আফগানিস্তানে খাবার সংকট নিয়ে সতর্ক করেছে জাতিসংঘের সংস্থা ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম (ডব্লিউএফপি)। সংস্থাটি জানিয়েছে, কাবুল বিমানবন্দরে নিষেধাজ্ঞার কারণে এই মুহূর্তে চারটি ভিন্ন পথ ব্যবহার করে আফগানিস্তানে খাবার পৌঁছানো হচ্ছে। তবে আগামী মাস থেকে খাবার ফুরিয়ে যাওয়া শুরু হতে পারে।
আফগানিস্তানে ডব্লিউএফপি’র ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর অ্যান্ড্রু প্যাটারসেন জানিয়েছেন তাদের সংস্থা এই মুহূর্তে উজবেকিস্তান, পাকিস্তান এবং তুর্কমেনিস্তান সীমান্তের মানবিক ক্রসিং ব্যবহার করে খাবার পরিবহন করা হচ্ছে। তা সত্ত্বেও মাত্র ৫০ শতাংশ খাবার আফগানিস্তানে নেওয়া যাচ্ছে বলে জানান তিনি।
অ্যান্ড্রু প্যাটারসেন বলেন, ‘শীত আসছে। আমরা নিষ্ফলা মৌসুমে প্রবেশ করতে যাচ্ছি আর আফগানিস্তানের বহু সড়ক বরফে ঢাকা পড়বে। যেসব এলাকায় বিতরণ করতে হবে সেসব এলাকায় খাবার গুদামজাত করতে হবে। দেশটিতে আমাদের বর্তমানে ২০ হাজার মেট্রিক টন খাবার প্রয়োজন কিন্তু পথে রয়েছে মাত্র ৭ হাজার মেট্রিক টন।’
ডব্লিউএফপি কর্মকর্তা বলেন, ‘ডিসেম্বর নাগাদ আফগান জনগণের জন্য আমাদের আরও ৫৪ হাজার মেট্রিক টন খাবারের প্রয়োজন। সেপ্টেম্বর থেকেই খাবার ফুরানো শুরু হয়ে যেতে পারে।’
আফগানিস্তানের ২ কোটি মানুষের খাবার সহায়তা প্রয়োজন পড়বে বলে ধারণা করছে ডব্লিউএফপি। এই পরিমাণ মানুষের খাবার কিনতে ২০ কোটি ডলারের প্রয়োজন পড়বে। আফগানিস্তানের প্রায় এক কোটি ৮৫ লাখ মানুষ ইতোমধ্যেই ত্রাণের উপর নির্ভর করে আর দেশটিতে চলমান খরার কারণে এই মানুষের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।








