।
ওই কর্মকর্তার মতে, পাকিস্তান কীভাবে বিষয়টি মোকাবিলা করে তা জানতে খুব আগ্রহী ভারত।
২০১৬ সালে মার্কিন ড্রোন হামলায় সাবেক তালেবান প্রধান আখতার মনসুর নিহত হলে দায়িত্ব পান হাইবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা। ওই সময় তাদের এক ভিডিও বার্তায় বলা হয়েছিল, পাকিস্তানে একটি বৈঠকে মনসুরের দুই ডেপুটির একজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি’র এক প্রতিবেদনে আখুন্দজাদার বয়স ৫০ বছর বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সেনার চেয়ে একজন ইসলামি চিন্তাবিদ হিসেবে তার পরিচিতি বেশি। তালেবানের বেশিরভাগ ফতোয়া তিনিই জারি করেন।
আল-কায়েদা প্রধান ২০১৬ সালে তালেবানের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেন। তিনি আখুন্দজাদাকে ‘এমির আল মুমিনিন’ বা ‘বিশ্বাসীদের কমান্ডার’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
যে সাত জন তালেবান নেতা আফগানিস্তানে ফিরে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিতে পারেন তাদের একজন হলেন আখুন্দজাদা।
দিল্লিতে খবর এসেছে যে লস্কর-ই-তৈয়বা ও জয়েশ-ই-মোহাম্মদের মতো জঙ্গি সংগঠনগুলো তালেবানের সঙ্গে বৈঠক শুরু করেছে।
বৃহস্পতিবার ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর তালেবান নেতাদের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্কের বিষয়ে সরাসরি কোনও মন্তব্য করেননি। শুধু বলেছেন, এখনও সময় হয়নি।









