X
মঙ্গলবার, ০৭ মে ২০২৪
২৩ বৈশাখ ১৪৩১

তালেবানের ভয়ে দেশ ছেড়েছেন আফগান সংগীত শিল্পীরা

বিদেশ ডেস্ক
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৫:২২আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৫:৩৩

তালেবানের ভয়ে আফগানিস্তান থেকে পালিয়ে পাকিস্তানে যেতে বাধ্য হয়েছেন অনেক আফগান সংগীত শিল্পী। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ৬ আফগান শিল্পী নিজেদের উৎকণ্ঠার কথা জানান। তারা এখন পাকিস্তানে আত্মগোপনে আছেন। 

এদের মধ্যে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বলেন, আফগানিস্তানে থেকে গেলে তাকে হত্যা করা হতো। না চাইলেও পালাতে হয়েছে। আফগানিস্তানের ক্ষমতায় আসার পর সংগীতের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে তালেবান। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত শাসনামলের সময়ও গান বাজনায় নিষেধাজ্ঞা দেয় তালেবান সরকার।

গত জুনে আফগানিস্তানের জনপ্রিয় কৌতুক অভিনেতা নাজার মুহাম্মদ হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। নাজারের পরিবার অভিযোগ করে, তাকে সশস্ত্র গোষ্ঠী তালেবানের সদস্যরা হত্যা করেছে। কিন্তু এ নিয়ে মুখ খোলেনি গোষ্ঠীটি।

পাকিস্তানে পালিয়ে আসাদের মধ্যে এক আফগান সংগীত শিল্পী খান (ছদ্মনাম)। ২০ বছর ধরে রাজধানী কাবুলে বিভিন্ন বিয়ের অনুষ্ঠানে গান গাইতেন তিনি। তার সুনামও রয়েছে বেশ। তালেবান কাবুলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর তার সব বাদ্যযন্ত্র ভেঙে ফেলে। তাকে ধরতে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ চালায়। প্রাণ ভয়ে পরিবার নিয়ে কোনও রকম পাকিস্তানে প্রবেশ করেন তিনি। 

কাবুল থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় আফগানিস্তানের জনপ্রিয় শিল্পী আরিয়ানা সাঈদ

হাসান নামের আরেক আফগান শিল্পী পালিয়ে পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে আশ্রয় নিয়েছেন। তিনি একসময় আফগান সেনাবাহিনীর জন্য গান গাইতেন। ঠিক কতজন শিল্পী দেশ ছেড়েছেন তার সঠিক সংখ্যা জানা যায়নি।

আফগানিস্তানে গত দুই দশক ধরে পশ্চিমা-সমর্থিত সরকার ব্যবস্থায় রাজধানী কাবুল ও অন্যান্য নগরীতে গড়ে উঠেছিল সংস্কৃতি। কিন্তু ক্ষমতার পালা বদলে এখন অনেক কিছুই বদলে গেছে।

তালেবান অন্তর্বর্তী সরকার ঘোষণা করার পরই জানিয়েছে, শরিয়াহ আইন অনুযায়ীই দেশ পরিচালনা করা হবে। এরপর থেকে অনেক আফগান শিল্পী হয়তো পালিয়েছেন না হয় আফগানিস্তানেই আত্মগোপনে আছেন।

/এলকে/
টাইমলাইন: আফগানিস্তান সংকট
০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ১৬:১৫
২০ অক্টোবর ২০২১, ১২:৫৯
০৫ অক্টোবর ২০২১, ২০:১০
সম্পর্কিত
পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর ভারতেরই অংশ: এস জয়শঙ্কর
পাকিস্তানের উত্তরাঞ্চলে বাস দুর্ঘটনায় নিহত অন্তত ২০
মানবাধিকার রেকর্ড নিয়ে জাতিসংঘে সমালোচনার মুখে তালেবান
সর্বশেষ খবর
টেকনাফে ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
টেকনাফে ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ঝড়ে গাছ ভেঙে পড়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক বন্ধ ছিল এক ঘণ্টা
ঝড়ে গাছ ভেঙে পড়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক বন্ধ ছিল এক ঘণ্টা
‘স্বাভাবিক পরিবেশে বাঁচতে প্রত্যেককে গাছ রোপণ করতে হবে’
‘স্বাভাবিক পরিবেশে বাঁচতে প্রত্যেককে গাছ রোপণ করতে হবে’
ভিটামিন ডি কমে গেলে কীভাবে বুঝবেন?
ভিটামিন ডি কমে গেলে কীভাবে বুঝবেন?
সর্বাধিক পঠিত
মিল্টনের আশ্রমের দায়িত্ব যার হাতে গেলো
মিল্টনের আশ্রমের দায়িত্ব যার হাতে গেলো
চাসিভ ইয়ার ঘিরে হাজার হাজার সেনা জড়ো করছে রাশিয়া
চাসিভ ইয়ার ঘিরে হাজার হাজার সেনা জড়ো করছে রাশিয়া
যেভাবে অপহরণকারীদের কাছ থেকে পালিয়ে এলো স্কুলছাত্র
যেভাবে অপহরণকারীদের কাছ থেকে পালিয়ে এলো স্কুলছাত্র
যে শিশুকে পাচারের অভিযোগে মিল্টনের বিরুদ্ধে মামলা
যে শিশুকে পাচারের অভিযোগে মিল্টনের বিরুদ্ধে মামলা
আজও ঝোড়ো হাওয়াসহ শিলাবৃষ্টির আভাস
আজও ঝোড়ো হাওয়াসহ শিলাবৃষ্টির আভাস