আফগানিস্তানে এখনও পালিয়ে বেড়াচ্ছেন ব্রিটিশ কাউন্সিলের শিক্ষকেরা

বিদেশ ডেস্ক
১৩ জানুয়ারি ২০২২, ১৩:৩৮আপডেট : ১৩ জানুয়ারি ২০২২, ১৩:৩৮

আফগানিস্তানের হেলমান্দ প্রদেশে ব্রিটিশ মূল্যবোধ ও ইংরেজি ভাষা শিক্ষার জন্য নিয়োগ করা শত শত আফগান শিক্ষক এখনও পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। এসব শিক্ষকেরা বলছেন দেশটির নতুন শাসক তালেবানের হাতে নিপীড়নের ভয়ে রয়েছেন রয়েছেন তারা।

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, ব্রিটিশ কাউন্সিলের প্রায় একশ’ পুরনো এখনও আফগানিস্তানে রয়ে গেছেন। তাদের যুক্তরাজ্যে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি।

এক কর্মী বলেন, আমরা এখনও সবাই ভেতরে আছি, কারাগারের মতো। আরেক জন জানিয়েছেন তাদের অর্থ শেষ হয়ে যাচ্ছে।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আরও হাজার হাজার আফগান নাগরিককে যুক্তরাজ্যে নিতে নতুন প্রকল্প নেওয়া হবে। আর ওই শিক্ষকদের নতুন আফগান নাগরিক পুনর্বাসন প্রকল্পের আওতায় আবেদন করতে বলা হয়েছে। কিন্তু অনেকেই আফগানিস্তানে তালেবান নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

সারা বিশ্বে ব্রিটিশ সংস্কৃতি এবং শিক্ষা সংযোগ ছড়িয়ে দেওয়ায় কার করে থাকে যুক্তরাজ্যের সরকারি প্রতিষ্ঠান ব্রিটিশ কাউন্সিল। আফগানিস্তানে সং স্থাটির মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা জানি আমাদের পুরনো সহকর্মীরা ক্রমবর্ধমান হতাশাজনক পরিস্থিতির মধ্যে বসবাস করছে, দেশটির পরিস্থিতির অবনতি হওয়া অব্যাহত রয়েছে।’

হেলমান্দ প্রদেশে ব্রিটিশ কাউন্সিলে দুই বছর কাজ করেছেন ২০ বছরের রহিমুল্লাহ। তিনি বিপজ্জনক ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছেন বলে বিবিসিকে জানিয়েছেন। তার গুরুত্বপূর্ণ কাজ ছিল স্থানীয়দের জোরালো বিরোধিতা সত্ত্বেও শিক্ষকদের ‘সমতা, বৈচিত্র এবং অন্তর্ভুক্তি’ শেখানো। এমনকি অনেক শিক্ষিত পুরুষ শিক্ষকেরা লিঙ্গ সমতার ধারণা মানতে রাজি ছিলেন না বলে জানান তিনি।

রহিমুল্লাহ বিবিসিকে বলেন, ‘আমাদের এটা করতে হয়েছে। আমরা তাদের বলেছি লেসবিয়ান, সমকামীদেরও আফগান সমাজে মেনে নিতে হবে, কিন্তু তারা তা প্রত্যাখ্যান করে। তারা আমাকে বলেছে আমি যে কাজ করছি তা সম্পূর্ণভাবে ইসলাম বিরোধী।’

সূত্র: বিবিসি

/জেজে/
টাইমলাইন: আফগানিস্তান সংকট
১৩ জানুয়ারি ২০২২, ১৩:৩৮
আফগানিস্তানে এখনও পালিয়ে বেড়াচ্ছেন ব্রিটিশ কাউন্সিলের শিক্ষকেরা
০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ১৬:১৫
২০ অক্টোবর ২০২১, ১২:৫৯
০৫ অক্টোবর ২০২১, ২০:১০
সম্পর্কিত
রাস্তায় তোশক আর মুখে মুখ, দিল্লির আগুনে যেভাবে ‘হিরো’ হলেন স্থানীয়রা
উচ্চ ক্ষমতার কার্বন ফাইবারের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু চীনে
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
সর্বশেষ খবর
ভালো কোম্পানি তালিকাভুক্তিতে জোর দেবে নতুন বিএসইসি
ভালো কোম্পানি তালিকাভুক্তিতে জোর দেবে নতুন বিএসইসি
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
নতুন নাম জড়ানোর চেষ্টা বিচার বিলম্বের কৌশল: ডিএমপি কমিশনার
শিশু রামিসা হত্যা মামলানতুন নাম জড়ানোর চেষ্টা বিচার বিলম্বের কৌশল: ডিএমপি কমিশনার
মূল্যস্ফীতির চাপ কমেনি, ব্যাংক খাতের প্রকৃত সংকটও রয়ে গেছে: সিপিডি
মূল্যস্ফীতির চাপ কমেনি, ব্যাংক খাতের প্রকৃত সংকটও রয়ে গেছে: সিপিডি
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী